» জাপা কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মুন্নী

প্রকাশিত: ৩০. জানুয়ারি. ২০২০ | বৃহস্পতিবার

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মাহমুদা রহমান মুন্নী । বরিশাল বাকেরগঞ্জের মেয়ে মুন্নী ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ।
মাহমুদা রহমান মুন্নী জন্মেছেন ১৯৭৩ সালের ২১ জুলাই পটুয়াখালী জেলায় মির্জাগঞ্জ থানা সুবিতখালি বাজা্রে নানার বাড়িতে। তার পৈত্রিক নিবাস বরিশালে বাকেরগঞ্জ থানায় । বাবা মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী (খসরু) ছিলেন একজন স্বনামধন্য আওয়ামীলীগ নেতা । ছাত্র জীবনে তিনি ঐতিহ্যবাহী ঢাকা কলেজে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন । পর্যায়ক্রমে কলেজ ছাত্র সংসদের এ.জি.এস, জিএস ও ভিপি ছিলেন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন ।
তার নানা মরহুম এনায়েত আলী খাঁন পটুয়াখালী জেলায় মির্জানঞ্জ থানার সুবিদখালী ইউনিয়নের পর পর ০৫ (পাঁচ) বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন । তিনি খুবই জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি ও পরোপকারী লোক ছিলেন ও দানশীল ব্যক্তি।
তার মামা মরহুম হাসেম আলী খান, সাবেক চেয়ারম্যান, সুবিতখালী ইউনিয়ন, থানা: মির্জাগঞ্জ জেলা, পটুয়াখালী। সমাজসেবক, দানশীল ব্যক্তি সমাজ সেবায় ও শিক্ষা প্রসারের বিশাল অবদান রেখেছেন।
তার ভাই মাসুদ রানা সাবেক ছাত্রলীগ নেতা বাকেরগঞ্জ কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক এ.জি.এস. ও ভি.পি. বাকেরগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক বর্তমান বাকেরগঞ্জ থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।

তার মামাতো ভাই মির্জাগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের নেতা, মির্জাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। বরিশাল বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ উপ-জেলা চেয়ারম্যান।
শিক্ষা জীবন
মুন্নীর শিক্ষা জীবন শুরু হয় মিশনারী স্কুলে । তিনি ১৯৮৯ সালে ম্যাট্রিক পাশ করেন ।পরবর্তী কালে রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে স্নাতক হন ।

তিনি ১৯৮৬ সালে প্রকৌশলী সাইদুর রহমানের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন । তার তিন সন্তান । দুই ছেলে মাহমুদুর রহমান মুন ও মুকিত রহমান মনি । দুজনেই বিবাহিত । এক মাত্র মেয়ে সাইফা রাহমান ইকরা স্কুলে পড়ে। সন্তানদের সুশিক্ষার কারণে রত্নগর্ভা জননী হিসেবে তার খ্যাতি আছে।

ছত্রজীবনে খিলগাঁও মডেল কলেজে অধ্যায়নকালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগে যোগ দেন। ছাত্রলীগ কলেজ শাখায় সহ-সম্পাদক ছিলেন।এ ভাবেই যুক্ত হন আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গে । সেখানে পারিবারিক প্রভাব তো ছিলই । কিন্তু নেতৃত্বে কোন্দলের কারণে ১৯৯২ সালে তিনি প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দল (পিএনপি)-তে যোগ দেন । পিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির মহিলা সম্পাদক নির্বাচিত হন । সে সময়ের গণ আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করেন। ১৯৯৫ সালে সরকার বিরোধী আন্দোলনে মিছিল কারার সময় পুলিশের গুলিতে আহত হন। রাজপথে সকল আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণের কারণে বার বার পুলিশের বর্বর নির্যাতনের শিকার হন এবং পর পর ৪ বার কারারুদ্ধ হন । পরবর্তী কালে পল্লীবন্ধু হোসেইন মুহাম্মদ এরশাদের রাজনৈতিক আদর্শে অনুপ্রাণিত ও উদ্বুদ্ধ হয়ে পিএনপি ত্যাগ করে ২০০১ সালে জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেন। রাজপথে সামনের কাতারে থাকার কারণে এক পর্যায়ে পুুলিশী নির্যাতনে তার গর্ভপাত পর্যন্ত হয়ে যায়। তবু তিনি পিছ পা হন নি । এ অবস্থায় তিনি জাতীয় মহিলা পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত করেন। তিনি মহিলা পার্টির কেন্দ্রীয় সহ-সভানেত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন । এছাড়া মূল দল জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও আগে দায়িত্ব ালন করে এসেছেন ।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৫৩৪ বার

Share Button

Calendar

October 2020
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031