» আমার বাবার কথা

প্রকাশিত: ২০. জুলাই. ২০১৮ | শুক্রবার

শিরিন ওসমান

আজ আমার বাবার কথা লিখতে ইচ্ছে করছে। আমার বাবা জনাব আশরাফ উদ্দীন ভূঁইয়া ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের নীরব সাক্ষী ছিলেন। শহীদ বরকত একেবারে আমার বাবার কাছেই ছিলেন। বরকতের রক্ত ছিটকে এসে আমার বাবার পাঞ্জাবীতে এসে লাগে। সাথীদের নিয়ে তিনি স্বেচ্ছায় কারাবরণ করেন। তখন তিনি জগন্নাথ কলেজের ইন্টারমিডিয়েটের ছাত্র ছিলেন। কতই বা বয়স? আঠারো উনিশ হবে। তিনি তার বড় ভাই তৎকালিন বিখ্যাত আহমেদ পাবলিশিং হাউসের স্বত্তাধিকারি মহীউদ্দীন আহমেদের বাসায় থেকে পড়াশোনা করতেন।বি এ কমপ্লিট করে আব্বা সিলেট যান। কারন সেখানে তাঁর বড় ভাই পরিবার নিয়ে থাকতেন। আহমেদ পাবলিশিং এর একটি পুস্তক আউটলেট ছিল ‘ফেরদৌস লাইব্রেরি’নামে।আব্বা সাহিত্যপ্রেমি,সদালাপি, সাংস্কৃতিক মনা, স্মিতহাস্যমুখ একজন সুপুরুষ ব্যক্তি ছিলেন। তিনি নিজের মত করে থাকতে ভালবাসতেন। সেই আমলে আব্বার জন্য একটি সরকারী চাকুরী পাওয়া খুব সহজ ব্যাপার ছিল। আব্বাদের পূর্বপুরুষ বাংলার বারো ভূইয়াদের একজন। আমার বড় চাচার কাছে সব বৃত্তান্ত ছিলো। এরা মুঘলদের বশ্যতা মানেনি । বহু কষ্ট সাধনা করে বাদশা আকবরের সময় বাংলা মুঘলদের সাম্রাজ্যভুক্ত হয়। জিনগত কারনে হোক বা আব্বার আপন ইচ্ছায় সিলেটের দূরে একটি গ্রামে্ তিনি বেড়াতে চলে যান। বিশ্বনাথের একটা স্কুলে পড়াতে লেগে যান।সেখানে চোখে পড়ে কাজল কান্ত নামে ক্লাস ফাইভে পড়া এক মেধাবী বালককে। তাদের আর্থিক অবস্থা নিতান্তই দুর্বল। আব্বার স্নেহপরায়ন মন নিয়ে কাজল কান্তকে সিলেট নিয়ে আসেন। আমাদের বাসার আউট হাউজে সে থাকতো পড়াশোনা করতো। খাবার ব্যবস্থা করে দেন এক হিন্দু পরিবারে।কাজলদা নিজগুনে সেই সময়ে মেট্রিক প্রথম বিভাগে উত্তীর্ন হোন।এর পর আর পেছনে তাকাতে হয়নি। ছাত্র পডিয়ে তিনি এম এ সি পাশ করেন। সিলেট মদন মোহন কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন।সংসারের দায়িত্ব নেন।

আব্বা রাজা জিসি স্কুলে শিক্ষকতা পেশায় যোগ দেন। তিনি ছাত্রদের বিশেষ সাহায্য সহযোগিতা করতেন। বই কলম ফ্রি কিনে দিতেন। মোট কথা প্রকৃত শিক্ষকের গুনাবলী সম্পন্ন ব্যক্তি ছিলেন আমার পিতা।পরবর্তীতে আব্বা বিয়ে করে আম্মাকে নিয়ে আসেন। আমার নানা খান সাহেব গজনফর আলী খান শিক্ষকতা পেশাকে বিশেষ সম্মান দিতেন।তিনি তাঁর বড় কন্যাকেও মুন্সিগঞ্জ হাই স্কুলের শিক্ষকের কাছে বিয়ে দিয়েছিলেন।
আব্বাকে ছাত্ররা পেয়ে বিশেষ খুশী হয়। আব্বা ঠিক করলেন তিনি একটি ড্রামা নামাবেন। “সিরাজদদৌল্লা” নাটক মঞ্চস্থ হবে ঠিক হলো।তৎকালিন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শিবু ভট্টাচার্যকে অনুরোধ করলেন, নাটকটি পরিচালনা করার জন্য । নাটকটি দেখে যথারীতি অভুতপূর্ব সাড়া পড়তে লাগলো সিলেট সংস্কৃতিক মহলে। সারদা হলে নাটকটি মঞ্চস্থ হয়।

