শিরোনামঃ-


» মুক্তিযুদ্ধকালীন সেক্টর কমান্ডার সি আর দত্তের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে

প্রকাশিত: ৩১. আগস্ট. ২০২০ | সোমবার

মুক্তিযুদ্ধকালীন ৪ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার মেজর জেনারেল (অব.) চিত্ত রঞ্জন দত্ত (সি আর দত্ত) বীর উত্তমের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল পৌনে ৯টার দিকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তার মরদেহ দেশে পৌঁছায়। 

বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিন্দ্র কুমার নাথ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

চিত্ত রঞ্জন দত্ত (সি আর দত্ত) বীর উত্তম যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাংলাদেশ সময় ২৫ আগস্ট (মঙ্গলবার) সকাল সাড়ে ৯টার (নিউইয়র্ক সময় সোমবার রাত সাড়ে ১১টা) দিকে মারা যান। তিনি বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।

ওইদিন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত বলেন, গত বৃহস্পতিবার নিজ বাসভবনের বাথরুমে পড়ে যান সি আর দত্ত। এতে তার পা ভেঙে যায়। এরপর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। ২৫ আগস্ট সকালে তার মৃত্যু হয়।

চিত্ত রঞ্জন দত্তের জন্ম ১৯২৭ সালের ১ জানুয়ারি আসামের শিলংয়ে। তার পৈতৃক বাড়ি হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশি গ্রামে। বাবার নাম উপেন্দ্র চন্দ্র দত্ত এবং মায়ের নাম লাবণ্য প্রভা দত্ত। শিলংয়ের লাবান গভর্নমেন্ট হাইস্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলেন তিনি। পরে তার বাবা চাকরি থেকে অবসর নিয়ে হবিগঞ্জে এসে স্থায়ী বসবাস শুরু করেন। হবিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাই স্কুল থেকে ১৯৪৪ সালে তিনি মাধ্যমিক পাস করেন। পরে কলকাতার আশুতোষ কলেজে বিজ্ঞান শাখায় ভর্তি হয়ে ছাত্রাবাসে থাকা শুরু করেন। পরে খুলনার দৌলতপুর কলেজের বিজ্ঞান শাখায় ভর্তি হন৷ পরে এই কলেজ থেকেই বিএসসি পাস করেন।

চিত্ত রঞ্জন দত্ত ১৯৫১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন৷ কিছুদিন পর ‘সেকেন্ড লেফটেনেন্ট’ পদে কমিশন পান। ১৯৬৫ সালে সৈনিক জীবনে প্রথম যুদ্ধে লড়েন তিনি। ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে পাকিস্তানের হয়ে আসালংয়ে একটা কোম্পানির কমান্ডার হিসেবে যুদ্ধ করেন। এই যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য পাকিস্তান সরকার তাকে পুরস্কৃত করে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১০১ বার

Share Button