» শিবনারায়ণ রায় ও তাঁর অনন্ত জিজ্ঞাসা

প্রকাশিত: ২৮. আগস্ট. ২০২০ | শুক্রবার

কামরুল হাসান

তিনি যে বড়ো পণ্ডিত তা আমি ঘুণাক্ষরেও জানতাম না, আমি জানতাম তিনি ‘জিজ্ঞাসা’ পত্রিকার সম্পাদক। কী করে যেন পত্রিকাটি আই আই টি খড়গপুর ক্যাম্পাসে এসেছিল কে জানে? যদ্দুর মনে পড়ে মেটালার্জির প্রফেসর উদয় চট্টোপাধ্যায় এর গ্রাহক ছিলেন, তিনি অনুপ্রাণিত করেছিলেন কবিতা পাঠাতে। ‘জিজ্ঞাসা’ কবিতার পত্রিকা ছিল না মোটেই, তা ছিল দর্শন ও সমাজভাবনার পত্রিকা, তবু কবিরা কবিতা পাঠাত। পরে এক ঘরোয়া আড্ডায় শিবনারায়ণ রায় নিজেই এ ব্যাপারে বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন কবিরা কী ভেবে যে কঠিন গদ্যের পত্রিকায় কোমল কবিতা পাঠায় তা তিনি ভেবে পান না। ত্রৈমাসিক পত্রিকা ছিল ‘জিজ্ঞাসা’। তিন মাসে ৪-৫ শত কবিতা এসে জড়ো হতো শিবনারায়ণ রায়ের হাতে। এত কবিতাকে ফেলে দিতে প্রাণে বাজতো তাঁর, তাই দয়াপরবেশ হয়ে কিছু কবিতা ছাপতেন, অথচ হাতে তুলবার মতো তিন-চারটি কবিতা তিনি পেতেন না। কেবল ‘জিজ্ঞাসা’-য় নয়, তিনি জানালেন কলকাতার সাপ্তাহিক ‘দেশ’ থেকে শুরু করে শিলিগুড়ি, কুচবিহার হয়ে বীরভূম, বর্ধমান, চব্বিশ পরগণা, মেদিনীপুর পর্যন্ত গোটা পশ্চিমবঙ্গে প্রতিমাসে প্রকাশিত হয় ৭০-৮০টি লিটল ম্যাগাজিন, যাতে আনুমানিক ১০০০-১২০০ কবিতা মুদ্রিত হয়। সেই বিপুল কবিতাভাণ্ডার থেকে তিনি দশটি ভালো কবিতা খু্ঁজে পান না। শুনে হতভম্ব আমরা সকলেই, অনেকেই হতাশ, কেননা প্রফেসর উদয় চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে জড়ো হওয়া তরুণ কবিদের একটি অপ্রকাশিত এবং দুর্ণিরীক্ষ্য নয় এমন আকাঙ্ক্ষা ছিল ‘জিজ্ঞাসা’-য় কবিতা প্রকাশ। তিনি পণ্ডিত মানুষ, উন্নাসিক হবেন এটাই স্বাভাবিক, তাই বলে অতখানি? আমি মনে মনে আহ্লাদিত, কেননা ইতিমধ্যে ‘জিজ্ঞাসা’-য় আমার দুটি ডাকে পাঠানো কবিতা ছাপা হয়েছে, তিনি আমাকে চিনতেন না কোনোভাবেই, চেনার প্রশ্নই নেই। তাঁর উন্নাসিক মন্তব্যের পরেও আমি তাই ঘাবড়ে যাইনি। লোহালক্কড়ের প্রকৌশল শাস্ত্রের ছাত্র হয়েও আমি যে চাঁদজ্যোৎস্নার কবিতার জগতে থেকে গেলাম তার অনেকগুলো প্রণোদনার একটি হলো এই ঘটনা।

