» চাঁদপুর-৪ আসন বিএনপির ঘাঁটি বর্তমানে আওয়ামীলীগের দখলে

প্রকাশিত: ০৮. অক্টোবর. ২০১৮ | সোমবার

 

রিফাত কান্তি সেন, চাঁদপুর থেকে :
চাঁদপুর জেলার ৫টি সংসদীয় আসনের মধ্যে বিগত সংসদ নির্বাচন গুলোর দিকে তাকালে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসন হিসেবে চিহ্নিত ২৬৩নং চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসন । ১৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এই উপজেলা তথা নির্বাচনী আসনটি জেলার সবচেয়ে জনবহুল এলাকা। প্রায় সাড়ে ৫লক্ষ লোকের বাস এ উপজেলায়। প্রবাসী অধ্যুষিত ও শিল্পপতি ও ধনাঢ্য ব্যবসায়ীদের এলাকা হওয়ার কারণে জেলার রাজনৈতিক মেরুকরণে এই উপজেলার প্রভাব থাকে সবচেয়ে বেশি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী ও বিজিত প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান ছিল সাড়ে ৭ হাজার। সর্বশেষ হালনাগাদ ভোটার তালিকা অনুসারে এই আসনের ভোটার সংখ্যা ৩ লক্ষ ১৪ হাজার ১০৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১লক্ষ ৬০ হাজার ৫০৪ জন ও মিহলা ভোটার ১লক্ষ ৫৩ হাজার ৫৯৯ জন। ২০০৮ সালে এই আসনে ভোটার ছিল ২লক্ষ ২৩ হাজার ৮১১জন। অর্থাৎ গত ৯ বছরে ভোটার বেড়েছে প্রায় ১ লক্ষ। নতুন এই ভোটারাই আগামী নির্বাচনের জন্য র্টানিং পয়েন্ট হবে বড় দুটি দলের জন্য। এদিকে সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের পোষ্টার ব্যানার ও বিলবোর্ডে পুরো উপজেলা সয়লাভ।
এ আসনটি একসময় বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত থাকলেও বর্তমানে এটি আওয়ামীলীগের দখলে। বর্তমানে আওয়ামীলীগ তাদের অবস্থান ধরে রাখতে চেষ্টা চালিয়ে আসছে আর বিএনপি চাইছে আসনটি পুনরুদ্ধার করতে। অন্যদিকে ২০১৪ সালে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পার্টি এই আসনটি পাওয়ায়, সেই ধারাবাহিকতায় এবারো তারাও আটঘাট বেঁধে নামছেন। এ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের অধিকাংশই নিয়মিত চষে বেড়াচ্ছেন নির্বাচনী মাঠ।
এদিকে নির্বাচনী এলাকায় চলছে তুমুল আলোচনা কে আসছে প্রধান দুই দলের প্রতীক নিয়ে। কে কোন দল থেকে নির্বাচন করবেন, কোন দলের প্রার্থীর কেমন সমর্থন আছে, কাকে ভোট দেওয়া দরকার এ নিয়ে চলছে নানা হিসাব নিকাশ ও আলোচনা-সমলোচনা। নির্বাচনী হাওয়ায় সরগরম হয়ে উঠেছে চায়ের দোকান থেকে সরকারী-বেসরকারী অফিসের টেবিল পর্যন্ত। বসে নেই সম্ভাব্য প্রার্থীরা। বিভিন্ন সভা-সেমিনার ধর্মীয় অনুষ্ঠানে প্রতিনিয়ত যোগ দিচ্ছেন তারা। আবার কেউ কেউ গণসংযোগের পাশাপাশি বিনা মূল্যে মেডিক্যাল ক্যাম্প ও গরীব রোগীদের মধ্যে ঔষধ বিতরনসহ নানামূখী কর্মকান্ড পরিচালনার মাধ্যমে সাধারন মানুষের মন জয় করতে এ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মাঠ চষে বেড়াচ্ছে ।
৪১ বছরের বন্ধাত্ব ঘুচিয়ে বর্তমান সংসদ সদস্য ও সাবেক জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভুঁইয়া ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে জাতীয় পাটির প্রার্থীর মনোনয়ন আদালতের আদেশে বাতিল হয়ে যাওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় সংসদ সদস্য হন।