শিরোনামঃ-


» নুসরাত নাকি আমার টুম্পু

প্রকাশিত: ১১. এপ্রিল. ২০১৯ | বৃহস্পতিবার

ড. জাহিদা মেহেরুননেসা

দেখো দেখো দেখো সবাই,
মেয়েটিকে একবার দেখো,
কী রূপ মেয়ের !
কার মত যেন মুখখানি,
বড়ই তীক্ষ্ম মেধাবী ।
ঠিক যেন মাদার ইন্ডিয়ার নার্গিস,
না নার্গিস তো নয়, মাদ্রাসার নুসরাত,
না নুসরাত ও তো নয়,
ওকে তো তোমার কন্যার মত লাগছে ।
সেদিন যে তুমি পরিচয় করিয়ে দিলে। তোমার ফুটফুটে কন্যাটির সাথে ।
কী যেন নাম বলল মেয়েটি ?
হ্যাঁ ওতো টুম্পা ।
না, তাও তো নয়,
ওর চেহারার সাথে তো আমার কন্যার মিল,
ও কি তবে আমার কন্যা নয় ?
আর একটু বড় হলেই তো আমাদের দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, স্পীকার, সংসদ সদস্য যারা নারীরা আছেন তাদের মতই
সুন্দর হয়ে উঠতো মেয়েটি।‌

হতে পারতো মালালা ইউসুফজাই,
অথবা হতে পারতো মাদার তেরেসা,
কন্ডোলিসা রাইস, প্রিন্সেস ডায়ানা;
অথবা, টনি মরিসন, অথবা হতে পারতো
নারী মহীয়সী মা,
সন্তান সম্ভবা,
গর্বিত পুত্রের জননী ।
অথবা ধিকৃত ধর্ষকের মা অথবা স্ত্রী!

শুধুমাত্র ধর্ষকের ফাঁসি নয়,
পুড়িয়ে মারার আদেশ চাই হে সুবিচারক।
ধর্ষকের লোভের আগুনে আর কত মৃত্যু হলে টনক নড়বে তোমাদের?
যতক্ষণ না তোমার মেয়ে ধর্ষিত হয়,
যতক্ষণ না তোমার মেয়েকে এমনি পুড়ে মরতে হয়, ততদিন কি তোমার কলম এমনি নীরব নিভৃতে কেঁদে যাবে ?
কয়দিন নিজ মেয়েকে পাহারা দেবে?
ধর্ষকেরা যখন উঠে আসবে তোমার
দেয়াল বেয়ে, কী করবে তখন তুমি!
পাহারাদারেরা যদি একদিন ধর্ষকে
রূপান্তরিত হয়ে তোমার স্ত্রী, মা, বোন এবং কন্যাকে ধর্ষণ করে আগুনে পুড়িয়ে দেয়?
কী করবে তুমি ?
একবার দেখো মেয়েটির কোমল মুখ,
ও কি তোমার কন্যা নয় ?
দেখো ভালো করে কে ও।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৪৯০ বার

Share Button