» জাফলং এর রাণী

প্রকাশিত: ১৪. জুলাই. ২০১৯ | রবিবার


সৌমিত্র দেব
মামা যেভাবে গল্প বলেছে তার সঙ্গে বাস্তবে কোনো মিল খুঁজে পাচ্ছে না উচ্ছাস। সময়ের সঙ্গে একটা এলাকা কি এত বদলে যায় ! সে বলেছিল ঢাকা থেকে সিলেট যেতে সময় লাগবে কমপক্ষে সাত ঘন্টা। সে জায়গায় তারা দিব্যি পৌঁছে গেল চার ঘন্টার মধ্যে সিলেট শহরে। বলেছিল সিলেট থেকে জাফলঙের রাস্তা নাকি বেশ খারাপ। আর এখন শুনতে পাচ্ছে ওরকম ভালো রাস্তা নাকি আর হয় না। মামা বলল, বিশ বছরে সব কিছু বদলে গেছেরে। আমি আমার কলেজ লাইফে কয়েকজন বন্ধু মিলে ঢাকা থেকে জায়লঙে পিকনিক করতে গিয়েছিলাম। তখন যা দেখেছি তার সঙ্গে এখন আমি নিজেই কোনো মিল খুঁজে পাচ্ছি না। সেবারে আমরা আন্তঃনগর রেলে চেপে এসেছিলাম। বাস জার্নি ছিল বিরক্তিকর ও কষ্টদায়ক। কিন্তু এখন দেখছি সবাই বাসে করেই ঢাকা-সিলেট যাতায়াত করে। আমরাও সেভাবেই এলাম। আমার আগের ধারণা মতো ভেবেছিলাম সিলেট শহরে এক রাত কাটিয়ে সকালে জাফলং যাব। কিন্তু রাস্তা যখন ভালো, রাতেই তো চলে যেতে পারি।
উচ্ছাসের মামা কাজ করেন একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায়। সংক্ষেপে এ ধরনের সংস্থাকে এনজিও বলে। এছাড়া ওর মামা আদিবাসী ও পরিবেশ নিয়ে গবেষণা করে। তার কাছে খবর এসেছে জাফলঙের পরিবেশ এখন বিপন্ন। ভিটেমাটি ছেড়ে চলে যাচ্ছে সেখানকার আদিবাসী খাসিয়া জনগোষ্ঠী। মামা এসবের ওপর কাজ করার জন্যই এবার জাফলং যাচ্ছেন। মাত্র দুদিনের জন্য। প্রয়োজন হলে পরে আবার আসবেন। উচ্ছাসের স্কুল এখন ছুটি। সে কারণে ওকেও সঙ্গে করে নিয়ে এসেছেন। বাংলাদেশে সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত প্রাকৃতিক এলাকার মধ্যে জাফলং একটি। মামা-ভাগনে সেখানে যাবার জন্য সিলেটের কদমতলি বাস টার্মিনালে এসে নামল। এরই মধ্যে মামা মোবাইল ফোনে কার সঙ্গে যেন ইংরেজীতে কিছু কথাবার্তা বলে নিল। মামা বলল রাস্তার দিকে নজর রাখ। সাদা রঙের একটা প্রাইভেটকার আসবে। মিনিট দশেক পরে সত্যি সত্যি সে রকম একটা গাড়ি এল। গাড়ি থেকে নামল আদিবাসী চেহারার এক যুবক। এর সঙ্গে কী সব আলাপ করল মামা! তারপর দুজনেই চড়ে বসল গাড়িতে। উচ্ছাস বুঝতে পারল না, কোথায় যাচ্ছ। সিলেট শহরের কোনো হোটেলে না কি জাফলঙে। ব্যাপারটা পরিষ্কার করে মামাই বলল, তারা জাফলঙে যাচ্ছে। ড্রাইভার বাঙালি। তবে সিলেটি কথ্যভাষায় কথা