এরপর আমাদের বাসার আউট হাউসে শুরু হয় কচিকাঁচার আসর ও শিল্পবিতান। ঢাকা থেকে রোকনুজ্জামান দাদা ভাই, কবি বেগম সুফিয়া কামাল, কুমিল্লা থেকে সংগঠক মোস্তফা সাহেব, সিলেটে, বেগম রশীদ, নির্মল চৌধুরী কবি দিলওয়ার এবং অন্যান্য গুনিজনরা মিলে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় কাজ শুরু হয়। গান শেখান প্রানেশ দাশ, আরতি ধর।নাচ শেখাতেন হরি দাশ, শংকর দা। অন্দর মহলে মেয়েদের শেখানো হতো সেলাই বাঁশ ও বেতের কাজ , চিনা মাটির ফুলদানি ইত্যাদি। আমার মায়ের বিশেষ সহযোগিতা না হলে কাজটি কখনো সম্ভব হতো না। আব্বা ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক।

মজার ব্যাপার ওই সময় মনিপুরি নৃত্যের বিরাট ট্রুপ নিয়ে আব্বা ট্রেনে করে নিজের খরচে ঢাকায় নিয়ে যান। তাদের নিয়ে আব্বার বড় ভাই ও ভাবীর কাছে রেখে ট্রুপ দিয়ে মনিপুরি নৃত্য ঢাকাবাসীকে দেখিয়ে আনেন গর্ব ভরে। এই হলেন আমার বাবা।

বাসার সামনের মাঠে ছবি আঁকা শেখানো হতো। রাস্তার ওপাশে মসজিদ ছিল। ধীরে ধীরে বাধা আসতে শুরু করলো। এক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে বাধ্য হলেন। নির্মল চৌধুরীর প্রশংসা আব্বা মন খুলে করতেন।তিনি এই সংগঠনে দুহাতে খরচ করতেন।আমার বাবা সর্বদা বিবাদ এড়িয়ে চলতে ভালবাসতেন। তখন আমার বয়স৫/৬ হবে যথন সংগঠনটির বন্ধ হয়ে যায়।

