» একজন তৌফিকা করিম এক মানবতার ফেরিওয়ালা

প্রকাশিত: ১২. জুলাই. ২০২০ | রবিবার

শরিফুল ইসলাম শরিফ

তিনি কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন, অথবা মানবিক সেবাদানের সংকল্পে তিনি কারো কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধও নন। আগামীতে কিংবা সুদূর ভবিষ্যতে ওনার নির্বাচনের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার সম্ভাবনাবোধও শূন্যের কোটায়। আবার লেবাসধারী সমাজসেবার আড়ালে নিজেকে বিখ্যাত ব্যাক্তি হিসেবে জাহির করার হীন উদ্দেশ্যও নেই ভেতরে। কারণ সততা, শ্রম, যোগ্যতা আর কর্ম-ক্ষমতার অপূর্ব মিশেলের কারণে বহু আগেই এই সমাজ তাকে প্রথিতযশাদের কাতারে অধিষ্ঠিত করেছে। নানা ভাবে যুক্তিযুক্ত বিশ্লেষণ করলে মানব কল্যাণে নিজেকে ব্রত করার যে নেশা ওনার ভেতর বিরাজমান, সেটির কোন উপযুক্ত কারণ খুঁজে পাওয়া যাবে না। আসলেই তাই- কোনও কারণ নেই। অন্যের ভালো চাওয়া বা অন্যের জন্য ভালো কিছু করার নেপথ্যে যাদের মনে অসীম ক্ষুদা বিরাজ করে তাদের জন্য কোন কারণ বা উছিলার দরকার পড়ে না। এককথায় পরোপকার হলো শ্রেষ্ঠত্বের সর্বাপেক্ষা মূল্যবান অলঙ্কার। সমাজের সার্বিক স্তরে ওনার মতো সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি সব সময়ই শ্রেষ্ঠত্বের সর্বাপেক্ষা মূল্যবান অলঙ্কারে নিজেকে সাজিয়ে তুলতে পছন্দ করেন। সম্ভবত নিয়মিতভাবে অসহায় কারাবন্দিদের নিজ উদ্দ্যোগে বিনা মূল্যে আইনী সেবার সহায়তা দেবার পাশাপাশি দেশের নানান সংকটে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত সাধারণ নাগরিকের পাশে দাঁড়ানো, সাধ্যানুযায়ী তাদের সাহায্য করা প্রত্যেকের নৈতিক দায়বোধ বলে তিনি মনে করেন।

বলছিলাম সুপ্রীম কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবী, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সম্মানিত সদস্য, এথনিকা স্কুল এন্ড কলেজ, মানবাধিকার সংস্থা লিগ্যাল এসিসটেন্স টু হেল্পলেস প্রিজনার্স এন্ড পার্সনস(এলএএইচপি)’র প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান, ইন্টারন্যাশনার অফিস ইকোয়েপমেন্টস (বাংলাদেশ) লিমিটেড এবং সিটিজেন ব্যাংক লিমিটেড(Proposed) এর বোর্ড অব ডিরেক্টর তৌফিকা করিম, এডভোকেট এর কথা।