ওই একবারই আমি তাকে আই আই টি খড়গপুর ক্যাম্পাসে দেখেছিলাম। তিনি এসেছিলেন বিদ্যাসাগর মেমোরিয়াল বক্তৃতা দিতে, আমন্ত্রিত হয়ে। আই আই টি খড়গপুরের ১২টি আাবাসিক হলের একটি হলো ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নামে। প্রতিবছর একজন প্রথিতযশা বুদ্ধিজীবিকে আমন্ত্রণ জানানো হয় বক্তৃতা দিতে। সে বছর, আমাদের সৌভাগ্য, শিবনারায়ণ রায় এসেছিলেন। নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বোস অডিটোরিয়ামে মুগ্ধ হয়ে শুনেছিলাম শিবনারায়ণ রায়ের পাণ্ডিত্যপূর্ণ বক্তৃতা। তাঁর বক্তৃতা শুনতে সেদিন কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে উঠেছিল নেতাজী অডিটোরিয়াম। কেন তাকে পণ্ডিত বলা তার মর্ম কিছুটা হলেও আঁচ করতে পেরেছিলাম। সকালে ওই বক্তৃতার পরে, বিদ্যাসাগর হলে দুপুরের বিশেষ আপ্যায়নের পরে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে চলে গিয়েছিলেন ভিদনিবাসে (নিদনিবাসও বলা যায়)। তাঁর বিকেলটি ছিল ফাঁকা, এরই সুযোগ নিয়েছিলেন প্রফেসর উদয় চট্টোপাধ্যায়, আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন বৈকালিক চায়ের আড্ডায় ঘরোয়া বৈঠকে।

সম্ভবত এর পরের বছরেই আমি শান্তিনিকতনে পৌষমেলায় যাই। দীর্ঘ ১৮ বছর অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িয়ে শিবনারায়ণ রায় ভারতে ফিরে এসে শান্তিনিকতনের রবীন্দ্র ভবনের অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি ছিলেন ভারততত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান। মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে তার আরও ছয় বছর চুক্তি ছিল, কিন্তু তিনি মোটা মাইনের চাকরির প্রলোভন ছেড়ে স্বদেশের টানে ফিরে আসেন। তাকে ভারততত্ত্বের আন্তর্জাতিক অথরিটি মনে করা হয়। এ বিষয়ে বক্তৃতা করার জন্য তাকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, বিশেষ করে ইউরোপের দেশগুলো ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রিয়া, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, সুইজারল্যান্ড, হাঙ্গেরি অতিথি করে নিয়ে গিয়েছিল। মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া তিনি আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড ও শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়, ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ ও লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় এবং জার্মানির গ্যোয়েটে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িয়েছেন। এই তালিকা বলে দেয় তিনি কত উঁচুদরের পণ্ডিত ছিলেন এবং পশ্চিমা বিশ্ব তাকে কী মর্যাদা দিত! তাঁর সম্পর্কে দার্শনিক ব্রাট্রান্ড রাসেল যা বলেছিলেন তা হতে পারে প্রণিধানযোগ্য, “আমি মনে করি শিবনারায়ণ রায় এমন একটি স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারী যা পৃথিবীর সকল অংশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, আমাদের সময়ের অধিকাংশ লেখকের তুলনায় তার লেখা অধিকতর যুক্তিযুক্ত।”

সেই একবারই আমি পৌষমেলায় গিয়েছিলাম। সেবারই প্রথম অমর্ত্য সেনকে দেখতে পেয়েছিলাম। এক বিকেলে গিয়েছিলাম শিবনারায়ণের বাড়ি তার সাথে দেখা করতে। একটি চমৎকার বাগানবেষ্টিত বাড়িতে তিনি থাকতেন, চাষ করতেন গোলাপের। মনে আছে আমার কৌতুহল দেখে গোলাপের বাগান ঘুরিয়ে দেখিয়েছিলেন। সে পর্যন্ত আমাদের ফুলকেন্দ্রিক আলোচনা ভালোই এগুচ্ছিল, গোল বাঁধল আমি যখন জানতে চাইলাম বিপ্লবী মানবতাবাদ (Radical Humanism) আন্দোলন কেন ব্যর্থ হয়েছিল। মনে হয় ‘ব্যর্থ’ শব্দটি তার পছন্দ হয়নি, তিনি মুখের উপর বলে দিলেন, কম পড়াশোনা করে প্রশ্ন করলে উত্তর দেওয়া যায় না। তিনি উত্তর দিলেন না, আমাদের আলোচনার সেখানেই ইতি ঘটল। মনে আছে আমি আহত বোধ করেছিলাম, তাঁর তুলনায় আমার পড়াশোনা ছিল নগন্য আর বিপ্লবী মানবতাবাদ সম্পর্কে তার চেয়ে সম্ভবত গোটা দুনিয়ায় আর কেউ বেশি জানত না। যিনি জানতেন তিনি ঐ মতবাদের জনক, তার নাম মানবেন্দ্র নাথ রায় বা সংক্ষেপে এম এন রয়। শিবনারায়ণ রায় ছিলেন এম এন রয়ের শিষ্য, খুব সম্ভবত এক নম্বর শিষ্য। ১৯৪৬ সালে এম এন রয়ের সাথে দেখা হবার পর থেকেই তিনি বিপ্লবী মানবতাবাদে বিশ্বাসী হয়ে ওঠেন। এর আগে বিশ্বাসী ছিলেন মার্কসবাদে, যেমনটা ছিলেন তার গুরু এম এন রয়।

