হাওরে হাঁসের হাসি

প্রকাশিত: ৯:২১ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৮, ২০২০

হাওরে  হাঁসের হাসি

পরীক্ষিৎ চৌধূরী

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপগেলার হাওরে বসে কথা হচ্ছিল একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা রোকেয়া পারভিনের সাথে। চারদিকে স্বচ্ছ জলের নাচন। থই থই জলে জাল দিয়ে ঘেরা নানান রঙের হাঁস। নানান রঙে রাঙানো হাঁসের ঝাঁক। কার হাঁস কোনগুলো তা বোঝার জন্য মালিক তার তাদেরকে পৃথক রঙে সাজিয়ে দেন মালিক। হাঁসের বিচরণে জলাশয়ও হয়ে উঠে রঙিন। গ্রামের পথ ধরে হাঁসের ঝাঁক নিয়ে হেঁটে চলেছে নারী-পুরুষ, এমন দৃশ্যও চোখে পড়ে। দ্বীপের মতো ভেসে থাকা ছোট ছোট গ্রাম। আবহমান বাংলার অন্যান্য গ্রামের চাইতে বাড়তি এক অন্যরকম সৌন্দর্য ধারণ করে আছে হাওরের গ্রামগুলো।
রোকেয়া জানালেন, এই এলাকার জীবনমান সেখানকার মনোরম দৃশ্যের মতো মোটেই স্বচ্ছন্দ নয়, নানান রঙে রাঙানো নয়। শুকনো মৌসুমে অনাবৃষ্টি এবং বর্ষা মৌসুমে উজানের ঢল। দুটোই এখানকার জনগণের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ। কর্মসংস্থানের অভাব এই অঞ্চলের দরিদ্রদেরকে সারাবছর অসহায়ত্বে ডুবিয়ে রাখে। ফলে কিশোরী হওয়ার আগেই মেয়েরা স্কুল থেকে বিদায় নিতে বাধ্য হয় এবং খুব অল্প বয়সেই তাদের বিয়ে দেওয়া হয। এই অঞ্চলের নারীদের স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখাও যেন চরম দুঃসাহস। হাওরের নারীরা ভাঙনের সাথে লড়াই করে বেঁচে থাকার সংগ্রামে অভ্যস্ত। একটি নদীর ভাঙন, অপরদিকে সংসারে ভাঙন।
এখানে প্রায় ছয় মাস থইথই পানি থাকে। যারা কৃষিকাজ করেন তখন পুরুষরা চলে যায় অন্য এলাকায় বা শহরে। নতুন জায়গায় গিয়ে তারা নতুন করে সংসার শুরু করে। পিছনে ফেলে আসে অসহায় স্ত্রী ও সন্তানদের।
ঘোর বর্ষায় যখন ক্রমাগত ভারী বর্ষণ হয় তখন অকস্মাৎ বন্যায় পাড় ভেঙে এখানকার আবাসস্থল হয়ে পড়ে আরো সংকুচিত। যেমনটা ভেঙে পড়লো এই শ্রাবণে। ভাদ্রের শেষ বেলায় গিয়েও এই রূঢ় অথচ নৈমিত্তিক বাস্তবতা চোখে পড়লো। দেখলাম ছোট ছোট বাড়িতে গৃহপালিত পশু-পাখি পালন করে আর ক্ষুদ্র পরিসরে শাকসবজি লাগিয়ে ‘একটি বাড়ি একটি খামার’কেই যেন তারা প্রতিফলিত করে যাচ্ছে।
‘উজান-ভাটির মিলিত ধারা, নদী-হাওর-মাছে ভরা। ‘ছন্দোবদ্ধ এই চরণ দুটি হাওর অঞ্চলের ঐতিহ্যকে তুলে ধরে। মাছ চাষই এখানকার অধিবাসীদের মূল পেশা। তবে সম্প্রতি অগুনতি হাঁসের ঝাঁকের উপস্থিতি হাওর এলাকায় মাছের নিরংকুশ রাজত্বে ভাগ বসিয়েছে। সমন্বিত পদ্ধতিতে জলাশয়ে মাছের সঙ্গে হাঁস-মুরগিও লালন-পালন করছে হাওরবাসীরা।
এখন এসব এলাকায় ধান ও মাছের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী খাত হচ্ছে হাঁস। গ্রামের পুরুষরা তো বটেই গৃহিণীরাও হাঁস পালনে যুক্ত হয়েছেন।