বিগত ২২ মার্চ সকাল ৯.৪৩ পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ তথা করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৩,০৭,৭৬৬ জন, আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ১৩,০৫৫ জন। (তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন, সিএনএইচসি ও অন্যান্য)। গত ১৭ মার্চ ২০২০ বাংলাদেশে আক্রান্ত ১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছিলো রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) ৮ ই মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়। সেদিন থেকেই বাংলাদেশে শুরু হয়েছে থমথমে আর ভয়াবহ পরিস্থিতি। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি বিবেচনা সাপেক্ষে এনজিও ব্যুরো নিবন্ধিত আইন সহায়তা প্রদানকারী বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা লিগ্যাল এসিসটেন্স টু হেল্পলেস প্রিজনার্স এন্ড পার্সনস (এলএএইচপি) এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধের লক্ষ্যে সংস্থার চেয়ারম্যান তৌফিকা করিম, এডভোকেট নির্দেশনা প্রদান করেন যে, ২২.০৩.২০২০ (রবিবার) থেকে পরবর্তী নোটিশ না দেয়া পর্যন্ত এলএএএইচপি’র হেড অফিস বন্ধ থাকবে; যা এখনো বলবৎ আছে। কিন্তু তা স্বত্ত্বেও এলএএইচপি’র চেয়ারম্যান নিজ দায়িত্বে কর্মকতা-কর্মচারীদের মাসিক সেলারী প্রতি মাসের প্রথম দিনই অধীনস্তদের একাউন্টে পৌঁছে দিচ্ছেন। অথচ সমগ্র বাংলাদেশের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দিকে তাকালে ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। কোথাও মাসের পর মাস সেলারী হচ্ছে না, আবার কোথাও কোথাও সার্বিক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের অযুহাত দেখিয়ে কেটে নেয়া হচ্ছে সেলারীর ২৫-৫০ শতাংশ সেলারী। সংস্থার অধীনন্তদের প্রতি চেয়ারম্যানের স্নেহশীল মনোভাব, আন্তরিক দায়িত্ববোধ, সময়নিষ্ঠ সচেতনতাবোধ প্রভৃতি আজকের যুগে প্রায় বিরল। যেকোন চাকুরীজীবীর কাছে তার প্রতি মাসের সেলারীর টাকাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সংস্থার চেয়ারম্যান তৌফিকা করিম ম্যাডামের সময়নিষ্ঠ সজাগ দৃষ্টি ও সহানুভূতির জন্য সমগ্র বাংলাদেশ করোনা সংকটে অর্থনৈতিকভাবে ক্রান্তিকাল পার করলেও এলএএইচপি’র কর্মীদের পরিবার-কে ক্রাইসিসে পড়তে হয় নি; যা একজন চাকুরীজীবীর জন্য এই মুহুর্তে বড় আশীর্বাদ। অবশ্য এজন্য ম্যাডামের প্রতি কর্মীদের কৃতজ্ঞতার কমতি নেই।

প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের থাবায় থমকে গেছে পুরো বিশ্ব। শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম কোথাও বাদ যায় নি লকডাউনের মতো পরিস্থিতি। মহামারী নভেল করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সত্যিকারের সংকটময় ক্রান্তিকাল পার করছে বাংলাদেশ। মধ্যবিত্তরা কোনক্রমে জীবন চালিয়ে নিলেও নিম্ন আয়ের বিশেষত খেটে খাওয়া ও দিনমজুর শ্রেণীর মানুষজন আজ বড্ড অসহায়। নভেল করোনা সংকটে সৃষ্ট এই সার্বিক অর্থনৈতিক ভারসাম্যহীনতায় সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন কাজ-কর্মহীন তথা আয়-রোজগারহীন শ্রমজীবী মানুষেরা। মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের নির্মমতা আর চারপাশের ঘরবন্দি পরিস্থিতি তাদের চোখে মুখে ফুটিয়ে তুলেছে অপার বিষণ্ণতা আর দুর্দশার করুণ চিহ্ন।

এই সব অসহায়, হতদরিদ্র মানুষজনের করুণ দুর্দশায় বরাবরের মতোই মর্মাহত তৌফিকা করিম, এডভোকেট। এই সব অসহায় মানুষের ঘামে ভেজা কপালে থেকে দুঃশ্চিন্তার বলিরেখা মুছে দেবার লক্ষ্যে লিগ্যাল এসিসটেন্স টু হেল্পলেস প্রিজনার্স এন্ড পার্সনস (এলএএইচপি) এর চেয়ারম্যান তৌফিকা করিমের তত্ত্বাবধানে ঢাকা ও কুমিল্লা মিলিয়ে ৪০০০ (চার হাজার) মানুষের মধ্যে মানবিক সহায়তা পৌছে দেন। সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চারটি ধাপে বিশ্বস্ত প্রতিনিধিগণের মাধ্যমে একটি পরিবারের ১৫ দিনের খাদ্য ও স্যানিটেশন সামগ্রীর মানবিক সহায়তার প্যাকেজ পৌঁছে দেন অসহায়দের ঘরে ঘরে।

প্রথম ধাপে অর্থাৎ ০৫ এপ্রিল ২০২০ সকাল ১১ টা থেকে খুব নিভৃতে তথা মিডিয়ার চোখকে এড়িয়ে দুই হাজার পরিবারের মধ্যে বিতরণের জন্য কুড়িলের কুড়াতলি, ঘাটপাড় বস্তি ও কাজীবাড়ী বস্তি, ভাসানটেকের দামাল কোট বাজার আদর্শ গলি, ভাটারা থানা সংলগ্ন নতুন বাজার এলাকা, বসুন্ধরা রেসিডেন্সিয়াল এরিয়া ও ফার্মগেটের ইন্দিরারোডস্থ দিন মজুর ও বয়োবৃদ্ধ রিক্সাচালক এবং বনানী ১১ নাম্বার সব মিলিয়ে মোট দুই হাজার মানুষের মধ্যে এলএইচপি’র মানবিক সহায়তা প্রাপ্তি নিশ্চিতে কাজ করেছেন, সংস্থার চেয়ারম্যান তৌফিকা করিম, এডভোকেট ও তার টিম।