এরপর আউটহাউসে আমার বাবা আশরাফ উদ্দিন ভূঁইযা ‘ বলাকা প্রিন্টার্স’ নামে প্রিন্টিং প্রেস শুরু করেন। এই প্রেস সিলেট জেলায় কী কী ভূমিকা রেখেছে তার ইতিহাস তুলে ধরবো পরের এপিসোডে।
সিলেট সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের সাথে পাঁচ পীরের মোকামের সামনে আব্বার পুস্তকের দোকান।নাম ‘ ফেরদৌস লাইব্রেরী’।আমাদের বাসা থেকে হাফ কিলোমিটার দূর হবে। আব্বা সম্ভবত ১৯৬৬ সালে স্কুলের চাকরীটিও ছেড়ে দিলেন। তিনি ব্যবসায় পূর্ণ মনোযোগী হয়ে পড়লেন। সে সময় বই পত্র সব ছাত্র ছাত্রীদের কিনতে হতো। মানুষের বই পড়ার অভ্যাস ছিলো। রেডিও ছাড়া বিনোদন ছিলো না। আহমেদ পাবলিশিং হাউস তৎকালীন পাকিস্তানে একচেটিয়া গ্লোব এবং ম্যাপ তৈরী করতেন। এই খাতে প্রতিষ্ঠানটি অনেক লাভজনক হয়। আব্বার লাইব্রেরীতে গ্লোব ও ম্যাপ বিক্রি হতো বিপুল সংখ্যক । অন্যান্য লাইব্রেরীতেও হতো। আম্মা গল্পের বই পড়তেন । খবরের কাগজে বাধাই করে। পড়া শেষ হলে লাইব্রেরীতে দিয়ে দিতেন। ঝকঝকে রাখতেন বইটি। যাতে কেউ মনে না করে এটি খানিকটা মলিন। লাইব্রেরি সিজন টাইম ছিলো জানুয়ারী ফেব্রুয়ারী। এই দুই মাস প্রচন্ড ব্যস্ত জীবন থাকতো আব্বার।কাজ শেষ করে গোছগাছ করে আসতে রাত বারোটা বেজে যেতো।
প্রেস ঘরটিতে দুটি মেশিন ছিলো। আব্বা সিলেটের গ্রাম গঞ্জের স্কুলের ঠিকানা সংগ্রহ করে তাদের কাছে সরাসরি চিঠি লিখতেন বলাকা প্রিন্টার্স থেকে যেন তারা প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে নেন বছরে দুইবার ষান্মাসিক ও বার্ষিক। এতে বিপুল সাড়াও আসে। স্কুল হেডমাস্টারগন নিজে আসতেন। আব্বা সবাইকে চা- বিস্কুট আপ্পায়ায়ন করতেন। আব্বা একজন শিক্ষক, তাই তারাও স্বাচ্ছন্দ বোধ করতেন। এক সময় আব্বা লক্ষ্য করলেন, প্রশ্ন পত্রের মান বিশেষ সুবিধাজনক নয় । আব্বা রাত জেগে ক্লাস ওয়ান থেকে টেন পর্যন্ত কয়েকটি সেট করে প্রশ্ন পত্র তৈরী করলেন। তারপর স্কুল গুলোতে আমন্ত্রন করলেন বলাকা প্রিন্টার্স থেকে রেডিমেড প্রশ্নপত্র কেনার জন্য। ডাক যোগে এই কাজটি করতেন ।এতে অভুতপূর্ব সাডা মেলে। কারন গ্রামে যারা স্কুলে চাকুরী করেন তাদের পারিবারিক অন্যান্য কাজও দেখতেহতো। ফসলাদির তদারকি ইত্যাদি। প্রশ্ন করা বেশ খাটুনির কাজ।আব্বা অংক ভাল জানতেন। অন্যান্য বিষয়ে প্রশ্ন পত্র বানানো তাঁর জন্য কঠিন ছিলো না। প্রেস এবং লাইব্রেরি ব্যবসার লাভের টাকা দিয়ে প্রথম সিলেট কাজলশাহ এলাকায় প্রায় দুই বিঘা জমি কিনলেন। জমি কিনে আব্বা ঢাকা গিয়ে আমার মেজো চাচার বাসা থেকে দাদীকে নিয়ে আসেন। দাদীকে নিয়ে সেদিন প্রথম আম্মা ও আমি আব্বার সাথে জায়গা দেখতে যাই। সবুজ ধান ক্ষেতে ভরা জায়গা। সেবার দাদী আমাদের কাছে মাস চারেক ছিলেন।
ঢাকায় তখন রাজনৈতিক ডামাডোল শুরু হয়ে গেছে। ইলেকশনের আগে ভোটার লিস্ট ছাপানোর কাজ শুরু হলো। তখন ইলেকশন অফিসার হয়ে জয়েন করেন আমার এক মামা। আম্মার মামাতো ভাই। ভাগ্যের জোরে হোক আর মামার জোরে হোক গ্রেটার ভোটার লিস্টের আশিভাগ সরকার কতৃক এনলিস্টেড হয় বলাকা প্রিন্টার্স এর নামে। এই নিয়ে বেশ হৈচৈ হয়। একবার এনলিস্টেড হবার পর ফিরিয়ে নেবার কোনো উপায় থাকে না।আব্বা ঢাকা থেকে কম্পোজিটর আনালেন। সিলেট ও ঢাকা মিলিয়ে প্রায়পঞ্চাশ জনের টিম ভোটার তালিকা তৈরিতে কাজ করে। আমাদের বলতেন এবার তিনি ঢাকায় জায়গা কিনবেন। স্টেপলার দিয়ে ভাই বোনরা মিলে অনেক স্টেপলিং করেছি। ঠিক ই আব্বা ভোটার তালিকার কাজের টাকা দিয়ে ঢাকায় জায়গা কেনেন মধুবাজার পশ্চীম ধানমন্ডি।
