» পিছু হঠতে বাধ্য হলো মালদ্বীপের সর্বোচ্চ আদালত

প্রকাশিত: ০৭. ফেব্রুয়ারি. ২০১৮ | বুধবার

চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় পিছু হঠতে বাধ্য হলো মালদ্বীপের সর্বোচ্চ আদালত। গত সপ্তাহে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করা রায় খারিজ করেছেন আদালতের তিন বিচারক। আল জাজিরার খবরে জানা গেছে ,৬ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতির নির্দেশে সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতিকে আটক করার কয়েক ঘণ্টা পরই রায় খারিজের এই খবর পাওয়া যায়।

১ ফেব্রুয়ারি মালদ্বীপের আদালত বিরোধী দলের ৯ বন্দির মুক্তি এবং পুনঃবিচারের রায় দেন। এই রায় প্রত্যাখ্যান করেন দেশটির ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রপতি আবদুল্লা ইয়ামিন। এরপর রাষ্ট্রপতিকে অভিসংশনের চেষ্টা করা হতে পারে, এই সন্দেহের পরিপ্রেক্ষিতে ৪ ফেব্রুয়ারি সংসদ ঘেরাও করে দেশটির সেনাবাহিনী।

৫ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয় এবং সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতিকে আটক করা হয়। ৫-সদস্যের বিচারপতি বেঞ্চের বাকি তিন বিচারক মঙ্গলবার নতুন করে রায় দেন। রায়ে বলা হয়, রাষ্ট্রপতির উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে তারা গত সপ্তাহের ওই রায় ‘খারিজ’ করেন।

মঙ্গলবারের এই রায়কে বিরোধী দলের সাংসদ ইভা আবদুল্লাহ ‘প্রহসন’ বলে আখ্যা দেন।

‘সুপ্রিম কোর্টের ওপর নজরদারি করছে সেনাবাহিনী। প্রধান বিচারপতি এবং বিচারক আলী হামিদ জেলে। ইয়ামিন বাকি বিচারপতিদেরকে ভয় দেখিয়ে নিজের পছন্দমতো রায় আদায় করে নিয়েছেন,’ বলেন ইভা।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি ইয়ামিন আটককৃত দুই বিচারপতিকে দুর্নীতিবাজ বলে অভিযুক্ত করেন।

নির্বাসিত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ নাশিদ মালদ্বীপের এই পরিস্থিতি সমাধানে যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতকে হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানান।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৬৫ বার

Share Button