» চাল-পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক বাণিজ্যমন্ত্রীর দাবি

প্রকাশিত: ১৫. জানুয়ারি. ২০১৮ | সোমবার

সরকারি দলের সংসদ সদস্য (এমপি) সুবিদ আলী ভূইয়ার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের উদ্যোগ ও দেশে নতুন পিঁয়াজের উৎপাদন শুরু হওয়ায় স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের মূল্য কমে স্বাভাবিক পর্যায়ে পৌঁছেছে।’ বাজারে চাল ও পেঁয়াজের দাম ‘স্বাভাবিক’ পর্যায়ে নেমে এসেছে বলে দাবি করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। আজ সোমবার সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে এ দাবি করেন তিনি ।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, উত্তরাঞ্চল ও হাওরাঞ্চলে বন্যায় ফসলহানি হওয়ায় চালের দাম বেড়েছিল। তবে মৌসুম এলেও দাম কমেনি এটা ঠিক নয়। চালের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৯ টাকা।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকার ওপর থেকে এখন ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় নেমে এসেছে। চাল ও পেঁয়াজের দাম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক পর্যায়ে নেমে এসেছে।

টিসিবির সোমবারের তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাসে চালের দরে কোনো পরিবর্তন হয়নি। এক বছরে চালের দাম বেড়েছে ২৫ শতাংশের মতো। সরকারি সংস্থা টিসিবির তথ্য অনুযায়ী পেঁয়াজের সোমবারের দাম এক সপ্তাহ আগের চেয়ে ৩১ শতাংশ কমেছে। তবে তা গত বছরের চেয়ে ১৮০ শতাংশ বেশি। পেঁয়াজের দাম এখন প্রতি কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় নেমে এসেছে বলে দাবি করেন তোফায়েল। তবে টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, সোমবার ঢাকার বিভিন্ন বাজারে পেঁয়াজ ৬৫ থেকে ৭৫ কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দুই মাস আগে হঠাৎ করেই পেঁয়াজের দাম বেড়ে প্রতি কেজি ১০০ টাকা ছাড়ায়।

এর আগে পেঁয়াজের বাজার সহনীয় করার উপর জোর দিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘পেঁয়াজ অনেক বেশি তেজস্ক্রিয়। চার-পাঁচ বছর আগে পেঁয়াজের কারণে দিল্লিতে সরকার পরিবর্তন হয়েছে।’

গত বছরের এপ্রিলে হাওরে বন্যায় ফসলের ক্ষতির পর থেকে বাড়তে শুরু করে চালের দাম। সে সময় সরকারের গুদামগুলোতে চালের মজুদ দুই লাখ টনেরও নিচে নেমে আসে। সে সুযোগে ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে চালের দাম বাড়িয়ে দেয় বলে মন্ত্রীরা বলে আসছিলেন। এরপর সরকার ব্যাপক আমদানি করলেও চালের দাম সামান্যই কমেছে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৪৮৪ বার

Share Button