পাকিস্তানের পত্রিকায় বাংলাদেশের অভ্যুদয়

প্রকাশিত: ৬:১৯ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৬, ২০১৭

পাকিস্তানের পত্রিকায় বাংলাদেশের অভ্যুদয়

বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবসে ‘পাকিস্তানের ভেঙে যাওয়া’ শিরোনামে নিবন্ধ প্রকাশ করেছে দেশটির প্রভাবশালী পত্রিকা ডন। করাচিভিত্তিক রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ এস. আকবর জায়েদির লেখা এই নিবন্ধে উঠে এসেছে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের নানা অজানা অধ্যায়। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি ডিগ্রিধারী এই গবেষক বর্তমানে নিউইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও করাচির আইবিএতে পড়ান। পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তাদের উচ্চাভিলাস আর রাজনৈতিক অদূরদর্শিতা বাংলাদেশের জন্মকে ত্বরাণ্বিত করেছিল বলে মন্তব্য এসেছে এই লেখায়।

‘দ্য স্ট্রাগল ফর পাকিস্তান: এ মুসলিম হোমল্যান্ড এন্ড গ্লোবাল পলিটকস’ বইয়ে আয়েশা জালাল জেনারেল আগা মুহাম্মদ ইয়াহিয়া খান সম্পর্কে লিখেছেন, ‘প্রচণ্ড দাম্ভিক আর মাতাল এই ব্যক্তি নিষিদ্ধ জিনিস দেখলেই তিড়িং-বিড়িং লাফান’। জেনারেল আয়ুব খানকে ক্ষমতাচ্যুত করে ১৯৬৯ সালের মার্চে ‘মার্শাল ল’ জারি করে রাষ্ট্রপতি বনে যাওয়া এই জেনারেলকে অনেকেই মনে রেখেছেন তার ‘রাত্রিকালীন কার্যকলাপের’ জন্য। আয়েশা জালাল লিখেছেন, ‘জাতীয় পর্যায়ের আলাপের’ সময়ও ‘জেনারেল রানি’র সঙ্গে তার সময় কাটানো ‘অভিজাত গুজবের’ বিষয় ছিল।

তবে আজও ইয়াহিয়া খানকে তার দুই কাজের জন্য স্মরণ করা হয়ে থাকে- ১৯৭০ সালের নির্বাচন, আর তার পরবর্তীতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে চালানো নির্বিচার হত্যা। আর এ সব ঘটনাই পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতাকে অনিবার্য করে বাংলাদেশের জন্ম দেয়। দুটি ঘটনাতেই গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ছিলেন তিনি। তবে ১৯৭০-৭১ সালে সেই সময়ে তিনিই একমাত্র চরিত্র নন। আরও দুই গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হলেন জুলফিকার আলী ভুট্টো আর শেখ মুজিবুর রহমান। তারাও খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।

অসংখ্য দ্বন্দ্বে ভরা সামরিক একনায়কের ‘উন্নয়নের দশক’ পেরিয়ে ১৯৬০ এর দশকের শেষ দিয়ে দেশে তৈরি হওয়া আঞ্চলিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক আর রাজনৈতিক অসন্তোষ আয়ুব খানের পদত্যাগ ত্বরান্বিত করে। প্রথমবারের মতো পাকিস্তানে গণঅভ্যুত্থান ঘটে।

পশ্চিম পাকিস্তানে বেলুচ আর পাখতুন জাতীয়তাবাদীরা এক রাষ্ট্র নীতির পতন চাইছিলেন। ভুট্টোর নেতৃত্বে ছাত্ররা ছিলেন এই আন্দোলনের অগ্রভাগে। কর্মজীবী আর উদীয়মান মধ্যবিত্তদের তারা আয়ুব খানের বিরুদ্ধে সংগঠিত করেছিলেন। যদিও অনেক গবেষক ভুট্টোর এই উত্থানকে ‘উদ্বেগের প্রকাশ’ হিসেবে দেখতে চান। কারণ তারা মনে করেন, পাকিস্তান তখন সামাজিক বিপ্লবের কিনারায় দাঁড়িয়ে ছিল। ১৯৬৬ সালে তাসখন্দের ঘটনার পর পশ্চিম পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠ হয়ে ওঠেন ভুট্টো।

