» বাজেটে কী জাতির পিতার উন্নয়ন দর্শন প্রতিফলিত হয়েছে ?

প্রকাশিত: ২৮. জুন. ২০১৯ | শুক্রবার

সরকারি দলের সদস্যরা বলেছেন, প্রস্তাবিত বাজেটে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উন্নয়ন দর্শন প্রতিফলিত হয়েছে । সোনার বাংলা গড়ে তোলার অনন্য দলিল এই বাজেট । আসলেই কী তাই ? তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত দশ বছরে আন্তর্জাতিকভাবে আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে পতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ । গত ১০ বছরের ধারাবাহিকতায় প্রস্তাবিত এ বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০২১ সালে মধ্যম আয় ও ’৪১ সালের আগেই দেশ উন্নত দেশে উন্নীত হবে।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আজ বিকেল ১০ টা ৩৫ মিনিটে অধিবেশনের শুরুতে মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্ন-জিজ্ঞাসা-উত্তর টেবিলে উপস্থাপন শেষে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনা শুরু হয়। দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে সংসদের বৈঠক বিকেল ৩টা পর্যন্ত মুলতবি করা হয়। মুলতবির পর ৩টা ০৮ মিনিটে পুনরায় অধিবেশন শুরু হয়। এক পর্যায়ে ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
গত ১৩ জুন অর্থমন্ত্রী আ,হ.ম মুস্তফা কামাল ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট পেশ করেন।
২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট আলোচনার ৯ম দিনে আজ দুপুর ১টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ন, মৎস্য ও প্রানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচাযর্, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, হুইপ আতিউর রহমান আতিক সরকারি দলের আ. ফ. ম রুহুল হক, ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন, মাহবুব উল আলম হানিফ, মোতাহার হোসেন, নজরুল ইসলাম চৌধুরী, নুরুল আমিন, নেসার আহমেদ, মকবুল হোসেন, হাবিবুর রহমান, মনোয়ার হোসেন চৌধুরী, আবদুল মোমেন মন্ডল, মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান, মোসলেম উদ্দিন, জিল্লুল হাকিম, নূর মোহাম্মদ, আবদুল আজিজ, মামুনুর রশীদ কিরণ, ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল, সাইমুম সারোয়ার কমল, গোলাম কিবরিয়া টিপু, ইকবাল হোসেন, আনোয়ারুল আজিম আনার, রাজী মোহাম্মদ ফখরুল, মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, আলী আজম, উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম, ফরিদা খানম, শবনম জাহান, বেগম নাদিরা ইয়াসমিন ডলি, শামীমা আক্তার খানম বেগম নাহিদ ইজাহার খান, বাসন্তী চাকমা, হাবিবা রহমান খান জিন্নাতুল বাকিয়া, বেগম মমতা হেনা লাভলী গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার, জাকিয়া খানম আহমেদ, বেগম রাবেয়া আলীম, বেগম রতœা আহমেদ, বেগম হোসনে আরা, বেগম সুলতানা নাজিয়া,ও জাতীয় পার্টির আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, মজিবুল হক চুন্নু ও বিকল্প ধারার আবদুল মান্নান আলোচনায় অংশ নেন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে কৃষি মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ২০০৮, ২০০৯ এবং ২০১০ সালে সারা বিশ্বে যখন খাদ্য, জ্বালানী এবং আর্থিক সংকট দেখা দেয় এরপরই আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় এসেছিল। বিশ্বব্যাপী চরম অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মধ্যেও ১০ বছরে এদেশের অর্থনীতির ক্ষেত্রে কোন ধরনের বিপর্যয় হয়নি।
তিনি বলেন, প্রবৃদ্ধি, মাথাপিছু আয়, বাজেটের ঘাটতি, মূদ্রাস্ফিতি সবকিছুতেই আমরা ভাল করেছি, যা সারা পৃথিবীতে প্রশংসিত হয়েছে। যারা বলেছিল স্বাধীন বাংলাদেশ জনসংখ্যাধিক্যের কারণে টিকে থাকবে না, যেসব বিশ্ববিখ্যাত অর্থনীতিবিদরা বলেছিল বাংলাদেশ চিরদিন বিদেশি সাহায্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকবে। তারাই এখন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রশংসা করছে।
মন্ত্রী বলেন, দেশের সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ১৩০টি প্রোগ্রাম রয়েছে। এর আওতায় ৭৬ লাখ ৩ হাজার ব্যক্তি বা পরিবার সহযোগিতা পায়। ৫ কোটি মানুষ সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় সহযোগিতা পায়।
