» পাক-ভারতকে পেছনে ফেলে সকল সূচকেই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত: ০২. জুন. ২০১৯ | রবিবার

সৌমিত্র দেব

উপমহাদেশে এখন সকল সূচকেই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ । ভারত ও পাকিস্তানের শীর্ষজনেরা তা মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করতে শুরু করেছেন । বিশেষ করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেই বসেছেন বাংলাদেশ সব কিছুতেই পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছে । বাংলাদেশে অর্থনীতির অবস্থা খুব ভাল না হলেও সামগ্রিকভাবে উন্নয়নমুখি ।বিচ্ছিন্ন ভাবে জঙ্গি হামলা থাকলেও দেশ এখন আর সন্ত্রাস কবলিত নয় । অন্তত পাকিস্তানের মতো ব্যর্থ রাষ্ট্রের ট্যাগ এখানে লাগানো যাবে না। বাংলাদেশের রাজনীতিতে সাম্প্রদায়িকতা আছে । ধর্মের রাজনৈতিক ব্যবহারও আছে । কিন্তু বাংলাদেশের সংসদে বা রাজপথে এখন ধর্ম ভিত্তিক রাজনৈতিক দলের আস্ফালন নেই। তাদের দুর্দিন চলছে । জাতীয় সংসদে আওয়ামীলিগ, জাতীয় পার্টি ও বিএনপির পরেই আছে ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাসদের মতো বামপন্থী দল । পাকিস্তান ও ভারতে বামপন্থীদের যেখানে ভরাডুবি ঘটেছে সেখানে বাংলাদেশের সংসদে ও সরকারে বামদের ভূমিকা এখনো গুরুত্বপূর্ণ । এমনকি রাজপথেও সিপিবি বাসদসহ বিভিন্ন বামপন্থী দলের শক্ত অবস্থান আছে । অন্যদিকে ভারতের নির্বাচনে শুধু বিজেপি, শিবসেনার জয় জয়কার নয়, অল ইন্ডিয়া মজলিস ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের মত “ইসালাম ভিত্তিক” দল ২ টি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিমলীগ ৩ টি আসন পেয়েছে। এরাও বিজেপির মত সাম্প্রদায়িক বিভাজনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। কিন্তু বাংলাদেশে এ রকম রাজনৈতিক দল খুঁজে পাওয়া কঠিন ।
আমরা সবাই জানি , ধর্মভিত্তিক রাজনীতি কোথাও জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটাতে পারেনি। বর্তমান ভারতই হচ্ছে তার বড় উদাহরণ। সাম্প্রদায়িক রাজনীতি ভারতের অর্থনীতিকে নানা দিক দিয়ে স্থবির করে দিচ্ছে । আমরা ভা্রতের সাম্প্রতিক নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখবো, বিজেপি তথা নরেন্দ্র মোদীর এ বিজয় মূলতঃ হিন্দুত্ব ও হিন্দু রাষ্ট্রের চেতনার জয় । এই বিজয়ে পরাজিত হলো সেক্যুলারিজম । যা ভারতের রাষ্ট্রীয় নীতি । অন্যদিকে বাংলাদেশ পুরোপুরি বাহাত্তরের মূল সংবিধান অনুসরণ করতে না পারলেও সাম্প্রদায়িক রাজনীতিকে এক রকম কবর দিয়েছে ।
ভারতে এবারের নির্বাচনের ক্ষেত্র কট্টর হিন্দু জাতীয়তাবাদী বিজেপির পক্ষে ছিল না বলেই সবার কাছে প্রতীয়মান হয়েছিল। নানা কারণে জনগণের স্বপ্ন ভঙ্গ হচ্ছিল।গুজরাট দাঙ্গার “নায়ক” মোদী যখন সবাইকে অবাক করে দিয়ে ২০১৪ সালে ২৮২ আসন নিয়ে ক্ষমতাসীন হন, তখন অনেকে এটা ভেবেছিলেন, এর নেপথ্যে আছে গুজরাটের “উন্নয়নের চমক” । তিনিও ভারতবাসীকে নির্বাচনী প্রচারে এমন ধারণা দিয়েছিলেন যে, দেশকে তিনি উন্নয়নের অন্য মাত্রায় নিয়ে যাবেন। কিন্তু, যে স্বপ্ন তিনি দেশবাসীকে দেখিয়েছিলেন, প্রথম পাঁচ বছরের শাসন শেষে তার অনেকটাই তিনি পূরণ করতে পারেননি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মনে হয়েছিল, জনগণের বড় অংশটাই বোধহয় মোদীর উপরে হতাশ।

