শিরোনামঃ-


» পারমাণবিক শক্তি অর্জনে আসে মানবিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা

প্রকাশিত: ০৪. মার্চ. ২০১৮ | রবিবার

কামরুজ্জামান হিমু

তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, পারমাণবিক শক্তি অর্জনের সাথে সাথে আসে মানবিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা। পারমাণবিক শক্তিকে ক্ষমতার অহংকার নয়, মানবমুক্তি ও মানবসেবার প্রযুক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। সামাজিক বৈষম্য থেকে মুক্তির হাতিয়ার হবে এ শক্তি। কমমূল্যে বিদ্যুৎ পৌঁছতে হবে নিম্নআয়ের মানুষের কাছে।

আর সতর্ক থাকতে হবে, যাতে জংগি-সাম্প্রদায়িক অপশক্তির হাতে এই শক্তি না যায় । জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের হাতে পারমাণবিক মহাশক্তি কখনোই নিরাপদ নয় এবং ভয়ংকর বিপদ এড়াতে তাদের থেকে এই মহাশক্তিকে সবসময় দূরেই রাখাই সবার দায়িত্ব।

শনিবার সন্ধ্যায় খুলনার খালিশপুরে ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউশন অভ বাংলাদেশ (আইইবি)’র ৫৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ‘বাংলাদেশে পরমাণু শক্তি’ বিষয়ে ড. এম এ রশীদ স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ আহবান জানান।

এর আগে দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালিশপুর ঈদগাহ মাঠে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ-এর ৫৮তম কনভেনশনে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন।

রূপপুর পরমাণু কেন্দ্র পূর্ণপরিবেশবান্ধব উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা শতভাগ নিশ্চিত করেই পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন করছে সরকার। তাই বিভ্রান্তির সুযোগ নেই, দেশবাসী শংকামুক্ত থাকুন।’

পরমাণু শক্তি ব্যবহারের বাস্তবায়নকে আন্তর্জাতিক অংগনে প্রধানমন্ত্রীর বিশাল সাফল্য হিসেবে বর্ণনা করে প্রকৌশলী ইনু বলেন, ‘শান্তির দূত হিসেবেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে দেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক অংগনের সমর্থন অর্জন করেছেন। এটি জাতির জন্য এক চিরঞ্জীব মাইলফলক। ‘

আইইবি’র সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী ড. এম শামীম জেড বসুনিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী ড. মো: মনজুরুল হক। অন্যান্যের মধ্যে বিশেষ আলোচক হিসেবে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন আইইবি’র অনারারি জেনারেল সেক্রেটারি প্রকৌ. মো: আব্দুস সবুর।

তথ্যমন্ত্রী তার বক্তৃতার শুরুতে অগ্নিঝরা মার্চ স্বাধীনতার মাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু, সকল শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাকে সালাম জানান।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৬৬৫ বার

Share Button