» শীর্ষ পদে পরিবর্তনের সুর

প্রকাশিত: ১৪. জানুয়ারি. ২০১৯ | সোমবার

বিশেষ প্রতিবেদক মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ভরাডুবির’ পর দল পুনর্গঠনের দাবি উঠেছে বিএনপিতে। মহাসচিবসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন চাইছেন দলের নেতারা।

জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে প্রায় একযুগ আগে বহিষ্কৃত হন শাজাহান মিয়া সম্রাট। তারপরও বিএনপির সভা-সমাবেশ- প্রেস কনফারেন্সে সক্রিয় তিনি।

গতকাল বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সংবাদ সম্মেলন শেষে সম্রাটের সঙ্গে কথা হয়

নির্বাচনের পর বিএনপি নেতাকর্মীদের অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে সরকার নির্বাচনের নামে তাদের ক্ষমতা নবায়ন করেছে। আমাদের নীতি নির্ধারকরা কৌশলগতভাবে ফেল করেছে। আমাদের নেতাকর্মীদের অবস্থা ভালো নেই। এখন আমাদের দলের মহাসচিব পরিবর্তন হওয়া দরকার। একজন শক্ত সাংগঠনিক লোককে মহাসচিব করা দরকার। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের নীতি নির্ধারক পর্যায় থেকে তৃণমূল পর্যন্ত পুনর্গঠন হওয়া দরকার।’

তিনি বলেন, ‘আমি ৪০ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। গত একযুগ ধরে বহিষ্কৃত হয়েও আমি সর্বপরি দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। দলের চেয়ারপারসনের মুক্তির দাবিতে আমি ধারাবাবিক ভাবে আন্দোলন সভা সেমিনারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ ইস্যুতে আমার সাংগঠনিক কার্যক্রম যথাযথ ভাবে চালিয়ে যাচ্ছি। আশা করি দল পুনর্গঠন হলে আমি কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হব।’ অন্যদিকে তিনি অভিযোগ করে বলেন দল বিএনপি বর্তমানে তিনটি ধারায় তিন সিন্ডিকেটের মধ্যে সিমাবদ্ধতায় চলছে। এক প্রশ্নের জবাবে বলেন- বর্তমানে আমাদের মহাসচিব তিনি নম্র ভদ্র, ও ভালো একজন শিক্ষক। কিন্তুু একটি দলের মধ্যে মহাসচিব হিসেবে সাংগঠনিক যে- দক্ষতা প্রয়োজন সেই- বিষয়টি মির্জা ফখরুলের মধ্যে নেই। তারপর দলের সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিবের সাথে তাহার অনেক দুরত্ব রয়েছে। একজন অপরজনকে মেনে নিতে পাচ্ছেন না। সম্রাট আরও বলেন বর্তমানে দল বিএনপি’র এমন একজন মহাসচিবের প্রয়োজন যেমনঃ সাবেক মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার, মান্নান ভুঁইয়া, সালাম তালুকদার সহ সাবেক এই সমস্ত বিজ্ঞ দক্ষতাপুর্ণ নেতাদের মতো মহাসচিবের প্রয়োজন। বর্তমানে দলের ভিতরে মির্জা ফখরুল কে নিয়ে অসন্তুষ্ট ভাব বিরাজমান বিদ্বমান। যে কোনো মুহুর্তে দলের ভিতরে বিশৃঙ্খলা ঘটে যেতে পারে বলে সম্রাট মনে করেন। তিনি আরও বলেন- গত শুক্রবার ১১ জানুয়ারি গুলশানে চেয়ারপারসন কার্য্যালয়ে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সিনিয়র নেতাদের মধ্যে অসৌজন্য মুলক আচরণের মত বিভিন্ন বিষয়ে মহাসচিবের সাথে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। যাহা অত্যন্ত খারাপ একটি দৃষ্টান্তমুলক ঘটনা। শুধু তাইনা, একাদশ নির্বাচনে দলের মধ্যে অনেক নৈরাজ্য বাণিজ্যিক হয়েছে। এমন ঘটনা ঘটেছে মিডিয়াতেও
তা প্রকাশ হয়েছে। দলের মনোনয়ন ফরমে মির্জা ফখরুলের সাক্ষর জালিয়াতি করে রমরমা বাণিজ্যিক করা হয়েছে। শুধু তাইনা মির্জা ফখরুলের আশেপাশে তিন চারটি লোক রয়েছে ওরা দলের গুরুত্বপুর্ণ বিষয়গুলি পাচার করে যাচ্ছে সরকারের এজেন্ট হিসেবে। সবকিছু মিলিয়ে দলকে রক্ষা করতে হলে খুব শিগগিরই দল পুর্ণঘটন করা সহ
মহাসচিব পরিবর্তন করে নতুন একজন মহাসচিব ঘোষনা করা এখনই সময়ের দাবি।