তিনি বলেন, গত বোরো ও আউস মওসুমে ধানের উৎপাদন ভাল হয়েছিল, আমনে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ টন, সেটি হয়েছে ১ কোটি ৫৩ লাখ টন। বোরো উৎপাদন প্রায় ২ কোটি টন ছাড়িয়ে যাবে। ভূট্টার উৎপাদন বেড়েছে, আলুর চাহিদা ৬০ থেকে ৭০ লাখ টন থাকলেও উৎপাদন হয়েছে ১ কোটি ৩ লাখ টন। চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি হওয়ায় এবার ফসলের দাম কমে গেছে। কিন্তু সরকার বসে নেই, যে নেত্রী দুর্ভিক্ষের জাতিকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ জাতিতে পরিনত করেছেন, সেই নেত্রী যেই কৃষকরা হাড়ভাংগা পরিশ্রম করেন তাদের স্বার্থ অবশ্যই সংরক্ষণ করবেন। কৃষকরা যাতে ফসলের ন্যায্য মূল্য পায়, তা অবশ্যই তিনি দেখবেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, সরকারের গ্রামকে শহরে রূপান্তর করার যে অঙ্গীকার তা কৃষকের ফসল বিক্রি করেই করা হবে। এরজন্য যা যা করা প্রয়োজন, কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণ, বাণিজ্যিকীকরণ করাসহ কৃষকদের সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে।
আলোচনায় অংশ নিয়ে, শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ হুমায়ুন বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে শিল্পখাতের অবদান ক্রমাগত বাড়ছে। শিল্পখাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি যথাযথ সুরক্ষার মাধ্যমে বিদ্যমান শিল্পের উৎপাদন ক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার, রপ্তানীমুখী শিল্পের বহুমুখী প্রসারের প্রচেষ্টা রয়েছে।
তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে শিল্প অর্থনৈতিক সার্ভিস খাতে রাখা হয়েছে ৩ হাজার ৮৯১ কোটি টাকা। মূশকমুক্ত টার্নওভারের সীমা ৫০ লাখ টাকা, টার্নওভার করের উর্ধ্বসীমা ৪০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ কোটি টাকা এবং বিপুল সংখ্যক আইটেম মূশকের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। এর ফলে ব্যবসা বাণিজ্য ও শিল্পায়নের ধারা আরো জোরদার হবে। প্রস্তাবিত বাজেটে ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নে বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা হয়েছে। ১৯টি অবকাঠমোতে বিনিয়োগ করলে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত কর অবকাশ সুবিধা অব্যাহত রাখা হয়েছে। এগুলো হলো-গভীর সমুদ্রবন্দর, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, ফ্লাইওভার, গ্যাস পাইপলাইন, হাইটেক পার্ক, আইসিটি ভিলেজ, সফটওয়্যার টেকনোলজি জোন, তথ্যপ্রযুক্তি পার্ক, বড় পানি শোধনাগার, পানি সরবরাহের পাইপলাইন, এলএনজি টার্মিনাল, ট্রান্সমিশন লাইন, মোবাইল ফোনের টাওয়ার ও টাওয়ার শেয়ারিং অবকাঠামো, মনোরেল, র‌্যাপিড ট্রানজিট, নবায়নযোগ্য জ্বালানী, সমুদ্র-নদীবন্দর সড়ক ও সেতু, ভূগর্ভস্থ রেল ও বর্জশোধনাগার। এর পাশাপাশি প্রস্তাবিত বাজেটে অঞ্চলভিত্তিক ২৫টি শিল্পে বিনিয়োগের জন্য ২০২৪ সাল পর্যন্ত কর অবকাশ সুবিধা দেয়া হয়েছে।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে এলাকাভিত্তিক শিল্প সম্ভাবনা কাজে লাগাতে কর অবকাশ সুবিধা দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। ঢাকা বিভাগে ঢাকা, নারায়নগঞ্জ ও গাজিপুর জেলা, চট্টগ্রাম বিভাগে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান জেলা ছাড়া অন্য জেলা, ময়মনসিংহ বিভাগে শহরের বাইরে শিল্প স্থাপনে উদ্যোক্তারা ৫ বছর কর অবকাশ সুবিধা পাবেন। রাজশাহী, বরিশাল ও রংপুর বিভাগে সিটি কর্পোরেশনের বাইরে এবং রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে শিল্প স্থাপনের ক্ষেত্রে ১০ বছর মেয়াদী কর অবকাশ সুবিধা দেয়া হবে। প্রস্তাবিত বাজেটে দেশীয় শিল্পের সুরক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন জোট সরকার গঠন করেন। অপর দিকে হাওয়া ভবনে অঘোষিত বিকল্প সরকার গঠন করেন তারেক রহমান। এই হাওয়া ভবন থেকে সারা দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে প্রশাসন সবকিছু পরিচালিত হতো। এই হাওয়া ভবনের কারণে দেশে ভয়াবহ সমস্যা দেখা দেয়। একদিকে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় খাদ্য সংকট, বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে আসে, রেমিট্যান্স ও বৈদেশিক মূদ্রার রিজার্ভ কমে যায়, দুর্বৃত্তায়নের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের এক দুর্নীতিগ্রস্ত রাষ্ট্র হিসেবে তালিকাভূক্ত হয়। হাওয়া ভবনের কমিশন বাণিজ্যের কারণে স্যামসাং, টাটা কোম্পানীসহ বিশ্বের অনেক বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান এদেশে বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত হয়।