দ্বিতীয় ধাপে অর্থাৎ বিগত ২২ মে ২০২০ এলএএইচপি’র মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় সংস্থার চেয়ারম্যান তৌফিকা করিম, এডভোকেট ম্যাডামের ব্যবস্থাপনা ও সরাসরি তত্ত্বাবধানে ঢাকার পরিবাগ ওভারব্রীজ সংলগ্ন এলাকা ও তার আশপাশ, ফার্মগেটের ইন্দিরারোড ও খামারবাড়ী এলাকার অসহায় রিক্সাচালক, দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষজনের মধ্যে এলএএইচপি’র কর্মকতাবৃন্দ মানবিক সহায়তা পৌছে দেন।

তৃতীয় ধাপে অর্থাৎ বিগত ২৩ মে ২০২০ এলএএইচপি’র মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে কুমিল্লা শহর ও তার আশেপাশের অসহায় ও হতদরিদ্রদের মাঝে তৌফিকা করিমের বিশ্বস্ত প্রতিনিধিবৃন্দ কাজ করেছেন।

চতুর্থ ধাপে অর্থাৎ ২৪ মে ২০২০ পুনঃরায় ঢাকাস্থ মিরপুরের ভাসানটেক বস্তির অসহায় বাসিন্দাদের মধ্যে মানবিক সহায়তার প্যাকেজসামগ্রী পৌঁছে দেবার লক্ষ্যে একটি টিম দায়িত্ব নিয়ে কাজ করেছে। দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপে পনেরো দিন স্বাচ্ছ্বন্দ্যে চালিয়ে নেবার মতো আরও মোট ২০০০ মোট দুই হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে যায় এলএএইচপি’র মানবিক সহায়তা সামগ্রী। কেবল লোক দেখানো ফটোসেশন নয়, সঠিকভাবে অর্থাৎ এক ব্যাক্তি যেন দু’বার না পায় কিংবা কোন প্যাকেজ যেন অপচয় না হয় সেগুলো নিশ্চিতে কঠোর তদারকি করেছেন তৌফিকা করিম; এলএএইচপি’র চেয়ারম্যান।

তৌফিকা করিম,এডভোকেট-এর ভাষ্যানুযায়ী, “সমাজে নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ এক সাথে বাস করেন। শ্রমজীবী কিংবা করোনা সংকটে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষগুলোও আমাদের সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমন থেকে বাঁচার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য বিধি তথা লক ডাউন বিধিমালা পালন করতে গিয়ে এই মানুষগুলো আজ কর্মহীন, আয় রোজগারহীন। ভীষণ কষ্টে তারা দিনানিপাত করছেন। আমাদের উচিৎ এই দুঃসময়ে সবার সাথে সহনশীল ও মানবিক আচরণ করা। সরকারের একার পক্ষে এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে সহায়তার আওতাভুক্ত করা সম্ভব নয়। তাই আমাদের সবার উচিৎ, সাধ্যানুযায়ী আশে পাশের অসহায় মানুষদের সহযোগীতায় এগিয়ে আসা। প্রত্যেক সামর্থ্যবানের উচিৎ দেশের যে কোন ক্রান্তিলগ্নে বিশেষ করে মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট বর্তমানের এই বৈশ্বিক মহা-সংকটে অসহায় ও নিরীহ মানুষের পাশে দাড়ানো। সরকারের গৃহিত পদক্ষেপসমূহ মেনে প্রত্যেকেই যদি নিজের অবস্থান থেকে সচেতন থাকার পাশাপাশি একে অন্যের প্রতি সহযোগী ও সম্মানজনক মনোভাব বজায় রেখে নভেল করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হন, তাহলে আমার বিশ্বাস অচিরেই এই মহাসংকট কাটিয়ে উঠবো আমরা। তারপর আবার সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও কর্মদক্ষতার সমন্বয়ে অপচয় হয়ে যাওয়া সময়ের ব্যবধান ঘুচিয়ে নেয়া যাবে। সম্মিলিত প্রয়াস আর ঐকান্তিক চেষ্টাই যে কোন দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার অন্যতম হাতিয়ার – এটা আমার বিশ্বাস। আমার একটু চেষ্টা আর ডেডিকেশন যদি আমাদের আশেপাশের মানুষগুলোকে কিছুটা হলেও স্বস্তি ও স্বাচ্ছন্দ্য দেয়, আমি মনে করি এটাই আমার প্রাপ্তি।”

