» কোনো অপরাধী দলের সদস্য হলেও আওয়ামী লীগ তাকে ছাড় দেয় না ঃবিচারপতি মানিক

প্রকাশিত: ১৩. এপ্রিল. ২০১৯ | শনিবার

বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন ,আওয়ামীলীগ সরকার গণমাধ্যমের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ।

শুক্রবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘উন্নয়ন, গণমাধ্যমের ভূমিকা ও মানবাধিকার’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি। হাই কোর্টের বিচারপতি থাকাকালে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদের ওপর ভিত্তি করে ‘বহু অপরাধের’ ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো অপরাধী দলের সদস্য হলেও আওয়ামী লীগ তাকে ছাড় দেয় না।

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, সুবর্ণচরে নির্বাচনের সময় একটি ধর্ষণের ঘটে । এটি যখনই গণমাধ্যমে প্রচার হল তখনই সেখানে কয়েকজন অ্যাডভোকেট ছুটে গেলেন। তার ফল হয়েছে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামিসহ অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

এদের একজন ছিল আওয়ামী লীগে আসা লোক। একে একে সবাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের বিচার খুব শিগগিরই শুরু হবে। এই জন্য ধনবাদ প্রাপ্য মানবাধিকারে বিশ্বাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।

মানিক বলেন, নুসরাত মারা গেলে, শুনেছি সেখানে আওয়ামী লীগের স্থানীয় পর্যায়ে একজন পৌর মেয়রও নাকি জড়িত। তাকেও রক্ষা দেওয়া হয়নি। তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সাউথ এশিয়ান ল’ইয়ার্স ফোরামের আয়োজনে সভায় সংগঠনের সভাপতি শেখ সালাউদ্দিন আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। অন্যদের মধ্যে সংগঠনের উপদেষ্টা আব্দুর নূর দুলাল, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ সাইফুজ্জামান জামান, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক, সংগঠনের আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাহ আলম ইকবাল বক্তব্য দেন।

সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি মানিক বলেন, মাহমুদুর রহমান একজন রাজাকার। তার একটি পত্রিকা এখন নেই, এখন অনলাইনে চলে গেছে। এই পত্রিকা একটি নিকৃষ্ট মানের পত্রিকা ছিল। এমন পত্রিকাও রয়েছে যেগুলো নিকৃষ্ট মানের নয়, কিন্তু তারাও সেই উন্নয়নের জোয়ারের কথা না বলে নেগেটিভগুলো দেখানোর চেষ্টা করছে।

কেন চেষ্টা করছে? কারণ তারা চায় না শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাক, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাক। তাদের প্রাণপণ ইচ্ছা হচ্ছে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে নামানো, পত্রিকাগুলোর নাম আমি উল্লেখ করতে চাই না। আপনারা নিশ্চয় জানেন কোন পত্রিকাগুলোর কথা বলছি।

কিছু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আলোকচিত্রী শহীদুল আলম মুসলিম লীগ নেতা খান এ সবুরের বংশধর উল্লেখ করে বিচারপতি মানিক বলেন, “শহীদুল আলম একজন ক্যামেরাম্যান মাত্র, কিন্তু তাকে সাংবাদিক হিসেবে দেখিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরা টেলিভিশন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা বিবৃতি নিয়ে সারা বিশ্বে প্রচার করেছে। এই ধরনের গণমাধ্যম দেশে ও বিদেশে রয়েছে।”

আল জাজিরা টেলিভিশন বাংলাদেশ ও আওয়ামী লীগ বিরোধী এবং এর নেতৃত্বে পাকিস্তানিরা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১০১ বার

Share Button

Calendar

September 2019
S M T W T F S
« Aug    
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930