তিনি বলেন, সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া, আহসানুল্লাহ মাস্টারসহ আওয়ামী লীগের ২৬ হাজার নেতাকর্মীকে তারা হত্যা করে। ২০০৪ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেনেড হামলা করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এই অবস্থা থেকে উঠে এসে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজকে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ। রপ্তানী আয় বেড়েছে, দারিদ্রতা হ্রাস পেয়েছে, রিজার্ভ ও রেমিটেন্স বেড়েছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে, খাদ্যে দেশ এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ, সমুদ্র সামানা ও ছিটমহল সমস্যার সমাধান হয়েছে, মহাকাশে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট পাঠিয়েছে, আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশ এখন একটি আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
মৎস ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু বলেন, মৎস উৎপাদন, আহরণ, সংরক্ষণ, ফরমালিনমুক্ত মাছ সরবরাহ এবং কাপ্তাই লেকে মৎস উৎপাদন বৃদ্ধি করে মৎস উন্নয়ন কর্পোরেশন মৎস খাতের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।
তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগরে জরিপ ও গবেষণা কার্যক্রম চালিয়ে ৩৬৪ প্রজাতির মাছ ও হাঙ্গর, ৩৩ প্রজাতির চিংড়ি ও লবস্টার, ২১ প্রজাতির কাঁকড়াসহ ৪৩০টি ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির মৎস সংরক্ষণ করা হয়েছে। দেশে কাঁকড়া ও কুচিয়া চাষের মাধ্যমে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১৮৯ মেট্রিক টন হিমায়িত কাঁকড়া রপ্তানী করে ১৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা এবং ১১ হাজার ২৪৬ মেট্রিক টন জীবন্ত কুচিয়া রপ্তানী করে ২০৩ কোটি টাকা বৈদেশিক মূদ্রা অর্জন করেছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে মোট অভ্যন্তরিন উৎপাদনে জিডিপিতে প্রাণীসম্পদ খাতের অবদান ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ, কৃষি জিডিপিতে যা প্রায় ১৩ দশমিক ৪৬ শতাংশ। ২০১৭ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশ ছাগলের মাংস উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ, দেশে দুধ উৎপাদন হচ্ছে চাহিদার ৬২ দশমিক ৬ শতাংশ। শিগগিরই বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করবে। মাংস উৎপাদনে ইতোমধ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি।
তিনি প্রাণীসম্পদ খাতে খামারিদের কর অবকাশ দেয়, পোল্ট্রি ও ডেইরি শিল্পে খামারিদের ২০২৫ সাল পর্যন্ত কর অবকাশ সুবিধা দেয়া, সয়াবিন মিলের উপর থেকে ৫ শতাংশ রেগুলারিটি বিল প্রত্যাহার, পোল্ট্রি ও ডেইরি ফার্মের উপর থেকে ভ্যাট প্রত্যাহারসহ পোল্ট্রি, ডেইরি ও প্রাণীসম্পদ খাতে আরোপিত সকল কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব করেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বিগত ১০ বছরে উপকূলীয় অঞ্চলে ১শ’টি ঘুর্নিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করেছে এবং আরো ২২০টি ঘূর্নিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। আইলা বিধ্বস্ত এলাকায় ৬ গাজার ৯০টি ঘূর্ণিঝড় সহনীয় গৃহ নির্মাণ করেছে।
তিনি জানান, গৃহহীনদের জন্য ৪শ’ বর্গফুটের দুর্যোগ সহনীয় ১১ হাজার ৬০৪টি গৃহ নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। আগামীতে আরো ৩ লাখ গৃহ নির্মাণ করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশকে জাপানের মতো ভূমিকম্প সহনীয় রাষ্ট্রে পরিনত করার জন্য জাপানের উন্নয়ন সংস্থা জাইকার সাথে আলোচনা হয়েছে এবং কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য প্রস্তাবিত বাজেটে আমদানীকৃত গুড়ো দুধের উপর ৫ শতাংশ করারোপের প্রস্তাবকে যথার্থ ও সময়োপযোগী উল্লেখ করে বলেন, আমদানীকৃত গুড়ো দুধে পুষ্টিমান অনেক কম থাকে।
তিনি বলেন, মিল্কভিটার দুধে ফরমালিন ও আর্সেনিক রয়েছে বলে এক শ্রেণির ব্যবসায়ী অপপ্রচার চালাচ্ছে। এই অভিযোগ সত্য নয়। মিল্কভিটার দুধে ক্ষতিকর কোন উপাদান নেই, এটা বিএসটিআই পরীক্ষা করেছে। মিল্কভিটার দুধ আমদানীকৃত যেকোন গুড়ো দুধের চেয়ে অনেক ভাল এবং পুষ্টিমান সমৃদ্ধ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সরকারি দলের সদস্য ডা. আ ফ ম রুহুল হক বলেন, এই সরকারের স্থায়ীত্ব আরো ১৫ বছর থাকা প্রয়োজন। তাহলে এই দেশ শুধু ডিজিটালই হবে না, একটি সুপার হাইটেক কান্ট্রিতে পরিনত হবে।
তিনি বলেন, প্রবৃদ্ধি হার আরো ৫ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়াতে পারলে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে অন্যতম শক্তিশালী দেশে পরিনত হবে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৬৫ বার

Share Button

Calendar

July 2019
S M T W T F S
« Jun    
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031