» কোচ শুন্যতায় ভুগছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত: ০২. মার্চ. ২০১৮ | শুক্রবার

কোচ শুন্যতায় ভুগছে বাংলাদেশ । ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দায় তাদের ই বলে জানিয়েছেন অভিজ্ঞ জনেরা । বাংলাদেশ ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক এই সংস্থাটি যেন নিজ হাতে তৈরি করেছে এই অবস্থাটি।চান্দিকা হাতুরুসিংহের পদত্যাগের পর এখনো মেলেনি প্রধান কোচ। খালেদ মাহমুদ সুজনকে টেকনিক্যাল ডিরেক্টরের দায়িত্ব দেওয়া হলেও একটি সিরিজের ব্যর্থতা তার পদ কেড়ে নিয়েছে। শ্রীলঙ্কায় নিদাহাস ট্রফিতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশকে। এসবের আগে সাবেক কোচ রিচার্ড পাইবাস ও উইন্ডিজ সাবেক কোচ ফিল সিমন্সের সাক্ষাৎকার নিয়েছে বিসিবি। কিন্তু তাদের কাউইকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। সব মিলিয়ে এখনো প্রধান কোচের খোঁজে বাংলাদেশ। বলা যায়, বিদেশি কোচের খোঁজে। কারণ দেশি কোচে মন নেই বিসিবির। সামর্থ্য, গুণ থাকুক কিংবা না থাকুক, জাতীয় দলের কোচের নামের আগে বিদেশি তকমা থাকাটা জরুরি। মোটামুটি ১৩ জন বিদেশির হাতে বাংলাদেশ ক্রিকেটের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এখন পর্যন্ত। কিন্তু ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়া বাংলাদেশ শিবিরে কখনই স্থানীয় কোচদের সেভাবে দেখা মেলেনি। যা-ও বা মিলেছে, সেটা দায়ে পড়ে, কাজ চালিয়ে নেওয়ার জন্য। তাহলে কি দেশি কোচরা অযোগ্য? তাদের সামর্থ্য কিংবা অন্য কোনো কিছুর অভাব আছে?

 

বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচের তালিকায় সবচেয়ে বেশিবার যে দেশি কোচের নাম যোগ হয়েছে, তিনি সারওয়ার ইমরান। বাংলাদেশের সেরা পেস বোলিং কোচ বলা হয় তাকে। কিন্তু ইতিহাস বলে, জাতীয় দলে তার কাজটা ‘অন্তর্বর্তীকালীন’ কোচ হিসেবেই বেশি ছিল।

অভিষেক টেস্টে বাংলাদেশের হেড কোচ ছিলেন সারওয়ার। সেটাও অন্যের জায়গায়। তৎকালীন কোচ এডি বারলো প্যারালাইজড হয়ে বিছানায় পড়ে গেলেন। ইমরানের কাঁধে দায়িত্ব তুলে দিল বিসিবি। বিসিবির হয়ে প্রায় ১৬ বছর বিভিন্ন প্রোগ্রামে কাজ করেছেন স্থানীয় এই কোচ। তার হাত ধরে ২০১০ সালে গুয়াংজু এশিয়ান গেমসে স্বর্ণপদক জেতে বাংলাদেশ। তারও আগে ২০০৭ সালে শেন জার্গেনসেন দায়িত্ব ছেড়ে দিলে প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হেড কোচের দায়িত্ব পান তিনি। তাকে ঘিরেই পেসার হান্টের মতো কর্মসূচি শুরু হয়েছিল।

বিভিন্ন সময়ে বিসিবির কাছ থেকে কম নাজেহাল হননি সারওয়ার। অভিমানে পরপর দুবার দায়িত্ব ছেড়েছেন। ২০১২ সালে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের প্রধান কোচ ছিলেন তিনি। সেখানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের ঠিক আগ মুহূর্তে তাকে সহকারী কোচ বানিয়ে দেওয়া হয়। সেবার অভিমান করে দায়িত্ব ছেড়ে দেন।

সারওয়ারের হাত ধরেই আবদুর রাজ্জাক, নাঈমুর রহমান দূর্জয়দের উঠে আসা। ঘরোয়া ক্রিকেটে শীর্ষস্থানীয় ক্লাবের কোচ হিসেবে কাজ করেছেন ১৭ বছরেরও বেশি। এলিট লেভেলের কোচিং করানোর সনদ পেয়েছেন আরও আগে, লেভেল-৩ কোচিং ডিগ্রি সম্পন্ন করে। তারপরও মেলেনি মূল্যায়ন। ২০১৭ সালে হাই পারফরম্যান্স ইউনিটের (এইচপি) হেড কোচের দায়িত্ব পাওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তা-ও হয়নি। প্রায় ৮ কোটি টাকার বাজেটের এই কর্মসূচিতে তাকে কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। এমনকি সাবেক কোচ চান্দিকা হাতুরুসিংহের সহকারী কোচের দায়িত্ব দেওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। তাই অভিমানে ২০১৭ সালে আবারও চাকরি ছাড়েন ইমরান।