জনগণের ক্ষোভের লক্ষণ দেখা গেল বিভিন্ন রাজ্যের নির্বাচনে। বিভিন্ন গুরত্বপূর্ণ রাজ্যে বিজেপির ভরাডুবি ঘটল। অনেকে ভাবতে শুরু করলেন, কংগ্রেস বোধহয় আবার ক্ষমতায় আসছে। আর না ভাবারই বা কি কারণ ছিল। মোদীর শাসন ১৯৭০ সালের পর সবচেয়ে বেশি বেকারের জন্ম দিয়েছে দেশটিতে।

শিক্ষিত তরুণদের মাঝে সারা ভারতেই চাকরির অভাব নিয়ে প্রচণ্ড হাহাকার। নকশালবাড়ী আন্দোলনের সময় পশ্চিম বাংলায় চাকরি যেমন দুস্প্রাপ্য হয়ে উঠেছিল, অনেকটা যেন তারই প্রতিচ্ছবি মোদীর শাসনে ভারতবাসী দেখতে পেল। শুরুতে মোদী কিছুটা আশার সঞ্চার করলেও খারাপ ঋণ সামাল দিতে নতুন দেউলিয়া আইনের মতো কিছু শক্ত সংস্কারের পদক্ষেপ নেয়ায় ব্যাংকিং খাতে যথেষ্ট চাপ তৈরি হয়। দুর্নীতি রোধে পাঁচশ এবং এক হাজার রুপির নোট নিষিদ্ধ করা ছিল অনেকটা অর্বাচীনের মত সিদ্ধান্ত, যা অর্থনীতিকে বড় ধাক্কা দেয়। এসবসহ নানাবিধ কারণে প্রবৃদ্ধির হার নেমে যেয়ে অর্থনীতিতে স্থবিরতা আসে। অথচ এ সময়ে বাংলাদেশে প্রবৃদ্ধি হয় ঊর্ধ্বমুখি ।

নতুন চাকরি তৈরির পথ অনেকটা বন্ধ হয়ে যায়। বিগত পাঁচ বছরে প্রতিবেশি বাংলাদেশ সামাজিক উন্নয়নের সব সূচককেই ভারতকে পিছনে ফেলে দেয়। ভারতে যখন জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার ক্রমশই নিম্নমুখী, বাংলাদেশে তখন তা (বর্তমানে) ৮ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবার মত অবস্থায়। ভারতীয় অর্থনীতিবিদরাই মন্তব্য করেন , বাংলাদেশ আগামী কয়েক বছরে মাথাপিছু আয়ে ছাড়িয়ে যাবে ভারতকে।

বিজেপির পাঁচ বছরের শাসনে কৃষকদের কঠিন অবস্থার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। এ সময় হাজার হাজার কৃষক আত্মহত্যা করে। ভারতে দীর্ঘদিন ধরেই বঞ্চনার শিকার কৃষকরা আত্মহত্যা করছে। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর তথ্যমতে, ১৯৯৫ থেকে ২০১৫ সময়কালে ভারতে আত্মহত্যা করেছে ৩,২১,৪০৭ জন কৃষক। গবেষকদের মতে প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে আরো বেশি হবে।

আত্মহত্যার প্রবণতা সাম্প্রতিক সময়গুলিতে ঊর্ধমুখী দেখে মোদী সরকার ২০১৬ সাল থেকে কৃষকদের বাৎসরিক আত্মহত্যার সংখ্যা প্রকাশ থেকে বিরত রয়েছে। তবে, বর্তমানে গড় আত্মহত্যার সংখ্যা বছরে ১৬ হাজারের উপরে হবে বলে মনে করা হয়। কৃষকদের অবস্থা ক্রমশই সঙ্গীন হবার ফলে মোদীর বিরুদ্ধে মুম্বাইসহ বিভিন্ন শহরে স্মরণাতীত কালের বিশাল বিশাল কৃষক সমাবেশ এবং বিক্ষোভ হয়। এক সময় বাংলাদেশেও কৃষক খেতমজুরদের আন্দোলন ছিল। কিন্তু এখন সেটা নেই ।

নরেন্দ্র মোদী কোন কিছুতেই যে সাফল্য দেখাতে পারেন নি, তা নয় । তাঁর প্রথম শাসনামলে তিনি জোর দেন খোলা স্থানে প্রাতঃকৃত্য করবার হার কমিয়ে আনবার উপর। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনগোষ্ঠী যে দেশটিতে খোলা জায়গায় প্রাতঃকৃত্য সম্পন্ন করে, সেটি হল ভারত। মোদীর শৌচাগার নির্মাণ আন্দোলনের ফলে দেশটিতে খোলা স্থানে প্রাতঃকৃত্য সম্পন্ন করা জনগোষ্ঠী সরকারী হিসাবে এখন ৫ শতাংশ দাবী করা হয়। যদিও বেসরকারী হিসাবে তা কমপক্ষে এখনো ১৫ শতাংশ বা ২০ কোটি হবে বলে মনে করা হয়।