এর আগে চাঁদপুর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি থাকার সুবাদে তিনি ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগসহ সকল অঙ্গসংগঠনকে সাথে নিয়ে মাঠে চষে বেড়িয়েছিলেন। এমপি হওয়ার পর সেই চষে বেড়ানোটা বেড়ে গেছে কয়েকগুন। সপ্তাহে শুক্র ও শনিবার ছাড়াও দলীয় ও বিভিন্ন কর্মসূচী থাকলে অন্যদিনও ছুটে আসেন নির্বাচনী এলাকায়। স্বাধীনতার পর ফরিদগঞ্জ আসনের নির্বাচিত এমপিদের মধ্যে তিনিই সবেচেয়ে বেশি এলাকায় সময় দেন- একথা সর্বজন বিদিত। সেই ধারাবাহিকতায় আগামী সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাবেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা নিশ্চিত। বিভিন্ন সভায় ‘গোপালগঞ্জে আওয়ামীলীগ জিতলে ফরিদগঞ্জেও জিতবে’ তাঁর এই ঘোষনা দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে চাঙ্গা ভাব এসেছে। তার সাথে রয়েছে উন্নয়ন কর্মকান্ড।
বিগত ২০০১ ও ২০০৮ সালে এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও বিশিষ্ট সাংবাদিক মুহাম্মদ শফিকুর রহমান। সর্বশেষ জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে বিজয়ী হয়ে শেখ হাসিনার আস্থা অর্জন করায় ব্যক্তিগত ভাবে একজন সৎ ও আদর্শবান হিসেবে পরিচিত এই সাংবাদিক নেতা আবারো দলীয় মনোনয়ন পাবেন বলে বিশ্বাস করেন তাঁর সমর্থকরা। গত ১৮ই আগষ্ট ফরিদগঞ্জে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে বিশাল শোডাউন করেছেন মুক্তিযোদ্ধা এই সাংবাদিক নেতা। তার অনুসারী নেতাকর্মীরা মাঠে কাজ করছেন। বিভিন্ন স্থানে ঝুলছে পোষ্টার ফেস্টুন। তার সমর্থক কামরুল ইসলাম সউদ জানান, এবারো তিনি মনোনয়ন পাবেন এই বিশ্বাস নিয়ে তারা মাঠ কাজ করছেন।
তরুণ উদীয়মান নেতা হিসেবে ব্যাপক পরিচিত লাভ করেছেন আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অ্যাড. জাহিদুল ইসলাম রোমান। সাবেক গণপরিষদ সদস্য ও চাঁদপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম পাটওয়ারীর সন্তান হিসেবেও পুরো উপজেলায় রয়েছে আলাদা জনপ্রিয়তা। তৃণমূল আ’লীগ কর্মীসভার মাধ্যমে তিনি প্রতিটি ইউনিয়নে দলের নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করছেন। তার সমর্থক জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক মনির হোসেন জানান, ছাত্রলীগকে শক্তিশালী করেছেন তিনি । এবার তিনি আওয়ামীলীগকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য দীর্ঘদিন থেকে মাঠে কাজ করছেন। ফলে সাবেক ছাত্রনেতা ও তরুণ উদীয়মান নেতা হিসেবে তিনি মনোনয়ন পাবেন এমন বিশ্বাস রয়েছে।
এছাড়া জেলা আওয়ামীলীগের জনসংখ্যা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক সম্পাদক ও জেলা বিএমএ সাবেক সভাপতি ডা. হারুন অর রশীদ সাগর উপজেলার প্রায় প্রতিটি এলাকায় চিকিৎসাক্যাম্প করে বিনামূল্যে মানুষের সেবা দিচ্ছেন । চিকিৎসক নেতা ২০০৩ সাল থেকে ফরিদগঞ্জবাসীকে চিকিৎসক সেবা দিয়ে মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন। তার সমর্থক আব্দুস সামাদ জুয়েল জানান, গত ১৪ বছর ধরে ফরিদগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ১৫০টি মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপনসহ নানা আয়োজনের মাধ্যমে প্রায় দুই লক্ষ লোককে চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন। তাছাড়া রাজনৈতিক কর্মকান্ডেও সরাসরি অংশগ্রহণতো রয়েছেই।