বলে। সে কারণে ওর কথা ভালো ভাবে বুঝতে পারে না উচ্ছাস। আদিবাসী যুবকটিও চুপচাপ। ওর চেহারায় কেমন একটা রুক্ষভাব আছে। ফিসফিস করে সে মামাকে জিজ্ঞেস করল-ওই আদিাসী লোকটা কি খাসিয়া। মামা বলল-নারে। ওই লোক খাসিয়াদের সঙ্গে থাকলেও আসলো গারো। গারোরা নিজেদের মান্দি বলেই পরিচয় দেয়। জাফলঙের পাশেই ভারতের সীমান্ত। সীমান্তের ওপারে মেঘালয় রাজ্য। সেখানে প্রধান দুটি জনগোষ্ঠী হচ্ছে এই খাসিয়া ও গারো। তিনটি পাহাড় নিয়ে মেঘালয়। খাসিয়া, জয়ন্তিয়া ও গারো। খাসিয়া পাহাড়ের পাশে সিলেট। সে কারণে এখানে খাসিয়া বেশী। অন্যদিকে গারো পাহাড়ের পাশে ময়নসিংহ। সে কারণে ওখানে গারো আদিবাসীদের বসতি। জাফলং যাওয়ার পথেই ঝুম বৃষ্টি নামল। অন্ধকারে চারপাশটা ভালো করে দেখা যাচ্ছিল না। গবেষক মামার আদিবাসী বিষয়ক জ্ঞানের কথা চলল গন্তব্যে পৌঁছা পর্যন্ত। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে গাড়ি গিয়ে থামল একটা বড়ো রেস্টুরেন্টের সামনে। গারো লোকটা জানাল এটা জাফলঙের বল্লাঘাট। মামা বলল বিশ বছর আগে এখানে এরকম রেস্টুরেন্টের কথা কল্পনাও করতে পারিনি। রেষ্টুরেন্টে বসে চা পান করতে গিয়ে তারা অপেক্ষা করল বৃষ্টির তোড় একটু কমে আসে কিনা। কিন্তু সেরকম কোনো সম্ভাবনা দেখা গেল না। বরং বৃষ্টি আরো বেড়েই চলল। মামার সঙ্গে একটা ছোটো আকারের ছাতা ছিল। ওটা নিয়েই ওরা দুজন ছুটে গেল গারো লোকটার পিছু পিছু। তারা গেল বল্লাঘাটে পিয়াইন নদীর পাড়ে। উচ্ছাস এই নদীর কথা আগেই মামার কাছে শুনেছে। পাহাড়িয়া এই নদীল টলটলে জলে মাছের চলাচল দেখা যায়। এর নিচে পাথর আর পাথর। এই বৃষ্টি ভেজা রাতেও নদীল পাথর আর বালু বোঝাই ট্রাক আছে ঘাটে। লম্বু মামা দ্রুত হাঁটতে গিয়ে একটা ট্রাকের খুলে রাখা দরজায় আঘাত পেল। পাত্তা না দেবার ভঙ্গি করলেও উচ্ছাসে বুঝল মামা বেশ ব্যথা পেয়েছে। গারো লোকটা চিৎকার করে নদীর ওপারে কাকে যেন ডাকল। নিঝুম অন্ধকার। এর মধ্যে ওপরে একটা টর্চের আলো দেখা গেল। নদীর ওপার থেকে এল একটা নৌকা। তারা উঠে বসল। তরতর করে নৌকা পার করল ওদের। মাঝি ভাড়া চাইতেই দুর্বোধ্য ভাষায় কী যেন বলে উঠল গারো লোকটা। মাঝি বলল, অ আপনারা জমিদারনীর মেহমান। তাইলে যান। টর্চ জ্বেলে ওদেরকে পথ দেখিয়ে নিয়ে চলল আরেকজন আদিবাসী তরুণ। মামা ফিসফিস কে বলল, এই,ছেলেটি খাসিয়া। উচ্ছাস জিগ্যেস