এখানে উল্লেখ্য যে, সেক্যুলার নেহেরু থেকে হিন্দুত্ববাদী মোদী, সব সরকারের আমলেই সরকারী বা বেসরকারী যে খাতকেই প্রাধান্য দেয়া হোক না কেন, জাত, পাত, বর্ণ প্রথায় বিভক্ত ভারতে উন্নয়নের মূল অভিগমনটা উপর থেকে তৃণমূলে। ফলে, যে দেশে প্রতি বছর হাজার হাজার কৃষক আত্মহত্যা করছে, এখনো ২০ কোটির মত মানুষের শৌচাগার ব্যবহারের মত সঙ্গতি নেই, পাশ্চাত্যের মানদণ্ডে বিপুল সংখ্যক মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে বাস করেন, সে দেশে ২০১৮ সালে ঘোষিত সামরিক বাজেট ৫৪ বিলিয়ন ডলার।

দেশের ধনীক শ্রেণী নিজ দেশের শিক্ষাখাতে বিনিয়োগ না করে বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রদান করেন বিভিন্ন মার্কিন এবং বৃটিশ বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে নিজেদের নামে হল, ভবন বা চেয়ার করতে। অর্থাৎ, ভারতের বিপুল সংখ্যক দলিত সম্প্রদায় এবং আদিবাসীদেরকে উন্নয়নের ধারায় আনতে, রাষ্ট্র এবং বাক্তি, এ দুই পর্যায় থেকেই রয়েছে প্রবল অনীহা। উন্নয়নের মূল লক্ষ্যটা সেখানে উচ্চ এবং মধ্যবিত্তকে ঘিরে।

উত্তর ভারতের উচ্চ এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণীই বিজেপির মূল সমর্থন ভিত্তি, যাদের বড় অংশ হল বর্ণ হিন্দু। এরা সনাতন ধর্মকে যেভাবে বোঝেন, তার সাথে যোজন যোজন ফারাক রয়েছে দক্ষিণের রাজ্যগুলোর হিন্দু সম্প্রদায়ের, এমনকি পশ্চিম বাংলারও।

দক্ষিণের রাজ্যের ধর্ম এবং বর্ণ নির্বিশেষে অধিকাংশ জনগোষ্ঠী মনে করেন,তারা উত্তরের ব্রাহ্মণ্যবাদী সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের শিকার। তাদের কাছে বিজেপি মূলত এ ব্রাহ্মণ্যবাদী সংস্কৃতিরই প্রতিনিধি। ফলে, দক্ষিণ ভারতে বিজেপি বা কোন ধরণের হিন্দুত্ববাদী দল শিকড় গাড়তে পারেনি। এবারের নির্বাচনের ফলাফলেও সেটা দেখা গেছে। তবে, হিন্দুত্ববাদের উত্থানে সবচেয়ে কঠিন অবস্থায় নিপতিত হয়েছে ভারতের দরিদ্র মুসলমান এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়।

জনসংখ্যার প্রায় পনের শতাংশ মুসলমান নিয়ে আজকে ভারত বিশ্বে দ্বিতীয় মুসলিম জনগোষ্ঠীর দেশ। এ মুসলমানদের বড় একটা অংশ হতদরিদ্র এবং দরিদ্র। এ দরিদ্রতার পিছনে সরকারী এ বং সামাজিক নীতির পাশাপাশি মুসলমান জনগোষ্ঠীর একটা উল্লেখযোগ্য অংশের মূল ধারা থেকে নিজেদের বিছিন্ন রাখতে চাওয়ার প্রবণতাও দায়ী।

এ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অনেকেই মোদীর পাঁচ বছরের শাসনামলে বিজেপি এবং তার সহযোগী হিন্দুত্ববাদী সংগঠন আর এস এস, শিবসেনা ইত্যাদি দ্বারা নানাভাবে নিগৃহীত হয়েছে। মোদীর গরু সংরক্ষণ নীতির ফলে বহু মুসলমান শুধু শারীরিকভাবে নিপীড়ন নয়, হত্যাকাণ্ডেরও শিকার হয়েছেন। অনেক সেক্যুলার ভারতীয় মনে করেন, মোদীর আমলে মানুষের চেয়ে পশুর (গরুর) উচ্চ মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যার নজির আধুনিক বিশ্বে আর কোন রাষ্ট্রে নাই।