আর পূর্ব পাকিস্তানে মাওলানা ভাসানী রাজ্যের কৃষকদের পক্ষে উচ্চকন্ঠ ছিলেন। ১৯৬৬ সালে ছয় দফা প্রস্তাবের মধ্য দিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান গণতন্ত্র আর আঞ্চলিক সায়ত্বশাসনের দাবি তোলেন। আর একারণেই তাকে ১৯৬৮ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। ফলে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রধান কণ্ঠে পরিণত হন। পতন ত্বরাণ্বিত হয় আয়ুব খানের।

এটা বলা খুবই জরুরি যে সে সময়ে অনেক বাঙালি নেতা পাকিস্তানের ঐক্যকে চ্যালেঞ্চ করলেও শেখ মুজিবুর রহমান এই রাজনৈতিক মেরুকরণের মধ্যেও একত্রিত, গণতান্ত্রিক, ফেডারেল পাকিস্তানের পক্ষে ছিলেন।

 

এই পরিস্থিতিতে ১১ বছর ধরে সামরিক প্রহরায় ক্ষমতায় থাকা ‘ক্যারিশমাটিক আর জনপ্রিয়’ সামরিক কর্তা ইয়াহিয়া খান ১৯৭০ এর অক্টোবরে সাধারণ নির্বাচন ঘোষণা করলেন। এই নির্বাচনে এক রাষ্ট্র নীতি অনুযায়ী জনসংখ্যার ভিত্তিতে ৩০০ আসনের মধ্যে ১৬২ আসন থাকে পূর্ব পাকিস্তানে।

আইয়ুব খানের কাছ থেকে ক্ষমতা দখলের সময় ‘মার্শাল ল’ জারি করেছিলেন ইয়াহিয়া। সামরিক বাহিনী আর প্রশাসন তখন রাজনৈতিক দলে প্রভাব বাড়াতে ব্যস্ত। ঐতিহাসিকরা দেখিয়েছেন, ইয়াহিয়ার নির্বাচনের সিদ্ধান্ত ছিল সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার এক রিপোর্টের ভিত্তিতে। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছিল, কোনো রাজনৈতিক দলই ক্ষমতায় যাওয়ার মতো একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। ‘ঝুলন্ত পার্লামেন্ট’ হওয়ায় আসল ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতেই থাকবে।

পূর্ব পাকিস্তানে তখন মৌসুমি বৃষ্টির কারণে দুই মাসের জন্য নির্বাচন স্থগিত করে সরকার। নির্বাচনের দিন ৭ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হয়। কিন্তু এর আগেই ১৯৭০ সালে নভেম্বরে পূর্ব পাকিস্তানের ওপর দিয়ে বয়ে গেল এক প্রলংকারী ঘূর্ণিঝড়। দুই লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে ওই ঝড়ে। আর এই ঝড়ই পাকিস্তানের নির্বাচনের ভাগ্য গড়ে দেয়। পূর্ব পাকিস্তানি জনগণ সেসময় পাঞ্জাবী-মুহাজির সংখ্যাগুরুর সেনাবাহিনী ও প্রসাশনের কাছ থেকে সাহায্যের আশা করছিল। পূর্ব পাকিস্তানি রাজনীতিবিদরা তখন নির্বাচনের আগেই জনগণকে বোঝাতে মরিয়া ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানিদের কাছে তারা কতটা অসহায়।

১৯৭০ সালের এই নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের ১৬২টি আসনের মধ্যে শেখ মুজিবের আওয়ামী লীগ ১৬০ আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। এই আসন সংখ্যা পাকিস্তানের সরকার গঠনে একক অনুমোদন দেয় তাদের। নির্বাচনে ভুট্টোর পিপল পার্টি পশ্চিম পাকিস্তানের ১৩৮ আসনের মধ্যে ৮৮ আসন পেয়ে প্রদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলে পরিণত হয়। তবে এই নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ হলো কোনো দলই অন্য প্রদেশে কোনো আসন পায়নি। ফলে কার্যত দুই ভাগই রইল পাকিস্তান।

