শিরোনামঃ-


» পার্থসারথির গুচ্ছ কবিতা

প্রকাশিত: ০২. অক্টোবর. ২০২০ | শুক্রবার

 

ঔদ্ধত্য

আমার সবটা নিয়ে আমাকে কেউ মেনে নেয়নি
তাই দিনের বিদায় বেলায় হাত বাড়িয়ে একমুঠো জোনাকির আলো কেউ ছড়ায় নি
সূর্যাস্তের আলোয় শান্ত নদীতীরে নিজের সংযত মনকে প্রশ্ন করতাম উদ্ধত হও কেন?
অনেক পরে গাঢ় অন্ধকারের আবছায়া ঠেলে উত্তর আসত নিজের করে পাব বলে
প্রশ্ন করতাম ওই উদ্ধত মলাটের ভিতরের ভালবাসারা হারিয়ে যায় জানো না ?
উত্তর আসত ভালবাসাকে কঠিন মলাটের আচ্ছাদনে রেখেছি, যত্নে
ঔদ্ধত্যহীন ভালবাসা যে মলাটহীন পুস্তক । আমি ভিতরের পাতাকে বিবর্ণ হতে দিতে পারি না।
আসলে আভরণে যারা আকৃষ্ট তারা তো মলাট উল্টাবে না।
তাই কাঠিন্য র বাইরে কিছু চোখে পড়বে না

অর্থহীন

তুমি ঘরে বসে গান বাঁধ জানি মন ভালো রাখবার
এখানে দু মুঠো ভাত ভীষণ সে কঠিন আবদার
তোমার কলম খোঁজে বন্দি জীবনে সংযোগ
আমার পায়েতে বেড়ি, বয়ে চলা এই দুর্যোগ
প্রতিভা কিছুই নয় আজ জানি পাথরের ঢিবি
জানি না কিভাবে লেখা থাকবে এ অন্য পৃথিবী
এসময়ে গান গুলো সুর হয়ে বাজে আর কানে?
জানি না ফসল কাটা হবে কিনা এই অঘ্রানে
যেখানে সূত্র নেই দিশাহীন লাগে সেই পাঠ্য
আমার ছোট ঘরেও জোনাকিরা আলো জেলে রাখতো
কাল যদি নাও থাকি , জেগে থাকা বাকি রয়ে যাবে
আমার উপোষী মেয়ে, কাল ঠিক ত্রাণ পৌঁছাবে
তবুও ইশারা দিও খসে পড়া ইটের আদলে
খুঁজবো চেষ্টা করে কবিতার মানে কি বলে

অসমাপ্ত

একটা গভীর নিদ্রা নামুক আমার চোখে
যেখানে যন্ত্রনা গুলো আর ছুঁতে পারবে না
একটা আধার যেন খুঁজে পাই তাড়াতাড়ি
নিস্তব্ধতা আর কেউ কাড়বে না
একটা সমুদ্র তীর খুঁজে নেবো ঠিক আমি
কলরব আর কোলাহল পরিমিত
অনুচ্চারিত থেকে গেছে অনুভূতি
পারি নি বলতে যা ছিল প্রত্যাশিত।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১৭৩ বার

Share Button