একথা সকলের জানা যে মানবেন্দ্র নাথ রায় প্রথম কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিকের একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন, আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট আন্দোলনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে ওঠা তিনিই প্রথম ভারতীয় যিনি মেক্সিকো ও ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠার সাথে যুক্ত ছিলেন। সেটা ১৯২১ সাল, আজ থেকে একশ বছর আগের ঘটনা। ওই বছরেই শিবনারায়ণ রায়ের জন্ম। বেঁচে থাকলে তিনি এখন শতায়ু হতেন। তাঁর বাবা প্রফেসর উপেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ শাস্ত্রী ছিলেন শিক্ষক, যিনি সংস্কৃত ও ইংরেজিতে ৫০টি গ্রন্থ রচনা করেছেন। শিবনারায়ণ রায়ের মা রাজকুমারী রায় কম বিদূষী ছিলেন না। তিনি ছিলেন একজন কবি। পুত্র বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন আর মায়ের অনুসরণে কবিতা লিখতেন। জেনে আশ্চর্য হই এই রাজনৈতিক তাত্ত্বিক ও দর্শনের পণ্ডিতের প্রথম বইটি কবিতার। ১৯৫১ সালে প্রকাশিত বইটির নাম ‘কথারা তোমার মন’। ‘জিজ্ঞাসা’-র জন্য পাঠানো কবিতাগুলো যে তিনি ফেলে দিতে পারতেন না, কিছু কিছু ছাপাতেন, তার মূলে হয়তো প্রথম জীবনের কবিতাপ্রেম, মায়ের স্মৃতি জড়িয়ে থাকতে পারে। তবে দীর্ঘকাল ওই পর্যন্তই, কবিতার বই তিনি প্রকাশ করেননি। কেবল জীবনের পড়ন্তবেলায়, এটা বোধকরি অনেকের বেলাতেই ঘটে, তার মাঝে ফিরে এসেছিল কবিতা। সত্তর ছুঁয়ে লিখলেন ‘খোয়াব দেখি সত্তরেও’।

পণ্ডিত মানুষটির প্রতি, তিনি কড়া কথা বলেন জেনেও, একটা দুর্মর আকর্ষণ ছিল আমার। এর বড়ো কারণ হতে পারে আমার চারটি কবিতা তিনি জিজ্ঞাসার চারটি সংখ্যায় ছেপেছিলেন। আর এক কারণ নিজে যত মূর্খই হই, পণ্ডিত লোকদের প্রতি একটা কৌতূহল অনুভব করি। একবার কলকাতায় সল্ট লেকের বাড়িতে তাঁর সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম। গিয়ে তাকে পাইনি, কথা হয়েছিল তাঁর শুচিস্মিতা সুহাসিনী পুত্রবধূর সাথে। শিবনারায়ণ রায়ের একতলা বাড়িটি বোঝাই ছিল বইয়ে, সব ঘরে বই আর বই। এমন বইবোঝাই বাড়ি দেখেছিলাম লন্ডনে এক war journalist এর বাড়িতে, চিলেকোঠা থেকে শুরু করে বেসমেন্ট পর্যন্ত বই আর পত্রপত্রিকা ভর্তি। অমন বাড়ি বোধকরি জ্ঞানগম্যিতে বড়ো হয়ে প্রতিবেশের অন্য বাড়িগুলো থেকে আলাদা হয়ে যায়।