অষ্টগ্রামে বেড়াতে গিয়ে লক্ষ্য করলাম, ঝাঁকে ঝাঁকে হাঁস নিয়ে হেঁটে যাচ্ছে কয়েকজন নারী। তাঁদের সাথে আলাপ জমিয়ে জানা গেল, ঘরেই স্বল্প পরিসরে তাঁরা হাঁস পালন করেন। তাঁদের পরিবারের বড় একটা ব্যয় এখাত দিয়ে মিটে যাচ্ছে। কারো ঘরে ১০টি, কোন ঘরে ২০টি পাতিহাঁস, রাজহাঁস। সরকারের বিভিন্ন বিভাগের পরামর্শ ও সহায়তায় এ অঞ্চলের জনগণ হাঁস পালনে নিয়োজিত। হাঁসের খামার গড়ে তোলার জন্য তাঁরা সরকারের ভ্যাকসিন সহায়তা পেয়ে থাকেন। বেশ কিছু বেসরকারি সংস্থাও এসব এলাকায় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ও বাচ্চা হাঁস সরবরাহ করে ‍ঋণও দিচ্ছে।
এই শিল্পে বেকার যুবকরা সম্পৃক্ত হয়ে তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন করছে, স্বাবলম্বী হচ্ছে। গোটা হাওর এলাকা ছাড়াও জেলার ১৩টি উপজেলায় গড়ে উঠেছে ছোট, বড়, মাঝারি পাঁচ হাজারের বেশি হাঁসের খামার। এসব খামারে উৎপাদিত ডিম ও হাঁস রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ হচ্ছে। দেশের মোট হাঁসের মধ্যে ২৪ শতাংশ হাঁস এখানকার। কিশোরগঞ্জ জেলায় হাঁসের সংখ্যা রয়েছে প্রায় ২২ লাখ। মোট ডিম উৎপাদন হচ্ছে প্রায় ৫০ কোটি। জেলার প্রায় ২৫ হাজার মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এখাতের মাধ্যমে ও জীবিকা নির্বাহ করছেন।
দেশের নতুন পর্যটন স্পট অষ্টগ্রাম-মিঠামইন সড়কে দাঁড়িয়ে কথা বলেছিলাম সালমা বানুর সাথে। তিনি পায় ৭০টি হাঁসের মালিক। তিনি জানালেন, পরিশ্রম কম হয় বলে নারীরাও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার স্বপ্নপূরণের পথ খুঁজে পেয়েছেন হাঁস চাষের মাধ্যমে। গুটিকয়েক হাঁস নিয়ে সীমিত আকারে হলেও এ কর্মযজ্ঞে উদ্যমী নারীদের সম্পৃক্ততা দিন দিন বেড়েই চলছে।
স্বামী পরিত্যাক্তা সালমা বানু প্রথমে এক বেসরকারি সংস্থা থেকে হাঁস-মুরগি পালনের ওপর প্রশিক্ষণ নেন। ঋণ নিয়ে কেনেন ৫০টি হাঁস। এক মাসের মাথায় ৪০টি হাঁস ডিম দিতে শুরু করে। ডিম বিক্রি করে প্রতিদিন শ’ দুয়েক টাকা তাঁর হাতে আসতে থাকে। সেখান থেকে অল্প অল্প করে ঋণের টাকা শোধ করছেন। ছোট ছেলের খাবার যোগাড় করছেন।
সালমার পাশে দাঁড়ানো কিষাণী আয়েশা জানান, তাঁরা খুব গরিব। স্বামী অন্যের জমিতে বর্গা খাটেন। শুকনো মৌসুমে তিনি ধান মাড়াইয়ের কাজ করেন। নিজের জমানো সামান্য কিছু টাকা দিযে হাঁসের খামার গড়েছিলেন বছর দুই আগে। আজ তাঁর দিন বদলেছে। দুই মেয়েকে পড়াশোনা করাচ্ছেন। এখন তাঁর আগ্রহ রাজহাঁস পালনে, এদের রোগবালাই কম হয়, আয়ও বেশি। সালমা জানালেন, আয়েশাকে দেখেই মূলতঃ তিনি হাঁস পালনে উৎসাহ পেয়েছেন।
এ অবস্থা শুধু সালমা, আয়েশার নয়, হাঁস পালন করে এরই মধ্যে অর্থনৈতিক অবস্থা সুদৃঢ় করে আত্মনির্ভরশীল হয়েছেন অষ্টগ্রামের সদর ইউনিয়নের জয়নাব মাঝি, বড়হাটি গ্রামের রাহেলা, দেওঘর ইউনিয়নের সাদিয়ানগর গ্রামের হাসনাসহ পাশের মিঠামাইন, ইটনা, নিকলি উপজেলার অগণিত নারী।
তবে বাস্তবতা হচ্ছে, যেসব নারী হাঁস পালনে এগিয়ে এসেছেন তাঁদের সিংহভাগই সীমিত আকারে এ কাজ করছেন। অন্যান্য উদ্যোক্তার মতো বৃহৎ পরিসরে যাওয়ার ইচ্ছে ও জ্ঞান থাকা সত্বেও পুঁজির অভাবেই এখানকার নারীরা বড় স্বপ্ন দেখতে পারছেন না।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া তথ্যমতে, কিশোরগঞ্জের প্রতিটি উপজেলায ২ থেকে ৩ হাজারের মতো নারী তাঁদের ঘরেই ১৫/২০টি করে হাঁস পালন করেন। ঘরে বসেই প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রান্তিক নারীদের ক্ষমতায়নের গল্প আজ পূর্ণতা পেতে চলেছে।। হাওরাঞ্চলে হাঁস বিপ্লব এনে দিয়েছে তাঁদের মানসিকতায় ইতিবাচক জাগরণ।
