শিরোনামঃ-


» এমসি কলেজের প্রধান ধর্ষক গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ২৭. সেপ্টেম্বর. ২০২০ | রবিবার

সিলেটের এমসি কলেজে বেড়াতে গিয়ে এক নববধূর ধর্ষণের শিকার হওয়ার মামলার প্রধান আসামি ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমান গ্রেপ্তার হয়েছে ।

রোববার ভোররাতে সুনামগঞ্জের ছাতক থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে বলে শাহপরান থানার ওসি আব্দুল কাইয়ুম জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ঘটনার পর থেকেই পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করে যাচ্ছিল। পুলিশের বিশেষ শাখার একটি দল ছাতক থেকে সাইফুরকে গ্রেপ্তার করে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

সুনামগঞ্জ ‌জেলা পু‌লি‌শের বি‌শেষ শাখার ও‌সি আ‌নোয়ার হো‌সেন মৃধা বলেন, গোপন সংবাদের ভি‌ত্তি‌তে মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হ‌য়ে‌ছে। তা‌কে সি‌লেট পু‌লি‌শের কা‌ছে হস্তান্ত‌রের প্র‌ক্রিয়া চল‌ছে।

গত শনিবার সকালে ওই গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে শাহপরান থানায় ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমানকে প্রধান আসামি করে নয় জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার বাকি আসামিরা হলেন- এমসি কলেজের ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, মাহফুজুর রহমান মাছুম, অর্জুন লস্কর ও ‘বহিরাগত’ ছাত্রলীগ কর্মী রবিউল এবং তারেক আহমদ।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে টিলাগড় এলাকার এমসি কলেজে স্বামীর সাথে বেড়াতে আসা ওই তরুণীকে ক্যাম্পাস থেকে তুলে ছাত্রাবাসে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার জ্যোতির্ময় সরকার বলেন, ওই নববধূ তার স্বামীর সঙ্গে এমসি কলেজে বেড়াতে আসেন। এক পর্যায়ে তার স্বামী সিগারেট খাওয়ার জন্য কলেজের গেইটের বাইরে বের হন।

এ সময় ৬ থেকে ৭ জন যুবক ওই তরুণীকে জোর করে এমসি কলেজ ছাত্রাবাস এলাকায় তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।

এ সময় তার স্বামী প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর করা হয় বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

খবর পেয়ে পুলিশ রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই তরুণীকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তরুণী আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন হাসাপাতালে উপ-পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায়।

গাইনি বিভাগের এক অধ্যাপকের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে। তিনি শারীরিকভাবে অনেকটা সুস্থ রয়েছেন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১৩৪ বার

Share Button