১৯৭১ এর মার্চে পূর্ব পাকিস্তানে সামরিক বাহিনীর অপারেশন সার্চলাইট শুরুর আগে পাওয়া সংক্ষিপ্ত সময়ে পশ্চিম পাকিস্তানি রাজনীতিবিদরা ‘ইগো’ র খেলায় মেতেছিলেন। সামরিক নেতৃত্বের রাজনৈতিক ইস্যু বোঝার অযোগ্যতা আর অনিচ্ছা হিংস্র এই অভিযানকে ত্বরাণ্বিত করেছিল।

১৯৭০-এর নির্বাচনকে সম্মান দেখালে ঐক্যবদ্ধ পাকিস্তান রক্ষা হয়ত সম্ভব হতো। কিন্তু তা নিজেদের ‘বিচক্ষণতা’ আর ‘বস্তুগত লোভে’র বিপক্ষে যেত।

নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর প্রধানমন্ত্রী হতে আগ্রহী দুই ব্যক্তি তৎপর হয়ে উঠলেন। ভুট্টো তো একপায়ে খাড়া। ইয়াহিয়া তো পূর্ব পাকিস্তানে গিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানকে পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী বলে মন্তব্য করে ফেললেন। কিন্তু ঢাকা থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে ফিরে ইয়াহিয়া লারকানায় চলে গেলেন ভুট্টোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে। সেখানে তাকে পরামর্শ দেওয়া হলো জাতীয় সংসদের কর্তৃত্ব যেন শেখ মুজিবের কাছে দেওয়া না হয়। ঢাকায় উড়ে গেলেন ভুট্টো নিজে। কিন্তু শেখ মুজিবের সঙ্গে তার আলোচনা গেল ভেস্তে।

সুজা নেওয়াজ তার লেখায় জানিয়েছেন, অনেক ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তা ভুট্টোকে সমর্থন দিতে তৈরি ছিলেন। পরিষ্কারভাবে পশ্চিম পাকিস্তানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া রাজনৈতিক নেতা আর সেনাকর্মকর্তারা নির্বাচনের ফলকে সম্মান দেখাতে তৈরি ছিলেন না। যদিও সেসময় তাদের কাছে ছিল একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক সংকট।

ভুট্টো সেসময় অনেক বিখ্যাত উক্তি করেছিলেন। পশ্চিম পাকিস্তানি নির্বাচনে বিজয়ী কেউ ৩ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানে আহ্বান করা ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে যোগ দিলে তাদের ‘ঠ্যাং ভেঙে’ দেওয়ার হুমকি দেন। এরপরে এক বিখ্যাত হেডলাইনের জন্ম দেওয়া উক্তিও করলেন তিনি। ‘ওপারে তুমি আর এপারে আমি’ বা ‘উধার তুম, এধার হাম’।

কয়েক দফা উদ্যোগের পর ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি ডাকা ব্যর্থ হয়ে গেল। আলোচনা সম্পূর্ণ ভেঙে গেল। ২৫ মার্চ ১৯৭১ সামরিক বাহিনীর জেনারেল টিক্কা খানের নেতৃত্বে অপারেশন সার্চলাইট শুরু করল। সেসময়ও ঢাকায় ছিলেন ইয়াহিয়া আর ভুট্টো।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কী ঘটেছে, তা নিয়ে বিভিন্ন পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তারা, ভারতীয় আর বাংলাদেশি গবেষকরা বিভিন্ন তথ্য হাজির করেছেন। বিভিন্ন জনের ভাষ্যে সংখ্যাটা বিভিন্ন হতে পারে। তবে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর চালানো ক্ষয়ক্ষতি, নির্বিচার হত্যা, ধর্ষণের ঘটনা ছিল ব্যাপক।

করাচির মর্নিং নিউজে কর্মরত পাকিস্তানি সাংবাদিক এন্থনি মাসনকারেনহাস লন্ডনের সানডে টাইমসে ১৩ জুন ১৯৭১ সালে লেখা এক শব্দের শিরোনামে ফুটে উঠেছিল নিপীড়নের ব্যাপকতা। ‘গণহত্যা’ বা জেনোসাইড শিরোনামে ওই লেখায় তিনি বিশ্বের সামনে পূর্ব পাকিস্তানের ঘটে যাওয়া সহিংসতার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