দল পুনর্গঠন প্রশ্নে বিএনপির ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ‘প্রশাসন এবং আওয়ামী লীগের খপ্পরে পড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বিএনপি। দল পুনর্গঠনের জন্য যে পরিবেশ দরকার সে পরিবেশ এখন দেশে বিদ্যমান নেই। পুনর্গঠন আমরা কাদের দিয়ে করব? নেতাকর্মীরা তো এলাকা ছাড়া। মিথ্যা মামলায় তারা ফেরারি হয়ে ঘুরছে। ঢাকায় ঘুরছে কিন্তু জামিন হচ্ছে না। তাদের যদি আমরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে না পারি তাহলে কীভাবে আমরা দল পুনর্গঠন করব। আমাদের দল পুনর্গঠন তো তৃণমূলের নেতাকর্মীদের দিয়েই করতে হবে। তারাই যদি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে না পারে তাহলে কাদের দিয়ে করব? তারপরও সেটা আমরা মাথায় রাখছি। এসবের পাশাপাশি আমাদের চিন্তায় আছে দল পুনর্গঠনে সবার আগে আমাদের প্রয়োজন। সেই- সাথে নেতাকর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত জরুরী। তাদের মামলার জামিনের ব্যবস্থা করা, এলকায় অবাধ বিচরনের সুযোগ সৃষ্টি করা।’ তিনি আরও বলেন সরকার’ এখনও বিভিন্ন ভাবে কৌশলে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দলের ভিতরে নৈরাজ্য সৃষ্টি করা। তারিসাথে হুমকি চাপের মধ্যে ফেলে দিয়ে দলের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টির কৌশল খুঁজছে। প্রিন্স আরও বলেন দল পুর্ণঘটন করা জরুরী। তারিসাথে অঙ্গসহযোগি সংগঠন কে পুর্ণঘটন করা দরকার। তিনি বলেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নির্দেশ দিয়েছেন দলকে খুব শিগগিরই সাঁজিয়ে পুর্ণঘটন করার জন্য। তারিসাথে দলের বিভিন্ন ইউনিট জেলা – মহানগরের যে সমস্ত কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে সেই- সমস্ত সাংগঠনিক ইউনিটকে পুর্ণঘটন করার জন্য সিদান্ত নেয়া হয়েছে। আশারাখি আগামী ফ্রেবরুয়ারী মাসের ভিতরে এই পুর্ণঘটন প্রক্রিয়া কাজ আমরা শেষ করতে পারব।