এখানকার ঘোরাউত্রা, ধনু, সোয়াইজনী, নরসুন্দা, কালনী, কুশিয়ারা, মেঘনাসহ অসংখ্য প্রতিটি নদী, শাখা নদীর তীরে একটু পরপর হাঁসের খামার গড়ে উঠেছে। বড় খামারগুলোতে সাধারণত ৫০০ থেকে শুরু করে ৩-৪ হাজার পর্যন্ত হাঁস থাকে। প্রতিটি খামারে হাঁসগুলো দেখভাল করার জন্য ৫-৬ জনের লোকের প্রয়োজন হয়। একাজেও প্রত্যক্ষভাবে নারীরা এগিয়ে এসেছে। আমিনুর বেপারি নামে এক খামারির সাথে কথা বলে জানা গেল, মাসে গড়ে দুই লাখ ৪০ হাজার টাকার ডিম বিক্রি করা হয় তাঁর খামার থেকে। প্রতি মাসে প্রায় দুই লাখ টাকা লাভ করার সুযোগ রয়েছে। তাঁর খামারে ৬ জন সহযোগী আছে। এদের মধ্যে ২ জন নারী।
হাওরের উন্নয়ন নিয়ে কাজ করছেন এমন বিশেষজ্ঞদের অভিমত হলো, হাওরের কর্মহীন সময়ে অর্থনীতির চাকা সচল রেখে তাদের স্বাবলম্বী করে তোলার সহজ উপায় হাঁস পালন। এ ক্ষেত্রে গবেষণার বিকল্প নাই। এখাতে সরকারি উদ্যোগকে আরো বিস্তৃত করা প্রয়োজন বলে তাঁরা মনে করছেন।
হাওরের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সরকার নানামুখী প্রকল্প গ্রহণ করেছে। গত বছরের জুলাই থেকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করছে ‘হাওরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন’ প্রকল্প। ১১৮ দশমিক ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্প কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, নেত্রকোনা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৫৩টি উপজেলার ৩৩৮টি ইউনিয়নের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ৫১ হাজার ২৭৬টি পরিবারকে সরাসরি সাহায্য করছে।
হাওরাঞ্চলীয় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর দারিদ্র বিমোচন ত্বরান্বিতকরণে নারীর আত্ম-কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও তাঁদের জীবনমান উন্নয়নে এ প্রকল্পে জোর দেওয়া হয়েছে।
এই এলাকার সার্বিক প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন, বিশেষ করে ডেইরী ও হাঁস খামার স্থাপন ও প্রতিপালনের ওপর গুরুত্ব দিতে গিয়ে নারীদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে চাইছে সরকার। প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করছে এই প্রকল্প।
হাওর এলাকার হতদরিদ্র নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য ২০১৮ সালে ‘হাওর এলাকার সুবিধাবঞ্চিত নারীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়নের জন্য আয় ও কর্মসংস্থান কর্মসূচি’ গ্রহণ করেছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। সুবিধাবঞ্চিত নারীর আয় ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির মাধ্যমে তাদের জীবনমান উন্নয়নে ভাসমান বীজতলা ও বিষমুক্ত সবজি চাষে প্রশিক্ষণ ও হাঁস প্রতিপালন করে নারীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়নে এই কর্মসূচি ইতোমধ্যেই অবদান রাখতে শুরু করেছে। ছয় কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের আওতায সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলার দরিদ্র, অতিদরিদ্র এবং মধ্যবিত্ত নারীদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি হাঁস সরবরাহ করা হচ্ছে।