তারপরও যখন জর্জ হারিসনের বিটলস ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ আয়োজন করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশ তখনও পূর্ব পাকিস্তানে ঘটে যাওয়া বিষয়ে ‘চোখ বন্ধ করে থাকা’ নীতি নিয়েছে। পূর্ব পাকিস্তানে নির্বিচার হত্যাকাণ্ড চললেও হেনরি কিসিঞ্জার আর রিচার্ড নিক্সন ‘উদ্দেশ্য নিয়ে’ কিছুই করেননি। তখন ঢাকায় কর্মরত যুক্তরাষ্ট্রের কনসাল জেনারেল আর্চার ব্লাডের টেলিগ্রামের বরাতে এমনটাই লিখেছেন গ্যারি ব্যাস।

আমেরিকা তখন মাও সেতুংয়ের চীনের খুবই শুভাকাঙ্খী। পাকিস্তানের সঙ্গে আবার তাদের ঘনিষ্ট সম্পর্ক। পরে এই কূটনীতির নাম দাড়ায় ‘পিং-পং ডিপ্লোমেসি’। চীনও ‘পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ’ বিষয়কে দূরে রাখতে চেয়েছে।

পূর্ব পাকিস্তানে সামরিক অভিযান চলার সময়ে এর প্রবাসী সরকার আশ্রয় নিয়েছিল কলকাতায়। তাদের নেতৃত্বাধীন মুক্তি বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধের সময় লাখ লাখ পূর্ব পাকিস্তানি ভারত সীমান্ত পাড়ি দিয়ে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়।

অবশেষে নভেম্বরে ভারত পূর্ব পাকিস্তানে সামরিক আক্রমণ চালালে পশ্চিম পাকিস্তান ৩ ডিসেম্বর ভারতীয় সীমানায় আক্রমণ শুরু করে। এমনকি ডিসেম্বরের ১৪ এবং ১৫ তারিখ পর্যন্ত পশ্চিম পাকিস্তানিরা বলেছে, যুদ্ধে তারাই জিততে যাচ্ছে অথচ ডিসেম্বরের ১৬ তারিখে ‘টাইগার নিয়াজি’ খ্যাত পূর্ব পাকিস্তান যুদ্ধের সর্বাধিনায়ক আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ভারতীয় বাহিনীর সর্বাধিনায়ক জগজিত সিং অরোরার কাছে আত্মসমর্পণ করে বসেন। ঢাকায় ওই দলিলে স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জন্ম হয় বাংলাদেশের। এর ফলে ভারতীয় উপমহাদেশে শুধু নতুন আরেকটি বিভক্তিই তৈরি হলো না, জিন্নাহ ঘোষিত দ্বিরাষ্ট্র নীতিও ভুল প্রমাণিত হলো।

 

সুজা নেওয়াজ লিখেছেন, দুর্নীতিবাজ সেনা কর্মকর্তাদের ‘উচ্চাভিলাষ’ অবজ্ঞা আর আকণ্ঠ মদে ডুবে থাকা পাকিস্তানের বিভক্তিকে অনিবার্য করে তুলেছিল। তবে তিনি পাকিস্তানের জনগণের ইচ্ছাকে ভুট্টোর অবমূল্যায়ন আর তার সমর্থক সেনা কর্মকর্তারাই এই সংকট ডেকে এনেছিল। সাংবিধানিক ব্যর্থতার জন্য দায়ী ছিল পশ্চিম পাকিস্তানি রাজনীতিবিদরা, পূর্ব পাকিস্তানে ঘটে যাওয়া নির্বিচার হত্যাযজ্ঞের জন্য দায়ী ছিল সেনা কর্মকর্তারা।

তবুও দুঃখজনকভাবে পাকিস্তানি বুদ্ধিজীবী আর রাজনীতিবিদদের খুব অংশই পূর্ব পাকিস্তানে সেনা অভিযানের নিন্দা জানিয়েছেন। ১৯৭১-এর শেষ কয়েক মাস ভারত পূর্ব পাকিস্তানকে বাংলাদেশ হতে সাহায্য করেছে। কিন্তু ১৭৪৭ থেকে ১৯৭০ পর্যন্ত কোনো ঘটনার জন্যই তারা দায়ী না। আর এই সময়ের ঘটনাক্রম পাকিস্তানের বিভক্তিকে অনিবার্য করে তোলে। বহিঃশক্তি শুধুমাত্র অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের সুযোগ নেয়, ভারতও এক্ষেত্রে তাই করেছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Calendar

December 2020
S M T W T F S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  

http://jugapath.com