করল, জমিদারনীটা কে? ঘন অন্ধকারে কিছুই দেখা যাচ্ছে না। বৃষ্টি ভেজা পিচ্ছিল পথ। টাল সামলাতে সামলাতে হাঁটতে মামা। বলল, এই জমিদারনী হচ্ছে এক খাসিয়া মহিলা। ওর নাম নিরলা তনসং। এখানে সে দুটো পুঞ্জির মালিক। পুঞ্জি মানে জানিস তো-গ্রাম। খাসিয়াদের গ্রামকে পুঞ্জি বলে। অবাক হল উচ্ছাস। তুমি যে বল জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ হয়ে গেছে। তাহলে জমিদার থাকে কী করে? এবারে বিজ্ঞের ভঙ্গিতে বলল মামা, আদিবাসীদের জন্য আইন কিছুটা আলাদা। কোন, তুই পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা রাজা, বোমাং রাজাদের কথা শুনিসনি। আর খাসিয়া পরিবারগুলো মাতৃতান্ত্রিক তো। সে কারণে জমিদারের বদলে জমিদারনী হয়েছে। আমরা তো তার বাড়িতেই যাচ্ছি।
পুঞ্জির ভেতরে ঢুকে বাড়িঘর দেখে উচ্ছাসের চোখ তো চানাবড়া। জঙ্গলের ভেতরে পুঞ্জি। অথচ সেখানে বৈদ্যুতিক আলো জ্বলছে। বেশীরভাগ দোতলা, কাঠের তৈরী বাড়ি। একটা বড়ো বাড়ি দেখে উচ্ছাস ভাবল এটাই হবে জমিদার বাড়ি। সজোরে মাথা নাড়ল গারো ও খাসিয়া। আরেকটু হাঁটতে হবে। জমিদার বাড়িতে ঢুকে তো ওর মাথা ঘুরে গেল প্রায়। কাঠের কারুকাজ করা পাকা দালান। আলো ঝলমল রাজপ্রসাদ যেন। খাসিয়া লোকটা ওদেরকে ড্রইংরুমে বসাল। দেয়ালেও শোকেসে শোভা পাচ্ছে নানা ধরনের এন্টিকস। শিকার করা বিভিন্ন জন্তু জানোয়ারের মাথাও আছে। বুক সেলফে প্রচুর বই। বেশির ভাগই ইংরেজী। পর্দা সরিয়ে ঘরে ঢুকলেন এক নারী। পরনে পাশ্চাত্য ঢঙের পোশাক। ইংরেজীতে মামাকে কুশল জিজ্ঞাসা করলেন। পথে কোনো কষ্ট হয়নি তো? উচ্ছাস বুঝতে পারল এই মহিলাই নিরলা তনসং। মহিলা উচ্ছাসের সঙ্গে ভাঙা বাংলায় কিছু কথা বলে জানাল তার বাসায় বাংলা, বলারও লোক আছে। একটু পরে ঘরে ঢুকল নিরলার স্বামী। তার নাম ডামন লামিং। ভালো বাংলা বলতে পারে। তার মা খাসিয়া হলেও বাবা বাঙালি। সে কারণে সে বাংলা ইংরেজি ও খাসিয়া তিনটি ভাষায়ই পারদর্শী। রাতে খাবার খেতে বসল তারা একসঙ্গে। নিরলা জানাল তারা রাতের খাবার খায় সন্ধ্যার কিছু পরেই। কিন্তু আজ অতিথিদের সঙ্গে খাবে বলে একটু বেশি রাত করেছে। নানা ধরনের খাবার বাঙালি খাবার হিসেবে মাছ যেমন আছে তেমনি খাসিয়াদের নিজস্ব কায়দায় রান্না করা খাবারও আছে। ওদের চাটনি ও ভর্তাগুলোর অদ্ভুত স্বাদ। পেট ভরে মনের সুখে ওরা। বিশাল বড়ো এক রুমে ঘুমানোর ব্যবস্থা