» সারাবিশ্বের অভুুক্ত শিশুদের পাশে দাঁঁড়ানো যায় না ?

প্রকাশিত: ২৬. মার্চ. ২০২০ | বৃহস্পতিবার


মোজাফফার বাবু

মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের জন্য।মা বাবার সাথে ট্রেনে করে যাচ্ছিলেন শিশু তিরনেলিভেলি হাপা।তার মা বাসা থেকে তার জন্য দুধ নিয়ে আসেন।কিন্তু অসাবধানতাবশত দুধটি নষ্ট হয়ে যায়।পরবর্তী স্টেশন রত্নগিরি অনেক দূরে।শিশুর ক্ষুধা লেগে যায়।এতো দীর্ঘ রাস্তা শিশুকে অভুক্ত থাকতে হবে।বাবা-মা কোনোভাবেই দুধ সংগ্রহ করতে পারচ্ছিলেন না।ব্যাপারটি নজরে আসল আনাগা নামক পাশে বসা এক যাত্রীর।তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টুইটারে রেল মন্ত্রনালয়ের একাউন্টে ব্যাপারটি লিখে সাহায্য চাইলেন। ব্যাপারটি রেল মন্ত্রনালয়ের নজরে আসার সাথে সাথে তারা দ্রুত দুধ পাঠিয়ে দেন।ফলে ক্ষুধা থেকে মুক্তি পায় শিশুটি।

দুধ পেয়ে ক্ষুধা নিবারণ হওয়ায় তখন শিশুটি মনের আনন্দে মায়ের কোলে লুটোপুটি করছে।ধন্যবাদ কর্তৃপক্ষকে দ্রুততর সময়ে এ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য।

পাশাপাশি আমরা যদি সমগ্র বিশ্বের কথা ভাবি,আজ সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দায় নাকাল অবস্থা।মধ্যপ্রাচ্য সহ নানা দেশে অন্যায় যুদ্ধ-বিগ্রহ,অস্ত্র বিক্রির কলহ, গণহত্যায় মানুষের জীবনের আজ ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা।দক্ষিন আফ্রিকার উগান্ডা,সোমালিয়া, ইথিওপিয়ায় দুর্যোগে,দুর্ভিক্ষে শিশু,আবাল – বৃদ্ধ-বণিতাদের যায় যায় অবস্থা।তাদের আহার নিদ্রা সুখ সব কেড়ে নিয়েছে।
আজ যেমন পাঁচ মাস বয়সী শিশু তিরনেলিভেলি হাপার ক্ষুধার জন্য সবাই একাত্মতা ঘোষনা করলো।তেমনিই সবাই যদি বিশ্বের বঞ্চিত ভুখা নাঙ্গা ্মানুষুএর জন্য ভুমিকা রাখতো তাহলে সবাই নির্মুল নিঃশ্বাস গ্রহন করতো।অনাগতরদের জন্য ক্ষূধা, দ্রারিদ্যমুক্ত নতুন বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে পারতো।যেন সমস্ত বিশ্বই একটি পরিবার।কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য ভাষায় বলতে হয় ” এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি “

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১৯৪ বার

Share Button

Calendar

September 2020
S M T W T F S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930