এরপর শুরু হয় নমিনেশন প্রাপ্তির পালা। দেওয়ান ফরিদ গাজী সেই সময় রসময় স্কুলের হেড মাস্টার ছিলেন।তিনি আব্বার পূর্ব পরিচিত বন্ধু। তুমি তুমি সম্পর্ক ছিল। গাজী সাহেবের আর্থিক অবস্থা ভাল ছিল না। শেখঘাটে তাঁর একটি বাড়ী ছিল। তিনি নমিনেশন পাবার আগ থেকে সবসময় আব্বার প্রেসে বসে থাকতেন। নমিনেশন পাওয়ার পর শুরু হলো পোস্টার লিফলেটের কাজ। তিনি কাগজের টাকাও কিনে দেন নাই। আব্বা সব করে দিতেন। ওই সময় একটি বিরাট আবেগের জায়গা কাজ করেছিল শেখ মুজিব প্রধান মন্ত্রী হবেন। আব্বা তো উর্দু ভাষাও শুনতে বিরক্ত বোধ করতেন। উর্দু খবর চলাকালীন রেডিও বন্ধ করে দিতেন। এত হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমের ফসল বলতে গেলে শূণ্য।শুধু ফরিদ গাজী না অনেককেই আব্বা বিনা পয়সায় বাকীতে কাজ করিয়ে দিয়েছেন। এত আবেগ আব্বাকে তখন মানিলেস করে ফেলে। যুদ্ধ শুরু হলে পর আব্বা আমাদের পরিবার নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েন। কারন আম্মা তখন ছয় মাসের অন্তস্বত্তা। আমার মামা ঢাকা বিশ্বিদ্যালয় থেকে অনার্স পরীক্ষা দিয়ে সিলেট বেডাতে এসেছেন। আমি ক্লাস সেভেনে উঠেছি কেবল। আমার ছোট তিন ভাই। গুলির আওয়াজ। আকশে যুদ্ধ জাহাজ। আমি রাতদিন কেঁদেই চলছি। আব্বা আম্মাকে বলতে লাগলেন আগে জান বাঁচাও । আমরা রিকশা করে পায়ে হেঁটে সিলেটের গ্রামে গিয়ে আশ্রয় নেই আব্বার এক ছাত্রের বাড়ীতে।ওইটি ছিলো বিরাহিমপুর শের আলীদের বাডী।তারেক জিয়ার এখন শ্বশুর বাড়ী সেটি।ওটি ভুতুরে বাড়ীরমত ছিল। আব্বার আরেক ক্লায়েন্ট, তিনি জোর করে তাদের বাডী নিয়ে যান। তাদের বড় একটি সেপারেট ঘরে আমাদের থাকতে দেন। বাড়ীর বৌ ঝিরা আম্মার খোঁজ নিতেন। আমার ছোট ভাই যার বয়স তখন নয়, সে রোজ বাজার করে আনতো আম্মা রান্না করতেন আমরা দুবেলা খেতাম। এক সময় আমাদের ঘরে নতুন ভাই এল। পাশের বাড়ীর ধাত্রীর হাতে তার জন্ম হয়।
মাত্র বারোদিনের শিশু নিয়ে আমাদের আট জনের পরিবার( সাথের কাজের মেয়েটি) সহ কার্গো জাহাজে করে যাত্রী বোঝাই জাহাজে ঢাকার উদ্দেশ্যে আমরা রওয়ানা দেই।তাকিয়ে দেখছিলাম আমাদের যারা অশ্রয় দিয়েছিলেন তাদের অনেকের দুচোখ গডিয়ে পানি পড়ছে ।
ঢাকা গিয়ে জানতে পারি আমাদের গ্রামের বাডী মিলিটারিরা জ্বালিয়ে ফেলেছে ফসল সমেত। ঢাকা থেকে লঞ্চে নানা বাড়ী যাই। আব্বাকে এই প্রথম দেখলাম নানার পাশে হাউমাউ করে কেঁদেই চলছেন।নানা স্থির হয়ে বসে তার আদরের কনিষ্ট কন্যার দুঃখের বৃত্তান্ত শুনছেন।যুদ্ধের সময় আমার বাবার হাতে পর্যাপ্ত ক্যাশ টাকা না থাকাতে।মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েছিলেন । এক সময় যুদ্ধ শেষ হয়। আব্বার ব্যবসা আবার শুরু হয়। কোনো এম পি আব্বার বাকী টাকা ফেরত দেন নি। আব্বাও চাইতে পা ফেলেন নি তাদের দুয়ারে। আবার প্রেসের মেশিনের শব্দ আমাদের ঘর থেকে শোনা যাচ্ছিলো। যথারীতি জীবন আবার এগিয়ে চলছে।আবার ইলেকশন। এবার আব্ব্বা এম পি দের নিজের পয়সা ঢেলে দেননি। এবারের টাকা দিয়ে আব্বার ধানমন্ডি মধুবাজারের বাডীটি একতলার কাজ সুন্দর ভাবে শেষ করেন। বাংলাদেশ হলো আবার ইলেকশন হলো। আব্বা সিলেট শহরের অনেক তথ্য উপাত্তের সাক্ষী। তিনি সারা জীবন সৎ জীবন যাপন করেছেন। অজস্র মানুষের উপকার করেছেন। নিজের পরিবারের পুরোপুরি দায়িত্ব পালন করেছেন।কোনোরূপ রাজনৈতিক ফায়দা নেননি।
আব্বা ফিরোজা বেগম, ইসমত আরা এদের গান ভালবাসতেন।আমাদের লম্বা বারান্দায় মন খুশী থাকলে হেটে হেটে হুইসেল বাজিয়ে গানের সুর ভাজতেন। পরবর্তিতে ধর্ম কর্মে মন দেন। প্রচুর ধর্মীয় পুস্তক পড়তেন ।
এই হলেন আমার সহজ সরল আত্মপ্রত্যয়ী বাবা। ১৯৮৭ সালে আমার পিতা জনাব আশরাফ উদ্দিন ভূঁইয়া তাঁর বড় ছেলের কাছে ব্যবসার দায়িত্ব দিয়ে পুরোপুরি ভাবে ঢাকায় অবস্থান নেন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৫৬০ বার

Share Button

Calendar

August 2020
S M T W T F S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031