হল। দেয়ালে শোভা পাচ্ছে বিশাল এক তরবারি। নিরলাদের বাড়িতে বেশ কয়েকজন কাজের লোক। ওদের প্রায় সবাই খাসিয়া। ওদের হাঁটাচলা একদম রোবটের মতো। মুখে কোনো হাসি নেই। বিছানায় শুয়েই ঘুমিয়ে গেল মামা। কিন্তু উচ্ছাসের চোখে ঘুম নেই। সে ডিমলাইটের আলোয় বারাবার ওই তরবারির দিকে তাকাচ্ছিল। তার মনে হচ্ছিল ঘুমিয়ে পড়লেই ওই খসিয়া ছেলেগুলো তাদের ওপর তলোয়ার নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়বে। এপাশ ওপাশ করতে করতে কখন যে সে ঘুমিয়ে পড়েছে নিজেই জানে না।
নিরলার ডাকে ঘুম ভাঙল উচ্ছাসের। সে উচ্ছাস ও মামাকে নিয়ে গেল তার নানির কবরের পাশে। তখন সকাল হয়ে গেছে। মেঘমুক্ত আকাশে ঝলমলে রোদ। শহর থেকে অনেক দূরে খাসিয়া পুঞ্জির ভেতরে নিরলার নানির কবর দেখে অবাক হয়ে গেল উচ্ছাস। দামি পাথরে বাঁধানো এমন কবর সে কোথাও দেখেনি। নিরলা বলল ওর নানি ছিল এই এলাকার জাঁদরেল জমিদার। নানির পরে জমিদার ছিল ওর মা। এখন উত্তরাধিকার সূত্রে সে হয়েছে জমিদার। নানির কবরের পাশেই গির্জাঘর। সেখানে প্রতি সন্ধ্যায় গাওয়া হয় প্রার্থনা সংগীত। তারা আবার ঘরে ফিরে এল। মামা তার গবেষণার তথ্য সংগ্রহের জন্য বসে গেল নিরলার সঙ্গে আলোচনায়। ঢাকায় আদিবাসী সম্মেলনে মামার সঙ্গে ওর পরিচয়। আর এখন মনে হচ্ছে ওদের মধ্যে যেন বহুদিনের পুরনো বন্ধুত্ব। নিরলার বর ডামন লামিং ওদেরকে নিয়ে গেল পিয়াইন নদীর তীরে। এরই মধ্যে মামা তার ডিজিটাল ক্যামেরায় ছবি তোলা শুরু করেছে। নদীর পাড়ে প্রচুর পাথর। ডামন লামিং বলল, এদিক থেকে মাত্র দুইশো গজ পরেই যে জঙ্গল দেখা যাচ্ছে সেটাই মেঘালয়। অন্যদেশের সীমান্ত। ভালো করে তাকালেই মেঘালয়ের সেতু দেখা যাচ্ছে। পিয়াইন নদী এক সময় খুব শান্ত ছিল। কিন্তু মানুষ তার গায়ে বাঁধ দেয়ায় সে ক্ষেপে উঠছে। নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এখানকার খাসিয়া পুঞ্জিগুলো। মামা বলল বিশ বছর আগে জাফলঙে যে খাসিয়া পুঞ্জি দেখেছিলাম সেটা কি এখনো আগের মতো আছে? দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে ডামন লামিং বল, চলুন নিজের চোখেই দেখবেন। দুপুরে খাবার টেবিলে বসে নিরলা বলল, খুবই কষ্টে আছে জাফলঙের খাসিয়ারা। একদিকে নদীর ভাঙন অন্যদিকে পাথর ব্যবসায়ীদের উৎপাত। সব মিলিয়ে খাসিয়ারা এখন অতিষ্ঠ। পাথর ব্যবসায়ীরা কমদামে খাসিয়াদের জমি কিনে নিয়ে পাথর তুলছে। বসিয়েছে স্টোন ক্রাশার মেশিন। পরিবেশের জন্য খুব খারাপ সেটা।
