শিরোনামঃ-


» চলচ্চিত্রে – তোরে কত ভালোবাসি ছবিতে নবাগত প্রিয়মুখ প্রিন্স

প্রকাশিত: ১৩. ফেব্রুয়ারি. ২০২০ | বৃহস্পতিবার

মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার: ডরাই ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর নায়িকা সুনেরাহ বিনতে কামাল বলেছিলেন,তিনি ভালো ছবি এবং ভালো চরিত্র পেলে চলচ্চিত্রে অভিনয় অব্যাহত রাখবেন। পরে তার নাম দেখা গেল নতুন একটি ছবিতে। সেটাও নির্মাণ করছেন মিডিয়া সংশ্লিষ্ঠ একজন পরিচালক। কাঠবিড়ালী ছবির নায়িকা অর্চিতা স্পর্শিয়া দেশীয় দর্শক নিয়ে ভাবিত নন। তিনি সরাসরিই বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনের দর্শক তাকে চেনে, তাতেই তিনি খুশি। তারও বিচরণ মিডিয়া সংশ্লিষ্ট নির্মাতাদের নিয়েই। এ শ্রেণীতে আরও অনেক নামই যুক্ত করা যাবে।

তবে আমাদের দেশের বর্তমান সময়ের মধ্যে যে সমস্ত নতুন আঙ্গিকে নতুনত্ব সুপার স্টার ঢালিউডের অঙ্গনে প্রবেশ করতে চাচ্ছেন বা আগ্রহী এমন নতুন প্রিয়মুখদের প্রতিভাবান দেখে তাদেরকে চলচ্চিত্র শিল্পতে নিয়ে আসা জরুরী।এছাড়াও যারা মিডিয়া সংশ্লিষ্ট নির্মাতাদের ছবিতে কাজ করে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে চান এবং চলচ্চিত্রের সুপার স্টার ঢালিউডের নায়ক হতে চান তাদের বেলায় কিন্তু সেটা কি সম্ভব? হ্যা-তবে এই নতুনদের কে আমাদের চলচিত্র নির্মাতা, চলচিত্র প্রযোজকসহ সকলেই মিলে হাত অগ্রসর করে এই নতুনদের নিয়ে আসতে হবে । তাহলে আগামীতে এমনিতেই আমাদের দেশের শিল্পীর অভাব ও সংকট কেটে যাবে।

একজন পরিচালক বলেন, খ্যাতিমান তারকাদের কাতারে আসতে হলে মূলধারার চলচ্চিত্রেই অভিনয় করতে হবে। ন ডরাই বা কাঠবিড়ালী শ্রেণীর ছবিতে কাজ করে মূলধারার নায়িকা হওয়া যায় না। মূলধারার ছবিতে কাজ করা শ্রমসাধ্য।এ শ্রেণীর ছবিতে কাজ করতে হলে যে ধরনের যোগাযোগ,সাধনা এবং যোগ্যতার প্রয়োজন হয়, তা সকলের থাকে না। সকলে সেটা পারেও না। টিভি থেকে এসে যারা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে খ্যাতিমান হতে চান, তাদের ইচ্ছাশক্তি মিডিয়া জগতের সেই চেনা গণ্ডীতেই ঘুরপাক খেতে থাকে। গ্রামের একটি ঘরে বসে থেকে কখনো ঢাকা শহর বা অচেনা স্থানের সঙ্গে পরিচিত হওয়া যায় না।যে কোনো মেয়েকেই বিয়ের পর অচেনা শশুড় বাড়িতে গিয়ে নিজেকে মানিয়ে নিতে হয়।এটা হলো সামাজিক বাস্তবতা।