তিনি বলেন, ‘সবার আগে নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়াতে হবে। এরপরই আমরা দল পুনর্গঠনের কথা চিন্তা করতে পারি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির একজন যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘নির্বাচনের পর আমাদের নেতাকর্মীদের হতাশা তৈরি হয়েছে, দল বিপর্যস্ত। এসবের দায় দলের মহাসচিবসহ স্থায়ী কমিটির নেতারা এড়াতে পারেন না। তাছাড়া শোনা যাচ্ছে, মহাসচিব সংসদে যোগ দেয়ার জন্য বিদেশি কূটনীতিকদের মাধ্যমে তারেক রহমানের ওপর চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করছেন। তিনি জোড়ালো ভাবে বলেন সবার আগে প্রয়োজন মহাসচিব পরিবর্তন করা। কারন বর্তমান মহাসচিবের উপর আমি সহ দলের অধিকাংশ নেতাকর্মীদের আস্তা নেই। তিনি বলেন ফখরুলের বিরুদ্ধে গত কয়েকদিন আগে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিক্ষোভ করাসহ তাহাকে মিরজাফর বলে আখ্যায়িত করে শ্লোগান করে অফিসের নিচে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। তখন আমি এবং দলের অন্যান্য তিন চারজন নেতৃবৃন্দ মিলে এই পরিস্থিতি থেকে ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নেতাকর্মীদের অবরুদ্ধ থেকে উদ্ধার করে অফিসে নিয়ে আসা হয়। এদিকে কেউ কেউ তাদের ব্যবসা ধরে রাখার ফায়দা আঁটছেন। আর সেই- ফাঁয়দায় সরকারের সাথে আতাত করে তাদের ব্যবসা বাণিজ্য সহ সবকিছুই যথাযথ ভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন। সার্বিক বিষয় বিবেচনা রেখে দল পুনর্গঠন হওয়া দরকার। তিনি আরও বলেন তবে অসম্মানজনকভাবে কাউকে বিদায় দেয়া উচিত হবে না। আগামী মার্চে কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হতে চলেছে। আগামী জুন-জুলাইতে কাউন্সিলের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক উপায়ে এসব পরিবর্তন আনলে দলকে গতিশীল করা সম্ভব হবে।’
তিনি আরও বলেন,‘বিশ্ব রাজনীতিতে অধিকাংশ ক্ষেত্রে বয়স্করা নিস্ক্রিয় হয়ে পড়ছেন-সেটা বিবেচনায় রেখে নীতি নির্ধারণী ফোরাম,দলের মুখপাত্র,দফতর, চেয়ারপারসনের কার্যালয় সর্বত্র পুনর্গঠন হওয়া উচিত।’এই সমস্ত জায়গায় অনেক শক্তিধর সিন্ডিকেট এবং সরকারের এজেন্সি হিসেবে লোকজনের সংখ্যা অনেক।যেতক্ষণ পর্যন্ত এই দুুই কার্যালয় সিন্ডিকেট মুক্ত করা না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত দলের সাংগঠনিক অবস্থা থেকে শুরু-করে সর্বপরি বিষয়ে দলের আগামীদিনের ভবিষ্যৎ ও দলের চেয়ারপারসনকে মুক্ত করা সম্বভ হবেনা।তিনি বলেন আগামী মার্চে দলের বর্তমান কমিটির মেয়াদোত্তীর্ণ হবে। এমতাবস্থায় এই মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার আগে যদি বর্তমানে নির্বাহী কমিটির অসমাপ্ত পদপদবি গুলি পুর্ণ করা না যায় তাহলে দল বিএনপি’র একটি কালোচিত অর্থবহ ব্যর্থ একটি কমিটি হিসেবে ইতিহাসের পাতায় কালো তালিকায় স্থানান্তরিত হবে।যা দলের জন্য অত্যন্ত সর্বপরি অযোগ্য হিসেবে স্বরনীয় হয়ে থাকবে।তিনি আরও বলেন দল প্রতিষ্ঠাকালিন পর থেকে বিগতদিনের মত আর কোনো কমিটি বা কোনো মহাসচিব অযোগ্য হিসেবে এই দলে দায়িত্বপালন করেননি।একমাত্র মির্জা ফখরুল তিনি অদক্ষতা হিসেবে সেই-পরচিতি লাভ স্বিকৃতি পেয়েছেন।তাহার সাথে সরকারের সাথে যোগ সাজেশন এজেন্টধারি লোক চতুর দিকে বেষ্টনী দিয়ে আছে।দলের অভ্যন্তরীণ গুরুত্বপুর্ণ আলোচনা সিদান্ত গুলি তারা পাচার করে যাচ্ছে সরকারের কাছে। সবকিছু মিলিয়ে দলকে আগে পুর্ণঘটন,তারিসাথে সাংগঠনিক ইউনিট জেলা মহানগনর মেয়াদোত্তীর্ণ এই কমিটি গুলোকে খুব শিগগিরই পুর্ণঘটন করতে হবে।সেই- বিষয়ে কারাগার থেকে দলের চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান উভয়েই সেই-বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।তাদের দিকনির্দেশনা হিসেবে দলকে সুন্দর ভাবে একটি মডেল খ্যাত সাংগঠিক কমিটি সহ ইউনিট কমিটি সাঁজানোর কাজ চলছে। এই কাজের ধরন বিভিন্ন ভাবে আলাদা আলাদা সাব কমিটির ন্যায় ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। সেই-হিসেবে কাজগুলি শুরু হয়েছ আশারাখি যথা সময়ে কাজগুলি শেষ করতে পারব।

