» শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস

প্রকাশিত: ২২. জানুয়ারি. ২০২০ | বুধবার

পংকজ কুমার নাগ শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি : শ্রীমঙ্গলে আজ ২২ জানুয়ারি দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস । এবারের শীতে এখন পর্যন্ত এটিই শ্রীমঙ্গলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ।

গতকাল মঙ্গলবারও শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল । উপজেলা জুড়ে ভোরে হালকা কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকলেও শীতের তীব্রতা ছিলো কনকনে ।

বিগত কয়েকদিন যাবত শ্রীমঙ্গলের ওপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের আবহাওয়া সহকারি জাহেদুল ইসলাম মাসুম । তিনি জানান শীতের তীব্রতা আরো আরো বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে । তবে এটিই হতে পারে এবারের শীতের তীব্রতার শেষ ভাগ । 

গত ৬০ বছরের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় বিভিন্ন সময়ই এখানকার তাপমাত্রা দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড ছুঁয়েছে । পরিসংখ্যান অনুযায়ী ১৯৬৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ২.৮ ডিগ্রি এবং ১৯৬৬ সালের ২৯ জানুয়ারি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস । ১৯৯৫ সালের ৪ জানুয়ারি,  ২০০৭ সালের ১৭ জানুয়ারি, ২০১৩ সালের ১০ জানুয়ারি শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ডহয়েছিল ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ।

এ প্রসঙ্গে শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জানান, শ্রীমঙ্গল উপজেলার শীতার্ত মানুষের মাঝে বিতরনের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রান ভান্ডার থেকে ৪ হাজার ৬৮০ টি কম্বল বরাদ্দ পাওয়াযায় । তাছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্হাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয় থেকে ১ হাজার১১১ টি কম্বল বরাদ্দ এসেছিলো, যা ইতিমধ্যে উপজেলার শীতার্ত মানুষের মাঝে বিতরন করা  হয়েছে । এছাড়াও জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় থেকে ২৭৭ টি কম্বল ও শিশুদের জন্য ৩০০ টি শীতবস্ত্র বরাদ্দ এসেছিলো । এগুলোও ইতিমধ্যে উপজেলায় শীতার্তদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে । 

ব্যক্তি পর্যায়, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উপজেলার বিভিন্ন স্থানে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র, কম্বল, মাফলার টুপি বিতরণ করছে বলে জানা গেছে ।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খোঁজ নিয়ে জানা যায় ঠান্ডা জনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছে শিশুরা ও বৃদ্ধজনরা । নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা তুলনামূলক কম হলেও সর্দি-জ্বর, সর্দিকাশি, মাথাব্যথা জনিত কারনে বেশিরভাগ রোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন প্রতিদিন । 

এদিকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের কারনে শহরের সাইফুর রহমান মার্কেটে দেখা গেছে শীতবস্ত্র ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড় । বিগত দু’সপ্তাহ ক্রেতা সংখ্যা কম থাকলেও গত দুইদিন যাবত আবার ক্রেতা সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা । 

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৩০৫ বার

Share Button

Calendar

October 2020
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031