এই প্রকল্পের সুবিধাভোগী তাহমিনা তাঁর ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প শোনালেন। দুই বছর আগে ফসল পানিতে তলিয়ে গেলে তাঁর পরিবার দিশেহারা হয়ে পড়ে। পরের জমিতে কাজ করে তেমন আয় হতো না। কোন দিন একবেলা, কোন দিন দুই বেলা খেয়ে, না খেয়েও কোন কোনদিন পার হয়েছে। এ অবস্থায় গ্রামের এক মুরুব্বি হাঁস পালনের পরামর্শ দেন। এর মাঝেই সরকারের লোকজন এসে হাঁস মুরগী পালনের প্রশিক্ষন দিলে তাহমিনা উদ্যোগী হন। সমাজ ও পরিবারে তিনি আজ একজন উৎপাদনশীল ব্যক্তি।
আমাদের নারীরা হিমালয়ের চূড়ায় জাতীয় পতাকা উড়িয়েছে। এদেশ নারী প্রধানমন্ত্রী পেয়েছে পাঁচবার। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী নারী, বিরোধীদলীয় নেত্রী ও স্পিকারও নারী। সংসদ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যেও নারীর সংখ্যা আগের তুলনায় বেড়েছে অনেক। অথচ নারী প্রধান পরিবারগুলোর দারিদ্রতার গড় খুব একটা কমছে না। সালমার মতো নারীরা লড়াই করেছে তিনবেলা দু’মুঠো খাবারের সংগ্রামে।
আত্মনির্ভরশীলতা এনে নারীর ক্ষমতায়নের পথে গৃহপালিত প্রাণি পালন অনতম হতিয়ার। হাওর অঞ্চলে হাঁস, মুরগি, ছাগল ও ভেড়া পালন হতে পারে অপার সম্ভাবনাময় আয়ের উৎস। এই পশুপাখিগুলো হাওর অঞ্চলের পরিবেশ ও পরিবর্তনশীল জলবায়ুর সাথে সহজে অভিযোজিত হতে সক্ষম বলে পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। রোগের প্রাদুর্ভাব, অনুন্নত প্রযুক্তি, সঠিক খামার ব্যবস্থাপনার অভাব, নিম্নমানের স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও কারিগরি সেবা, অপর্যাপ্ত কারিগরি জ্ঞান, খামারী ও সহায়ক সংস্থার মধ্যে সমন্বয়হীনতা দূর করতে পারলে হাওর অঞ্চলের নারীদের মধ্যে হাঁসের চাষকে আরো ফলপ্রসু করে তোলা সম্ভব বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি বা সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট লক্ষ্যের কমপক্ষে নয়টি (১,২,৫,৮,১০,১১,১২,১৩,১৫) অর্জন তরান্বিত করতেও এই হাতিয়ার জোরালো ভূমিকা রাখবে বলে এসডিজি সংশ্লিষ্টরা দাবী করছেন।
স্বল্প পরিসরে হাঁম পালন শুরু হলেও তাদের জন্য বৃহৎ ক্ষেত্রের পরিবেশ সৃষ্টির সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আরো সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন। তবেই এই প্রত্যন্ত অঞ্চলের পিছিযে পড়া জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তাও হবে সুসংগঠিত।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Calendar

December 2020
S M T W T F S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  

http://jugapath.com