ভারতের মুসলমানরা শ্রেণী নির্বিশেষে সব সময়ই সেক্যুলার রাজনৈতিক দলকে ভোট দিয়ে এসেছে। রাজনৈতিক দল যত বেশি সেক্যুলার, তত বেশি তারা নিরাপদ বোধ করেছে। যদিও বাস্তবতা হল সেক্যুলার দলগুলি অনেক ক্ষেত্রেই নানাবিধ কারণে মুসলমানসহ ধর্মীয় সংখ্যালঘু এবং আদিবাসীদের স্বার্থ সংরক্ষণে ব্যর্থ হয়েছে। তারপরেও, হিন্দুত্ববাদীদের থেকে সেক্যুলারদের শাসনে তাঁরা নিজেদেরকে মনস্তাত্ত্বিকভাবে নিরাপদ বোধ করে এসেছেন। বাংলাদেশেও একই কারণে অমুসলিম সম্প্রদায় গুলো যেমন হিন্দু, বৌদ্ধ , খ্রিস্টান ও আদিবাসীরা সেক্যুলার দলগুলোকে আপন মনে করে । বাংলাদেশে সেক্যুলার হিসেবে পরিচিত দল গুলর মধ্যে আওয়ামীলীগই সবচে প্রভাবশালী । তাই সংখ্যালঘুদের ভোট আওয়ামীলীগের বাক্সকেই ভারি করে ।

ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের পাশাপাশি নারী সমাজের আর্থ, সামাজিক, সাংস্কৃতিক উন্নয়নে মোদী সরকার সফল তো হনই নাই, বরং খুব ব্যাপক মাত্রায় না হলেও, নানা হিন্দুত্ববাদীর কাছ থেকে নারীদেরকে সেই পুরানো সময়ে ফিরে যেতে বলা হয়েছে— যে সময়টাকে নারীরা বিভিন্ন প্রগতিশীল মানুষের প্রচেষ্টার পাশাপাশি স্বাধীন ভারতে সেক্যুলার দল এবং নারীবাদীদের সম্মিলিত প্রয়াসের ফলে পিছনে ফেলে এসেছেন।

বিজেপির পাঁচ বছরের শাসনে নারীদের উপরে সহিংসতা, যৌন নিপীড়নের মাত্রা বেড়েছে। হিন্দুত্ববাদ নামিয়ে আনতে পারেনি ধর্ষণের হার। সংখ্যার বিচারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ আফ্রিকার পরেই সবচেয়ে বেশি নারী ধর্ষিত হয় ভারতে। বাংলাদেশে সেই হিসাবে ধর্ষণের হার খুব কম । সামাজিক মূল্যবোধ ও এখানে বড় ভুমিকা রেখেছে ।

ধর্মের বাতাবরণ নারীকে সুরক্ষা দিতে তো পারেইনি, বরং কোনো কোনো হিন্দুত্ববাদীকে নারী-পুরুষের সমনাধিকার, বিধবা বিবাহের বিরোধিতা করাসহ প্রকাশ্যে সহমরণের জয় গান গাইতে দেখা গেছে। অর্থাৎ, “রাম রাজ্য” স্থাপনের নামে ভারতকে অনেক হিন্দুত্ববাদী যেন ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চান সেই অন্ধকার যুগে, যে যুগে নারীর মানবিক সত্ত্বাকেই স্বীকার করা হত না। বাংলাদেশ সেখানে নারী উন্নয়নে একের পর এক ইতিহাস সৃষ্টি করে যাচ্ছে । সমাজের সকল ক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতায়ন বেড়েছে । বেড়েছে নারী শিক্ষার হার ।

দীর্ঘ সেক্যুলার শাসন যেমন একদিকে ভারতে হিন্দুত্ববাদের চেতনার বিকাশ ঘটিয়েছে তেমনি, পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে সেক্যুলার রাষ্ট্র তুরস্কে উত্থান ঘটিয়েছে “ইসলামপন্থার“ রাজনীতির। ভারতে হিন্দুত্ববাদী চেতনার আইকন আজকে যেমন নরেন্দ্র মোদী, তুরস্কে তেমনি রেচেপ তাইয়্যেব এরদোগান। বাংলাদেশেও একটা শ্রেণী চাইছেন তাদের মতো ধর্মীয় সংস্কৃতির বিস্তার ঘটিয়ে বিভাজনের রাজনীতিতে সফল হতে। কিন্তু এতে আর খুব একটা লাভ হবে বলে মনে হচ্ছে না । এ সব বাধা উপেক্ষা করেই সকল সূচকে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ ।

সৌমিত্র দেব ঃসাধারণ সম্পাদক,বাংলাদেশ অনলাইন মিডিয়া এসোসিয়েশন

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১৯৫ বার

Share Button

Calendar

September 2019
S M T W T F S
« Aug    
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930