এছাড়া কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী অ্যাড. নুর হোসেন বলাই, বিএমএর কেন্দ্রীয় নেতা ডা: এ কে এম মোস্তফা হোসেনসহ অনেকেই দলীয় মনোনয়ন চাইবেন বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে ১৯৯১ সালে যুবদল নেতা হিসেবে মনোনয়ন পাওয়া মরহুম আলমগীর হায়দার খান টানা ৪ বার এমপি নির্বাচিত হয়ে ফরিদগঞ্জ আসনটিকে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। যার ফল হিসেবে ২০০৮ সালের নির্বাচনে মাত্র তিন দিন পুর্বে নির্বাচনী মাঠে নেমে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়ে আলোড়নের সৃষ্টি করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক ব্যাংকিং ও রাজস্ব বিষয়ক সম্পাদক ও বর্তমান উপজেলা বিএনপির সভাপতি লায়ন মো: হারুনুর রশিদ। বিএনপির দুর্দিনের এমপি হিসেবে নির্বাচনী বৈঠা পার হয়ে তিনি দলের নেতাকর্মীদের কাছে আস্থার প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। ২০১৩ ও ২০১৪ সালের নির্বাচন পুর্ব ও পরবর্তী সংহিসতার ঘটনায় মামলায় জর্জরিত নেতাকর্মীদের পাশে দাড়িয়ে তিনি সেই আস্থা অর্জন করেছেন। তার সমর্থকদের ধারণা আসন পুনরুদ্ধারে লায়ন হারুনের বিকল্প নেই।
অন্যদিকে ফরিদগঞ্জের বিএনপির জন্য যে পরিবারের অবদান অনস্বীকার্য সেই পরিবারের সদস্য বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোতাহের হোসেন পাটওয়ারী এবারো মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। ২০০৮ সালে তিনি প্রথম মনোনয়ন পেয়েছিলেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তিনি পরবর্তীতে বঞ্চিত হন। বর্তমানে উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপির এক অংশ এবং ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ পদবীধারীরা মোতাহের হোসেন পাটওয়ারীর পক্ষে বিভিন্ন দিবস সভা ও মোটর শোভযাত্রায় অংশ নিতে দেখা যায়। তার সমর্থকদের পাশে তিনি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে নিজের অবস্থান দৃঢ় করার চেষ্টা করছেন। দলের বাইরের লোক নয় দলের শুভাকাঙ্খি ও দলের মধ্য থেকে মনোনয়ন দেয়া হবে এই বিশ্বাস রেখেই মাঠে রয়েছেন মোতাহার হোসেন পাটওয়ারী।
এছাড়া জাতীয়তাবাদী আইনজীবি সমিতির সহসভাপতি ঢাকা ট্যাক্সবারের দুই বারের সাবেক সভাপতি এবং বৃহত্তর কুমিল্লা আইনজীবি কল্যাণ সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্বাস উদ্দিন মনোনয়ন চাইবেন। সৎ, আদর্শবান এবং নিষ্ঠাবান এই নেতা গত একদশক ধরে এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এবং দলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতা করছেন। সপ্তাহান্তে এলাকায় এসে নিভৃতে কাজ করে চলছেন। তার সমর্থকদের বিশ্বাস দলের ঐক্যের স্বার্থে নিরাপদ প্রার্থী হিসেবে তিনি মনোনয়ন পাবেন।
এছাড়া দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে আরো রয়েছেন জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি হুমায়ুন কবির বেপারী। হুমায়ুন কবির বেপারী জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের কমিটির মাধ্যমে তার কার্যক্রম চালাচ্ছেন ফরিদগঞ্জে। এছাড়া তিনি ঢাকায় তিনি ঢাকায় বিভিন্ন সভায় সরব উপস্থিতি রয়েছে।
দল থেকে বহিস্কৃত হলেও তিনি বিএনপি ছাড়েন নি আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী এম এ হান্নান। বিএনপির এই নেতা বিশিষ্ট শিল্পপতি ও মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ভাইস-চেয়ারম্যান এম এ হান্নান একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন তার প্রায় নিশ্চিত। তার দাবী, ২০০৮ সালে তাঁর মনোনয়ন ছিনতাই হয়েছে। এবার তাই আর কোন ছাড় নয়। এই লক্ষ্যে তিনি এখন থেকেই মাঠে রয়েছেন। বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেলেও স্বতন্ত্র নির্বাচন করবেন বলে ঘোষনা দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই তিনি উপজেলার ১০৮টি কেন্দ্র কমিটি গঠন করে তাদের সাথে সভা করার মাধ্যমে নির্বাচনী কাজ শুরু করে দিয়েছেন। তার অন্যতম সহযোগি সাবেক পৌর মেয়র মঞ্জিল জানান, বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মাত্র দুই ঘন্টায় ৩০ হাজার ভোট পেয়ে তিনি দেখিয়েছেন দল নয় উন্নয়ন ও ব্যক্তি ইমেজই বড় কথা। সম্প্রতি তিনি খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে পুরো উপজেলায় পোষ্টার ছেড়েছেন।
জাতীয় পার্টি ফরিদগঞ্জ উপজেলা শাখার ব্যাপক কর্মকান্ড না থাকলেও ২০১৪ সালে এ আসনটি মহাজেটের শরীক হিসেবে জাতীয় পার্টিকে দেয়া হয় । সেই ধারাবাহিকতায় এবারও জাতীয়পাটির সাথে জোটের প্রশ্নে এ আসনটি দলের প্রার্থীর দাবী করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এব্যাপারে দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মিলন জানান, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাকে যদি মনোনয়ন দেওয়া হয় তাহলে নির্বাচন করবো । তিনি জানান, ‘১৯৯০ পরবর্তী সময়ে এরশাদ মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম ছাত্রনেতা ছিলাম আমি। জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ সভাপতি ছিলাম, জাতীয় যুব সংহতি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ সভাপতি ছিলাম, জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য, গবেষণা ও আইসিটি সম্পাদক এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি। ফলে মনোনয়ন দাবী আমি করতেই পারি’।
এদিকে ২০১৪ সালে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন পাওয়া মাঈনুল ইসলাম মানু জানান, বিগত নির্বাচনে ভুলের কারণে আসনটি আমার হাতছাড়া হয়ে গেছে। ফলে এবার আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছি। উপজেলা পর্যায়ের দলের দুর্বল অবস্থানকে সবল করতে কাজ শুরু করেছি। উপজেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিবের দায়িত্ব নিয়ে দল গোছানোর তাজ শুরু করেছি।
এদিকে কেন্দ্রীয় যুব সংহতির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর যুব সংগতির সাবেক সহ-সভাপতি হারুন অর রশিদও রয়েছেন মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায়।
এদিকে বাংলাদেমেল সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ এর প্রধান কমরেড খালেকুজ্জামান সর্বশেষ ১৯৯১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণের পর আর নির্বাচনী অংশ নেন নি। সম্প্রতি বামদল গুলো জোট বদ্ধ নির্বাচন করতে পারে এমন আভাসে এবং ফরিদগঞ্জ আসনে বাসদ প্রধান খালেকুজ্জামান ভূঁইয়া মনোনয়ন পেতে পারেন এমন খবর এলাকায় চাউর রয়েছেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় নেতা আল্লামা মুকবুল হোসাইন এ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশি। এদিকে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ(মার্কসবাদী) জেলা নেতা কমরেড আলমগীর হোসেন দুলাল ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ উপজেলা নেতা হারুনুর রশিদ মনোনয়ন চাইছেন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ২৩০২ বার

Share Button

Calendar

December 2018
S M T W T F S
« Nov    
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031