» সিরাজগঞ্জে বন্যা , বানভাসি মানুষের হাহাকার

প্রকাশিত: ২০. সেপ্টেম্বর. ২০২০ | রবিবার

 

শরিফুল ইসলাম শরিফ

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীতে পানি সামান্য কমলেও সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ৫ সেন্টিমিটার কমে আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে বিপদসীমার ৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

অন্যদিকে কাজিপুর পয়েন্টে ১২ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যমুনা নদীর পানি কমলেও অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বানভাসি হাজার হাজার মানুষ আবারো বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও আশ্রয় কেন্দ্রগুলিতে আশ্রয় নিয়েছে। চতুর্থ দফায় বন্যা কবলিত হওয়ার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনও ত্রাণ সহায়তা পায়নি বানভাসিরা।
এদিকে কয়েকদিন যাবত পানি বৃদ্ধিও ফলে নদী তীরবর্তী এলাকায় শুরু হয়েছে নদী ভাঙন। আবারো ভাঙন দেখা দিয়েছে সদর উপজেলার পাঁচঠাকুরী এলাকায়।
এর আগে শনিবার দুপুরে যমুনার হঠাৎ করেই সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ছোনগাছা ইউনিয়নের পাঁচঠাকুরী এলাকার ভাঙন দেখা দেয়। প্রবল স্রোতে আর ঘূর্ণাবাতের কারণে মুহূর্তের মধ্যেই নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায় পাঁচঠাকুরী এলাকার একটি মসজিদ। হুমকির মুখে পড়েছে পাঁঠাকুরী, পাড় পাচিল, মাছুয়াকান্দিসহ বেশ কয়েকটি এলাকা। এসময় ভাঙন কবলিতদের আহাজারি ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না। ভাঙ্গন আতংকে অনেকেই ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে যাচ্ছে।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই আমরা ওই এলাকায় বালুর বস্তা ফেলে ভাঙন রোধ করেছিলাম। কিন্তু হঠাৎ পানি বৃদ্ধি শুরু হওয়ায় ওই এলাকায় তীব্র ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হয়।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১০০ বার

Share Button

Calendar

October 2020
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031