জাফর ইকবালের ওপর হামলাকারী একজন মাদ্রাসাছাত্র

প্রকাশিত: ১:৩২ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ৪, ২০১৮

জাফর ইকবালের ওপর হামলাকারী একজন মাদ্রাসাছাত্র

অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলাকারী একজন মাদ্রাসাছাত্র  । ত্র প্রতিবেসী সুত্রে এটা জানা গেছে ।

ওই তরুণ ফয়জুর রহমান ওরফে ফয়জুল নামে পরিচিত ছিল ।  পরিবারের সঙ্গে সে  সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন কুমারগাঁওয়ের শেখপাড়ায় থাকতো  বলে পুলিশ জানিয়েছে। তবে সে মাদ্রাসা ছাত্র কি না তা নিশ্চিত করতে পারেননি পুলিশ কর্মকর্তারা।

ওই এলাকার বেশ কয়েকজন বাসিন্দা বলেছেন, ফয়জুলদের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার জগদল কালিদারকাপন এলাকায়। তার বাবা মাওলানা আতিকুর রহমান সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের পার্শ্ববর্তী টুকেরবাজারে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন।

ফয়জুল নিজেকে মাদ্রাসা ছাত্র বলে পরিচয় দিত। তবে কোন মাদ্রাসায় পড়ে তা এলাকার কেউ জানাতে পারেনি।

শনিবার বিকালে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠান চলাকালে অধ্যাপক জাফর ইকবালের ওপর হামলার পর এই তরুণকে ধরে ফেলে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও পুলিশ সদস্যরা। বেদম মারধরের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন পুলিশ-র‌্যাব কর্মকর্তারা।

ঘটনার আগে অনুষ্ঠান মঞ্চে অধ্যাপক জাফর ইকবালের পেছনে দাঁড়ানো হামলাকারী তরুণের এই ছবি ঘুরছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার গোলাম কিবরিয়া বলেন, ফয়জুল ক্যাম্পাস সংলগ্ন শেখপাড়ায় পরিবারের সঙ্গে থাকে।

“সে একটি কম্পিউটারের দোকানে কাজ করে জানা গেছে। এ বিষয়ে আরও খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে।”

র‌্যাবের শীর্ষ পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, শনিবার রাত ৯টার দিকে পুলিশ ও র্যাবের একটি দল শেখপাড়ায় ফয়জুলদের বাসায় যায়। তবে বাসা তালাবন্ধ থাকায় কাউকে পাওয়া যায়নি।

পুলিশ বলছে, হামলাকারী এই তরুণের নাম ফয়জুল, থাকেন বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন শেখপাড়ায় পরিবারের সঙ্গে

পুলিশ বলছে, হামলাকারী এই তরুণের নাম ফয়জুল, থাকেন বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন শেখপাড়ায় পরিবারের সঙ্গে
জনপ্রিয় লেখক জাফর ইকবাল সব সময় জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে কথা বলে আসছেন। ২০১৫-১৬ সালে লেখক, অধ্যাপক, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের উপর জঙ্গি হামলার সময় জাফর ইকবালও হুমকি পাচ্ছিলেন। তখন তার পাহারায় পুলিশ মোতায়েন করে সরকার, সেই পুলিশের উপস্থিতিতেই শনিবার হামলার শিকার হন তিনি।

 

ছড়িয়ে দিন