জানতে চাইলে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক বলেন, ‘আমি মনে করি,ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দল পুনর্গঠন হবে।

দল শক্তিশালী করতে হলে শক্তিশালী মানুষ দরকার।

দলের ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান বলেন, ‘দলের সব পর্যায়ে পুনর্গঠন সব সময়ই হয়,এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া।গত দশ বছরে অত্যাচার,নির্যাতন,গুম,খুন, হামলা-মামলায় নেতাকর্মীরা বিপর্যস্ত।বলা যায়,এ সময়ে ১০ হাজার নেতাকর্মী খুন হয়ে গেছে।১০লাখ পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে।একটা গণতান্ত্রিক দেশে এ রকম দেখা যায় না। এটা ইতিহাসে বিরল।এরমধ্যে দলের পুনর্গঠন জরুরি।কারণ সম্পূর্ণভাবে ভোটের অধিকারকে জনগণের কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে রাতের অন্ধকারে সিল মেরে এ সরকার প্রতারণার মাধ্যমে ক্ষমতায় আসীন হয়েছে।এরপর আমাদের দলকে শক্তিশালী করাটাই আমাদের প্রথম দায়িত্ব এবং কর্তব্য মনে করছি।আমরা সব সময় মনে করি বিএনপি জনগণের দল,জনগণের সুখে-দুখে বিএনপি পাশে থাকবে, পাশে ছিল,পাশে আছে। অতএব ভবিষ্যতেও জনগণের পাশে থাকতে হলে,জনগণের কাছে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিতে হলে,জনগণের কাছে রাষ্ট্রের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হলে এবং জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হলে, জনগণের ভোটে রাষ্ট্র পরিচালিত হবে সে অবস্থাটা ফিরিয়ে আনতে হলে দলকে শক্তিশালী হিসেবে সক্রিয় থাকতে হবে। তার জন্য আমরা মনে করি এ মুহূর্তে আমাদের প্রথম কাজ হলো দল পুনর্গঠন।

তিনি আরও বলেন,‘সব জায়গাতেই নতুন পুরাতনের সমন্বয় থাকা উচিত।অভিজ্ঞ এবং নবীনদের সমন্বয় থাকা উচিত।শুধু যদি অভিজ্ঞরা থাকে বা পুরাতনরা থাকে তাহলে যেমন চলে না।আবার শুধু নতুনদের দিয়েও চলে না। অভিজ্ঞ এবং নতুনদের সমন্বয় রেখেই চলতে হয়।যখনই পুনর্গঠন হয় তখনই কিন্তু পুরাতনদের সঙ্গে নতুনদের জায়গা হয়।স্বাভাবিকভাবেই ধরুন,আমাদের দলের স্থায়ী কমিটির এখন প্রায় অর্ধেক পদ খালি আছে।কারণ অনেকেই মারা গেছেন।পদ প্রথম থেকেই পূরণ করা হয়নি।কাজেই যারা অভিজ্ঞ আছেন তাদের অভিজ্ঞতা যেমন আমাদের কাজে লাগাতে হবে,তেমনি নতুনদেরও জায়গা দিতে হবে। শুধু স্থায়ী কমিটি না;সব কমিটিই নতুন পুরনোদের সমন্বয়ে গঠিত হওয়া উচিত। এর মধ্য দিয়েই দলটাকে শক্তিশালী করতে হবে আগামী দিনে জনগণের জন্য,গণতন্ত্রের জন্য,রাষ্ট্রের জন্য।’

দল পুনর্গঠন প্রশ্নে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহাবুবুর রহমান বলেন,‘হ্যা, দল পুনর্গঠন হওয়া উচিত। আমিও তাই মনে করি। আমি মনে করি,একেবারে গণতান্ত্রিক ভিত্তিতে গ্রাসরুট থেকে টপ পর্যন্ত যাদের জনসম্পৃক্ততা আছে তাদের নিয়ে পুনর্গঠন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ২৯৪ বার

Share Button

Calendar

December 2020
S M T W T F S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031