আমরা প্রায়শই একটি কথা বলি, কথাটি হলো ভবিষ্যতে বাংলা ভাষার কেন্দ্র হবে বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ নয়। একথা কোনো বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবি বলেননি, প্রথম বলেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের বুদ্ধিজীবি শিবনারায়ণ রায়। তার কথাটি ছিল ভাষা হিসাবে বাংলার যদি কোথাও বিকশিত হবার সম্ভাবনা থাকে, তবে সেটা বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ নয়। তাঁর আরেকটি কথাও খুব উদ্বৃত হয় ‘সাহিত্যিক সম্পদ ও বৈচিত্র্যে গোটা দুনিয়ায় রবীন্দ্রনাথের সমতুল্য হলেন একমাত্র গ্যোয়েটে।’ ঠিক পিতার মতোই তাঁর গ্রন্থসংখ্যা অর্ধশতাধিক। কিন্তু পুত্রের রচনাবলী অধিকতর মূল্যবান ও প্রাসঙ্গিক। উপরন্তু তাদের বিষয় বৈশ্বিক। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ তালিকায় রয়েছে ‘সাহিত্য চিন্তা’, ‘মৌমাছি তন্ত্র’, ‘নায়কের মৃত্যু’, প্রবাসের জার্নাল’, ‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি,’ ‘স্বদেশ স্বকাল স্বজন,’ প্রভৃতি। দার্শনিক রোমা র‍্যোঁলার উপর সম্পাদিত গ্রন্থ The Universe of Man গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। তেমনি গান্ধীর উপর সম্পাদনা করলেন। প্রাচ্য, বিশেষ করে ভারতবর্ষ, নিয়ে পাশ্চাত্যের বিপুল আগ্রহ আছে। তারা এমন কাউকে খোঁজেন যিনি ভারত সম্পর্কে তাদের জিজ্ঞাসার উত্তর দিতে পারবেন, আলো ফেলতে পারবেন অজ্ঞতা ও অন্ধকারে। তারা শিবনারায়ণ রায়কে খুঁজে পেয়েছিলেন। অগাধ জ্ঞানের সাথে ক্ষুরধার যুক্তি, একটি স্বচ্ছ দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি ও আন্তর্জাতিক মানস তাকে করে তুলেছিল মূল্যবান।

আমি বাংলাদেশে চলে আসার পরে তাঁর সাথে সংযোগ কমে আসে, তিনি চেয়েছিলেন আমি ‘জিজ্ঞাসা’ পত্রিকার গ্রাহক সংগ্রহ করি এবং ঢাকায় পত্রিকাটির বিতরণে ভূমিকা রাখি। এই আকাঙ্ক্ষা আমার প্রতি তাঁর স্নেহ ও নির্ভরতার প্রতীক। কিন্তু আমি জড়িয়ে পড়েছি ওই যে যাকে বলে বিবাহ-বঁধূ-সন্তান-চাকরি-বাজার-স্কুল এর চক্করে। নতুন বিবাহ হয়তো করি না, কিন্তু নতুন নতুন সব চাকরি নেই আর ছাড়ি, সন্তান সংখ্যা বেড়ে চলে। আমি তাঁর ইচ্ছেমতো কাজ করতে পারিনি। তাকে সর্বশেষ দেখি ১৯৯২ সালের অমর একুশে বইমেলায়। সে বছর আমরা পাঁচজন তরুণ কবি মঙ্গলসন্ধ্যার ব্যানারে পাঁচটি সাদা আর্ট পেপারে ছাপা পিন দিয়ে সাঁটা দেড় ফর্মার মিনি কাব্য প্রকাশ করেছিলাম। আমি তাকে আমার বইটি দিলে তিনি সকলের সমুখেই আমার কবিতার প্রশংসা করেছিলেন। ২০০৮ সালে ৮৭ বছর বয়সে তিনি শান্তিনিকেতনে মৃত্যুবরণ করেন। পিতামাতার মতো দীর্ঘজীবনই তিনি পেয়েছিলেন। এক অসামান্য জীবন! শেষ ইচ্ছা অনুসারে তাঁর মরদেহ কলকাতার একটি মেডিকেল কলেজে ছাত্রদের এনাটমি শেখার জন্য দান করা হয়। মনে পড়লো ড. আহমদ শরীফের অনুরূপ দানের কথা। এ যেন সেই গানের কথার প্রতিধ্বনি- এনেছিলে সাথে করে মৃত্যুহীন প্রাণ, মরণে তাহাই তুমি করে গেলে দান।’ তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১৭০ বার

Share Button