» জনতার আকুতি: সঞ্জিত কুমার দেব

প্রকাশিত: ২৬. আগস্ট. ২০২০ | বুধবার


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি যেন বাংলার ধরিত্রী,
সুন্দর নীতি আপনাকে বানিয়েছে জননেত্রী।

জাতির কাছে পেয়েছেন স্বীকৃতি।

গ্রামের জনতা এখন বলতে শুরু করেছে একজন নারী হয়ে দেশের জন্য দিচ্ছে জান-প্রান,
সর্বক্ষেত্রে আপনি রেছে চলেছেন সেরা সব অবদান।

চোরের দল কলা-কৌশলে ঢুকেছে দলে,
প্রধানমন্ত্রীর যত সাফ্যলের অবদান সব করতে চাচ্ছে খান খান।

প্রধানমন্ত্রীর নামে সৃষ্টি করতে চায় তারা দুর্নাম।
নেত্রীর নিকট জানাচ্ছি আহ্বান,
শহর-বন্দর সহ ৬৮ হাজার গ্রাম থেকে ২জন করে নিঃস্বার্থ ও নির্লোভ মানুষকে বাছাই করে করিবেন মতবিনিময় অনুষ্ঠান,
প্রতি জেলায় নির্দলীয় ৫জন মানুষকে নিয়ে করবেন কমিটি দান।

অপচয় খাত গুলোকে সঞ্চয় খাতে নেওয়ার জন্য রাখবেন অবদান,
সঞ্চয় এর চেয়ে অপচয় হচ্ছে বেশি, সঞ্চয় করিলে পদ্মা ব্রীজ হতো আরও দুটি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই মহা ক্রান্তিকালে দিচ্ছেন আপনি সুন্দর নির্দেশনা,
ছিল আপনার সুন্দর মনের বাসনা।

আমাদের নাই কোনো ভালো ধারনা, তাই করি অবমাননা,
সর্বকাজে নেতা-নেত্রীর সৃষ্টি হয় বিড়ম্বনা।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আবারও আপনার নিকট প্রার্থনা, নিম্ন-মধ্যবিত্ত মানুষ এ ক্রান্তিকালের দুঃখের যাতনা দেখে হয়না যে সহ্য,
তারা যে ধৈর্য ধরে কাটাচ্ছে দিন-রাত,
বাচ্চাকে লেখাপড়া শেখাতে গ্রাম ছেড়ে শহরে বাস।

একদিকে বাসা ভাড়া,বাচ্চাদের বেতন ভাতা
সংকোলান করতে পারেনা,
না পারে কারো কাছে যাইতে,না পারে কারো কাছে চাইতে।

ঘরে চাল-ডাল থাকলেও খরচ করার টাকা নাই,
বাঁচার মতো নাই কোনো ব্যবস্থা।

তাই তো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো হচ্ছে ব্যতিব্যস্থ।
আপনি দিয়েছেন লাখ কোটি টাকার প্রনোদনা,
আপনার পরিবারের মতো দেখিয়েছেন রীতি-নীতি,
মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরে না যেন বিড়ম্বনায়, তাই দিয়েছেন প্রনোদনা।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিম্ন-মধ্যবিত্তরা হয়ে যাচ্ছে দেউলিয়াপনা,
আমি নিজেও দেউলিয়াপনায়,কখন যে যেতে হবে জেলখানায়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাই করি প্রার্থনা,
ব্যাংকের মাধ্যমে ২ টাকা সুদে ঋণ দেওয়ার জন্য করিবেন ব্যবস্থাপনা।

আপনার কাছে আরও করছি প্রার্থনা,
শ্রমজীবী মানুষের সংঘটনের চাঁদা নেওয়ার যাতনা, শ্রমিকদের আর যে তা সহ্য হয় না।

সাধারন শ্রমিক আপনার নিকট করিতেছে প্রার্থনা,
১০-১৫ বৎসরের কল্যাণ চাঁদার হিসাব নিকাশ জানেনা।

তাই আপনার কাছে প্রার্থনা উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন টিম গঠন করে বিগত ১০-১৫বৎসরের হিসাব রাষ্ট্রের মাধ্যমে আনা,
যদি আসে সঠিক হিসাব তাহলে শ্রমিকদের আর দিতে হবে না রাষ্ট্রের প্রনোদনা।

টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া,তামাবিল থেকে তালপট্টি, তৃণমূল থেকে কেন্দ্র,গণভবন থেকে সংসদ ভবন, সব জায়গায়ই আপনার সু-শাসনের রাখতে চাচ্ছেন অবদান।

রাখছি আহ্বান, আমি অধমকে যদি সামান্য সময় করেন দান,
দেশ ও জাতি নিয়ে আমার মনের আকুতি জানাতাম।


আপনি আমাদের রাষ্ট্রের প্রধান,
দেশে যেভাবে আপনি দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স এনে সৃষ্টি করতে চাচ্ছেন সুশাসন,
যদি সৃষ্টি করতে পারেন সুশাসন,
বিশ্ব শাসনেও থাকবে আপনার একটি আসন।


লেখক: সঞ্জিত কুমার দেব (পরিবহন শ্রমিক নেতা, মৌলভীবাজার )

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৩০৬ বার

Share Button

Calendar

October 2020
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031