» দু-তিন মাসের জন্য পাল্টে যাচ্ছে শ্রীমঙ্গলের চা বাগানের চিরচেনা হরিৎ রূপ

প্রকাশিত: ১৩. জানুয়ারি. ২০২০ | সোমবার


পংকজ কুমার নাগ শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি : শ্রীমঙ্গলের চা-বাগান গুলোতে চলছে চা-গাছের ছাটাইকরন প্রক্রিয়া । প্রতিবছর শীতের এ সময়টাতে চা গাছের ছাটাইকরন হয়ে থাকে । একে চা গবেষণার ভাষায় বলে “প্রুনিং”। এই সময়টাতে চা বাগানে ঘন সবুজের সমারোহ আর থাকেনা । আগামী ২/৩ মাস এমন অবস্থায় থাকবে চা গাছগুলো । চৈত্র বা বৈশাখ মাসের দিকে বৃষ্টি হওয়ার পর আবার ফিরে আসবে সবুজের সমারোহ ।
শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) সূত্র জানায়, প্রতিবছর শীতে চা উৎপাদন মৌসুম শেষে “লাইট প্রুনিং” বা চা গাছের মাথা ছাটাই শুরু হয় এবং শীত মৌসুমের মাঝামাঝি পর্যন্ত চলে । মধ্যে একবার “ডিপ স্কিপ” করতে হয় । এসময় চা বাগানের সেই সবুজের সমারোহ আর থাকে না ।
চৈত্রের শেষে বৃষ্টি শুরু হলে চা গাছে প্রথম ফ্লাস বা কুঁড়ি বের হবে । সেসময় শুরু হবে চা-পাতা চয়ন । যাকে বলা হয় “টিপিং”। এই “টিপিং” এর মাধ্যমে সংগ্রহীত কুঁড়ি থেকে চা উৎপাদনের মূল কাজটি শুরু হয়না । বানিজ্যিক চা উৎপাদনের জন্য কুঁড়ি সংগ্রহ বা চা পাতা চয়নের কাজটি পুরোদমে শুরু হয় চৈত্র মাসের শেষ বা বৈশাখ মাসের প্রথম দিকে বৃষ্টি পড়তে শুরু করলে । একে বলা হয় “প্লাকিং”। এই প্লাকিং শুরু হলে ২/৩ মাস বন্ধ থাকা চা-কারখানাগুলো আবার সচল হতে শুরু করবে । শুরু হবে চায়ের উৎপাদন ।


চা বোর্ড সুত্র জানা যায়, গত ইংরেজি বছরের শেষ দিন পর্যন্ত হওয়া চা উৎপাদনের হিসেবে গত মৌসুমে দেশে বাম্পার চা উৎপাদন হয়েছে । গত মৌসুমের উৎপাদন, দেশের চা শিল্পের ১৬৫ বছরের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড গড়বে হবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ চা বোর্ড । দেশের চা শিল্পের ইতিহাসে সর্বোচ্চ উৎপাদনের রেকর্ড হতে পারে এবছর ।

এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিট সূত্র জানায় দেশে এবার চায়ের উৎপাদন চা শিল্পের অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে । তবে উৎপাদন কত হয়েছে তা জানতে আরও ১০/১৫ দিন অপেক্ষা করতে হবে ।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ২৭৩ বার

Share Button

Calendar

August 2020
S M T W T F S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031