এমন বৃহত্তম ত্রাণ কার্যক্রম কেউ কখনো ভাবেনি : তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৮:৪৪ অপরাহ্ণ, মে ২৮, ২০২০

এমন বৃহত্তম ত্রাণ কার্যক্রম  কেউ কখনো ভাবেনি : তথ্যমন্ত্রী

‘এমন বৃহত্তম ত্রাণ কার্যক্রম ও মোবাইলে টাকা পৌঁছানো কেউ কখনো ভাবেনি’ বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ড. হাছান মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা পরিষদ হলে করোনায় কর্মহীন খেলোয়াড়দের মাঝে সরকারি উপহারসামগ্রী বিতরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা দেশের ইতিহাসে বৃহত্তম ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। মানুষ সরকারের কাছে চায়নি, কোথাও যেতে হয়নি, একটাকা খরচ অথবা কোন দেন-দরবার ছাড়া মানুষের মোবাইল ফোনে আড়াই হাজার করে টাকা চলে এসেছে। এটি কখনো কেউ ভাবেনি।’

‘দেশের প্রায় সাতকোটি মানুষ নানাভাবে সরকারি সহায়তার আওতায় এসেছে, এমন ঘটনাও কখনো ঘটেনি’ উল্লেখ করে তিনি জানান, দেশের সমস্ত কওমি মাদ্রাসায় ঈদের আগে দু’দফায় টাকা দেয়া হয়েছে, বিভিন্ন মসজিদে টাকা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নেতৃবৃন্দ, সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিদের পরিচালনায় সারাদেশে প্রায় এককোটি বিশ লাখ মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হয়েছে। আশেপাশের কোনো দেশে এইভাবে ত্রাণ তৎপরতা হয়েছে কি না, আমার জানা নেই।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান বলেন, ‘খেটেখাওয়া মানুষের বাংলাদেশে করোনার কারণে আজ দু’মাসের বেশি প্রায় সমস্ত কর্মকান্ড বন্ধ। অনেকের অনেক শঙ্কা-আশঙ্কা মিথ্যে প্রমাণ করে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বৃহত্তম ও সুপরিকল্পিত ত্রাণ কার্যক্রমের কারণে দেশের একজন মানুষও অনাহারে মৃত্যুবরণ করেনি।’

সেইসাথে তিনি বলেন, ‘অর্থনৈতিক কর্মকান্ড মাসের পর মাস বন্ধ রেখে কোন দেশ টিকে থাকতে পারেনা এবং সেকারণেই উন্নত দেশগুলোতে কর্মকান্ড শুরু হয়েছে, মানুষ কাজে ফিরেছে। আমাদেরও ধীরে ধীরে তা করতে হবে, তবে মনে রাখতে হবে, আমরা যেন জনসমাগম না করি, শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখি কারণ, আমার সুরক্ষা আমার হাতে।’

করোনায় ছুটির শুরু থেকে ঈদ পর্যন্ত তথ্যমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকা রাঙ্গুনিয়া উপজেলা ও বোয়ালখালীর আংশিক অঞ্চলে তার পারিবারিক প্রতিষ্ঠান এনএনকে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সকল খেটেখাওয়া মানুষকে ত্রাণ ও ঈদের আগে সব ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত ও ভিক্ষুকে উপহারসামগ্রী দেয়ার কথা সংক্ষেপে তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি- বেসরকারি মিলে এলাকার প্রায় ৬০ হাজার মানুষের পরিবারে ত্রাণ পৌঁছেছে। করোনা পরিস্থিতির উত্তরণ অবধি দলের নেতা-কর্মীদের সক্রিয় ভূমিকায় এ তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।’

করোনাভাইরাসমুক্ত থাকতে শরীরচর্চাও অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং রাঙ্গুনিয়ার প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ ও খেলোয়াড়েরা মানুষকে সেবিষয়ে উদ্বুদ্ধ করবে, বলেন তথ্যমন্ত্রী।

রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি: শামসুল আলম তালুকদার। ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আরজু সিকদার ও সরকারি দপ্তরপ্রধানগণ সভায় অংশ নেন।

ছড়িয়ে দিন