অন্যদিক থেকে এসে চলচ্চিত্র পরিবারের একজন হয়ে ওঠার বিষয়টাও অনেকটা তাই। নবাগত তরুণ এই মডেল তারকা ” প্রিন্স ” তারমতে একজনকে তারকা খ্যাতি পেতে হলে মূলধারার ছবিতেই কাজ করতে হবে। স্মিতা পাতিল ‘আলবার্ট পিন্টু কা গোস্যা কেও আতা হ্যায়’ ছবিতে যেমন কাজ করেছেন,তেমনি তিনি অমিতাভের সঙ্গে নিমক হালাল ছবিতেও কাজ করেছেন এবং আজ যেরাপট আয়েতো গানের সঙ্গে বৃষ্টিস্নাত হয়েছেন। শাবানা আজমীর ক্ষেত্রেও একই কথা। তিনি ম্যায় আজাদ হু ছবিতে যেমন অভিনয় করেছেন তেমনি পরবারিস ছবিতে পকেটমারের চরিত্রেও অভিনয় করেছেন। তারা ভিন্নধারার ছবিতে যেমন কাজ করেছেন তেমনি কাজ করেছেন মূলধারার বাণিজ্যিক ছবিতে।একজন অভিনেতা ও অভিনেত্রীর সব ধরনের ছবি ও চরিত্রে অভিনয় সক্ষতা থাকতে হয়। আর তারকা হতে পারেন যদি তার সঙ্গে জনপ্রিয়তা যুক্ত হলে।সুতরাং গল্প ও চরিত্র পছন্দ হলে করব, না হয় করব না–অজুহাত নিয়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকলে আর যাই হোক তারকা হওয়া যাবে না। একটা সময় ছিল যখন ঢাকাই সিনেমায় জুটিপ্রথা বেশ রমরমা ছিল। রাজ্জাক-কবরী,শাবানা-আলমগীর, নাঈম-শাবনাজ, সালমান-শাবনূর,মৌসুমী-ওমর সানী জুটি আজও ভক্তদের হৃদয়ে গেঁথে আছেন। সাম্প্রতিক সময়ে আগের মতো জুটিপ্রথা না থাকলেও বেশ কিছু জুটি প্রশংসিত হয়েছে। এর মধ্যে শাকিব-অপু,বাপ্পি-মাহি জুটি বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করে। যদিও শাকিব খান এখন নায়িকা বদলে সিদ্ধহস্ত হয়ে উঠেছেন। অপরদিকে বাপ্পি-মাহি জুটিও ভেঙে গেছে। এই সময়ের এক ব্যতিক্রম জুটি’ নবাগত প্রিয়মুখ “তরে কতো ভালোবাসি ছবিতে “রুশা-প্রিন্স” এই নবাগত তরুণ জুটি’কে দেখতে পাবেন দর্শকরা। ★ ঢালিউড এবং টালিউডের কাজের পরিবেশ কতটা মিল- অমিল রয়েছে, সার্বিক বিষয়ে কথা হয় এই নবাগত জনপ্রিয় তরুণ প্রিয়মুখ” প্রিন্স “এর সাথে তাঁহার দৃষ্টিতে আমাদের দেশীয় কালচারাল সংস্কৃতি শিল্প চলচ্চিত্র ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির ফলস্রুতি ও বর্তমান অবস্থা নিয়ে আয়োজন রেডটাইমস বিডি প্রতিবেদনে ★ প্রিন্স বলেন–বিগত দশকের মাঝেমধ্যে ভারত নির্মাতারা যখন হাত গুটিয়ে নিয়েছিলেন সেই সময় আমাদের দেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে গিয়েছিল। এছাড়া সেই সময় ঢালিউডের ইয়াং সুপার স্টার সালমান শাহর আকস্মিক দূর্ঘটনা মৃত্যুতে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকটা শুন্য হয়ে গিয়েছিল। সালমান শাহর পরে মান্না ভাই এসে আবার পূর্ণরায় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে চাঙা করেন। যদি একটু পিছনের দিকে তাকাই তখন সেই সময় যখন ঢালিউডে দু- আড়াই কোটি বাজেটের ছবি হত। তখন টালিউডের ( তিশ- চল্লিশ ) লাখ ছবি হত। ঢাকা ইন্ডাস্ট্রিতে এত বড় যে সিনেমা হলেই তখন দর্শক দেখেন। এখন ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রি আন্তর্জাতিক ক্ষেতে ভালো জায়গায় তৈরি করছে। আমার বিশ্বাস আগামী দিনে ছবির বাজেট হবে কমপক্ষে কোটি টাকা। এখন ( তিন – সাড়ে তিন কোটি ) বাজেটের ছবি তৈরি হচ্ছে,। তবে ঢালিউড এবং টালিউডের কাজের ভালো মানসম্পন্ন পরিবেশ তৈরি করতে পারলে আমাদের দেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ভারত ও কলকাতার চেয়ে ও অনেক গুণ বেশি এগিয়ে যেতে পারবে বলে আমি মনে করি । এছাড়াও প্রিন্স- আরও বলেন দর্শকরা যে ধরনের ছবি, নাটক পছন্দ করেন এবং আমাকে যেভাবে দেখতে চান ঠিক সেই ভাবেই আমি সামনের কাজগুলোতে কাজ করে যাবো। আমার কাছে সবার আগে দর্শকের চাহিদা মোতাবেক কাজ করা -! তারপর অন্য কিছু নিয়ে ভাবা চিন্তা করা। প্রিন্স- বলেন আমি শুধু আমার জায়গায় দাড়িয়ে কাজ গুলো ঠিকমতো করে যাবো । দর্শক যার কাজ পছন্দ করবেন তাঁকেই তাঁরা গ্রহণ করবেন । তার ওপর ভিত্তি করেই তো জায়গা তৈরি হয়। যে চলচ্চিত্র ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করিনা কেন তখন সর্বপ্রথম দিনের শেষে চিন্তা ভাবনা করবো আমার কাজ কেমন হলো -! সেটাই প্রাধান্য দেবো বেশি । বর্তমানে বাংলাদেশে যে চারশ বা সাড়ে চারশ সিনেমা হল আছে তা নিয়মিত খোলা থাকে । মাঝে মধ্যে কিছু সিনেমা হল মেশিন ঘাটতির জন্য সিনেমা পায়না মালিকরা। এখন তো ডিজিটালাইজার হচ্ছে দিন দিন এবং মাল্টিপ্লেক্স ও সংখ্যা বাড়ছে আগের তুলনায় অনেক বেশি।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১৭২ বার

Share Button

Calendar

February 2020
S M T W T F S
« Jan    
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829