কোভিড-১৯ তথা করোনা ভাইরাস সংক্রমিত এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে এলএএইচপি’র মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ও অন্যান্য প্রসঙ্গ সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রধান সমন্বয়ক অঞ্জন কর জানান, “এলএএইচপি’র সম্মানিত চেয়ারম্যান তৌফিকা করিম, এডভোকেট ম্যাডামের সরাসরি সার্বিক তত্বাবধানে সরকারের স্বাস্থ্য নির্দেশনা মেনে, কোন প্রকার জনসমাগম সৃষ্টি না করে অর্থাৎ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অসহায় নাগরিকের মধ্যে মানবিক সহায়তা পৌছে দেবার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। ম্যাডামের সার্বক্ষণিক তদারকিতে, চারটি ধাপে ঢাকা ও কুমিল্লা মিলিয়ে ইতোমধ্যে মোট ৪০০০ সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে এলএএইচপি’র মানবিক সহায়তা প্রকল্পের প্যাকেজসামগ্রী পৌছে দেয়া হয়েছে, যা পেয়ে গ্রহীতাগণ অনেকটাই খুশি। মানবিক সহায়তার প্রতিটি প্যাকেজ এমন ভাবে খাদ্যসামগ্রী দিয়ে সাজানো হয়েছে যার মাধ্যমে একটি পরিবার পনেরো দিন স্বাচ্ছ্বন্দ্যে খেতে পারবেন। এই দু:সময়ে আমাদের প্রিয় ম্যাডাম আমাদের স্বাস্থ্যসুরক্ষার ক্ষেত্রেও যথেষ্ট সচেতন ছিলেন। ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে, অফিসের কার্যক্রম স্থগিত করে আমাদেরকে বাসায় অবস্থান করতে বলেন এবং সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বলেন। কিন্তু যথাসময়েই অর্থাৎ মাসের শুরুতেই কোন প্রকার কাট-ছাট ছাড়াই আমরা পেয়ে গেছি আমাদের নির্ধারিত সেলারী। যদিও এলএএইচপি একটি আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা তবুও দেশের এই ক্রান্তিকালে ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন ও আইইডিসিআরের স্বাস্থ্য নির্দেশনা অনুযায়ী, এলএএইচপি’র অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনার মাধ্যমে জনসাধারণকে সচেতন করারও নির্দেশ প্রদান করেন চেয়ারম্যান ম্যডাম। সেই আলোকেই আমরা কাজ করেছি। তাছাড়াও তিনি সব সময় আমাদের এবং পরিবারের সকলের খোঁজ-খবর রেখেছেন, ভালো মন্দ গাইড লাইন দিয়েছেন। এমন একজন মানবিক বসের অধীনে কাজ করার সৌভাগ্য- আমাদের জন্য বড় প্রাপ্তি। আমরা আমাদের প্রিয় ম্যাডামসহ পরিবারের সকলের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।

উল্লেখ্য যে, লিগ্যাল এসিসটেন্স টু হেল্পলেস প্রিজনার্স এন্ড পার্সনস (এলএএইচপি) এনজিও বিষয়ক ব্যুরো নিবন্ধিত একটি মানব কল্যাণ ও সেবামূলক সংস্থা, যার নিবন্ধন নং-২৫৪৪। সরকারের পাশাপাশি বিনামূল্যে আইনী সেবাকে দেশব্যাপী বিস্তৃত করার স্বীকৃতিস্বরূপ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এলএএইচপি’কে ‘সেরা দেশীয় বেসরকারী সংস্থা-২০১৯’ মনোনয়ন প্রদান করে। ২৮ এপ্রিল জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান দিবস, ২০১৯ইং উপলক্ষে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে ‘সেরা দেশীয় বেসরকারী সংস্থা’র পুরষ্কার গ্রহণ করেন এলএএইচপির চেয়ারম্যান এডভোকেট তৌফিকা করিম, যিনি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের অন্যতম কার্যকরী সদস্য। এলএএইচপির চেয়ারম্যান তৌফিকা করিম,এডভোকেট-এর তুখোড় নেতৃত্বে এলএএইচপি এপর্যন্ত বিচারের দীর্ঘসূত্রিতার কারণে কিংবা বিনা বিচারে আটক সহস্রাধিক সত্যিকারের অসহায় কারাবন্দিকে কারামুক্ত করেছে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৪১২ বার

Share Button

Calendar

August 2020
S M T W T F S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031