শিরোনামঃ-


» পরিবেশ ধংস করে এমন ব্যবসা আর করতে দেয়া হবে না

প্রকাশিত: ১৭. ডিসেম্বর. ২০১৯ | মঙ্গলবার

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, পরিবেশ ধংস করে এমন ব্যবসা এই শহরে আর করতে দেয়া হবে না।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘অনিয়ন্ত্রিত দূষণে ঢাকা, নাগরিক ভাবনা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় এ কথা বলেন তিনি ।

তিনি বলেন, নিয়ম নীতি মেনে ব্যবসা করতে হবে। রাস্তায় যারা ব্যবসা করছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। ২০ তারিখ থেকে এটা কার্যকর করার চেষ্টা আরো বাড়বে। ভালোবাসার দিন শেষ, এখন জরিমানা হবে ।

ইট ভাঁটাগুলোও যাতে কমপ্লায়েন্স মেনে পরিচালনা করা হয়, সেজন্য মালিকদের প্রতি আহ্বান জানান মেয়র আতিক। পাশাপাশি প্লাস্টিক বর্জ্য দূষণ রোধে বোতল ফেরত নেওয়ার পদ্ধতি চালু করতে ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করেন।
মেয়র বলেন, এমন একটা পদ্ধতি বের করুন যেন প্লাস্টিকের বোতলটি ফেরত দিলে তাকে টাকা দেওয়া হয়। রাস্তায় অথবা অন্য কোথাও যদি প্লাস্টিক পাই তাহলে কিন্তু সেই কোম্পানিকে আমি জরিমানা করব।

নগরভিত্তিক সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা ইউটিলিটি রিপোটার্স অ্যাসোসিয়েশন-ডুরা এ গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করে। সংগঠনের সভাপতি মশিউর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন রুবেল।

আলোচনার মূল প্রবন্ধে ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সাধারণ সম্পাদক আদিলুর রহমান খান এক গবেষণা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বলেন, শব্দ দূষণের প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার সময় এসেছে। এই শহরে ৭০% মানুষ বিষণ্নতায় ভোগে।

বিষণ্ন নগরী উন্নয়নের রোল মডেল হতে পারে না। পরিবেশ আগে না উন্নয়ন আগে- এই তর্ক এখন অহেতুক। ঢাকার পরিকল্পনার মধ্যে অনেক কিছু আছে, কিন্তু বাস্তবায়ন নেই। রয়েছে আইন প্রয়োগের অভাব, রয়েছে সুশাসনের অভাব। স্যোশাল ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসম্যান্ট করে উন্নয়ন ঘটাতে হবে।

মেয়েরকে নিজের ক্ষমতার ব্যবহার করে এই দূষণের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানান আদিলুর রহমান খান।

উন্নয়ন করতে গিয়ে ‘মরণ ফাঁদ’ তৈরি করা হচ্ছে মন্তব্য করে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. লেলিন চৌধুরী বলেন, উন্নয়নের আগে কিছু ‘অ্যাসেসম্যান্ট’ করা প্রয়োজন।

হৃদরোগের অন্যতম কারণ এই দূষণ। বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকায় আমরা সব সময়ই ১ থেকে ৪ এর মধ্যে ছিলাম। এবারও আছি। ঢাকার বায়ু দূষণের অন্যতম কারণ ঢাকার চারপাশের ইটভাটাগুলো। দ্বিতীয়ত গাড়ির ধোঁয়া। ঢাকার মধ্যেও কিছু কলকারখানা রয়েছে। এছাড়া গৃহস্থালীর আবর্জনাও। প্রতিবছর ২ লাখ মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছে।”

অন্যদের মধ্যে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) চেয়ারম্যান আবু নাসের খান, অধ্যাপক আকতার মাহমুদ, স্থপতি ইকবাল হাবিব সভায় বক্তব্য রাখেন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ২০১ বার

Share Button

Calendar

September 2020
S M T W T F S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930