বিকেলে ডামন লামিংয়ের সঙ্গে জাফলঙে গেল উচ্ছাস ও তার মামা। আবার সেই নৌকা যাত্রা। একটু পরেই মামার কণ্ঠে হাহাকার শুনতে পেল উচ্ছাস। বল্লাঘাটের পাশেই নাকি গাছপালা ঘেরা বল্লাপুঞ্জি ছিল। কিন্তু এখন সেসব কিছু নেই। অনেক দোকানপাট হয়েছে। আর এখানে ওখানে দেখা যাচ্ছে ন্যাড়া পাহাড়। সবুজের নামগন্ধ নেই। অথচ এখানে একদিন খাসিয়ারা কমলা বাগান করত। পানের চাষ করত ডামন লামিং বলল, পুঞ্জিতে আগে ছিল শতাধিক খাসিয়া বাড়ি। আর এখন বল্লাপুঞ্জিতে খাসিয়া নেই বললেই চলে। আছে মাত্র দুই-তিন ঘর। ওরাও যে কোনো দিন চলে যাবে। কী করবে? গাছ নেই। পাহাড় নেই। প্রকৃতি নেই। পাথরের ব্যবসার মধ্যে খাসিয়ারা কী নিয়ে বাঁচবে! ডামন লামিং ওদেরকে নিয়ে গেল বল্লাপুঞ্জি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে। বলল, এই স্কুলটা খাসিয়া শিশুদের পড়াশোনার জন্য দান করেছিলেন। আমার মা। এই স্কুলে এখন একজনও খাসিয়া ছাত্র নেই। এই স্কুলের পরিচালনা কমিটিতে দাতা সদস্য হিসেবেও একজন খাসিয়াকে লাখা হয়নি। উল্টো স্কুল কমিটি চাইছে আমাদের আরো জমি দখল করতে।
উচ্ছাস স্কুলের দিকে তাকাল। সেখানে পড়াশোনা করছে বেশ কিছু শিশু। কিন্তু স্কুলের পাশেই চলছে স্টোন ক্রাশার মেশিন। শিশুদের পড়ার শব্দকে চাপা দিয়ে শোনা যাচ্ছে সেই মেশিনের আওয়াজ। পাথরের ধোঁয়া বের হচ্ছে। মামা বলল, জাফলঙের চারপাশে প্রচুর পাহাড় ছিল। সব কেটে ফেলেছে। গাছ কেটে ফেলেছে। ভূমি রাক্ষস বন রাক্ষসের ভূমিকা নিয়েছে মানুষ। কিন্তু একবারও ভেবে দেখছে না এর পরিণত কত ভয়াবহ হতে পারে। ভূমিকম্প হতে পারে। পাহাড় ধসে যেতে পারে। এই রাক্ষসদের হাত থেকে জাফলংকে বাঁচাতে হবে। পরের দিনই জাফলং থেকে রওনা হল মামা। গাড়ি করে ওদেরকে সিলেট পর্যন্ত পৌঁছে দিল নিরলা ও তার স্বামী। গাড়িতে চড়ে ওদের দিকে তাকিয়ে হাত নাড়ল উচ্ছাস। জাফলঙের জন্যও ওর এখন কান্না পাচ্ছে। মাঝেমধ্যে প্রকৃতি থেকে মানুষকে আলাদা করা যায় না। নিরলা আর ডামন লামিংকে তার কাছে মনে হচ্ছে জাফলঙেরই আরেক চেহারা।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১০৭ বার

Share Button

Calendar

October 2019
S M T W T F S
« Sep    
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031