স্থানীয় কোচদের প্রতি দেশের সর্বোচ্চ ক্রিকেট সংস্থার এমন অনীহার কারণ নিয়ে কোনো কথাই বলতে রাজি হননি সারওয়ার ইমরান। কণ্ঠে ক্ষোভটা চাপা ছিল না। তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে আমি কোনো কথা বলতেই চাই না। আমাকে এসব জিজ্ঞেস করবেন না। অন্য কোনো কথা থাকলে বলুন, সব কিছুর উত্তর দেব।’

বিকেএসপিতে ১৭ বছর কাজ করেছেন নাজমুল আবেদীন ফাহিম। বিসিবির গেম ডেভলপমেন্ট ম্যানেজার হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। বর্তমানে কর্মরত আছেন হাই পারফরম্যান্সের কোচ হিসেবে। ভারতে কোচিং কোর্সে প্রথম হয়েছিলেন তিনি। শুধু তাই নয়, সেরা শিক্ষার্থী হিসেবে অর্জন ‘উত্তম জ্যোতি’ খেতাব। ভারতের মোট তিনটি ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানে কাজের প্রস্তাব পেয়েছিলেন নাজমুল আবেদীন ফাহিম, দেশের জন্য কাজ করবেন বলে তিনটি প্রস্তাবই ফিরিয়ে দেন। বাংলাদেশ জাতীয় দলে স্থানীয় কোচদের অনুপস্থিতি তাকেও ভাবায়। তবে এ ক্ষেত্রে দুপক্ষেরই দোষ দেখছেন তিনি। বিশেষ করে কোচদের পূর্ণ সামর্থ্যবান হওয়ার ব্যাপারে কতটা আগ্রহ আছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নাজমুল আবেদীন।

‘দুটো ব্যাপার আছে। কোচের কোয়ালিটি, আমাদের সংস্কৃতি। আরেকটা হচ্ছে আমাদের মানসিকতা। এখনো আমরা বিশ্বাস করি না যে, আমাদের দেশি কোচ দিয়ে জাতীয় দল বা এলিট লেভেলের টিম পরিচালনা সম্ভব। এর একটা কারণও আছে। সেটা হচ্ছে, ওই পর্যায়ে কাজ করার সুযোগটা আমাদের কোচরা এখনো পায়নি। সুযোগ যেহেতু পায়নি, সেহেতু প্রমাণ করার সুযোগও আসেনি’, বলেন ফাহিম।

বিসিবি কোচদের রক্ষণাবেক্ষণের বা উন্নতির সুযোগ সুবিধা দিতে পারছে না, তা অস্বীকার করেননি সারওয়ার ইমরানের মতো লেভেল-৩ কোচিং কোর্স করা এই অভিজ্ঞ কোচ। তিনি বলেন, ‘খুব বড় কথা হলো, কোচ ডেভেলপমেন্টের ব্যাপারে বিশেষ কোনো কার্যক্রম কিন্তু আমরা কখনো নিইনি। কোচ আছে, কাজ করছে এটুকুই। কিন্তু প্লেয়ারদের মতো কোচদের ডেভলপমেন্টের সুযোগ করে দেওয়ার ব্যাপারে এখনো আমরা বিচ্ছিন্ন। সে ব্যাপারটা আমরা এখনো গুরুত্ব দিই না।’

‘প্রোগ্রাম হয়, কিন্তু মানসিকভাবে আমরা এখনো উপলব্ধি করি না যে, আন্তর্জাতিক কোচ তৈরি করার জন্য সে ধরনের মেধাবী কোচদের সুযোগ দেওয়া উচিত। আমাদের এখানে এখনো কোচ মানে হচ্ছে একটু ফিল্ডিং করাবে, ব্যাটিং অর্ডার বদলে দেবে, এটুকুর মধ্যেই। কিন্তু কোচের যে বিশাল একটা এরিয়া আছে কাজ করার, সেটা এখনো স্বীকৃত না।’

বাংলাদেশের ঘরোয়া কিংবা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলে আসা ক্রিকেটাররা কোচ হওয়ার ক্ষেত্রে ততটা আগ্রহী নয় বলে মনে করেন নাজমুল আবেদীন। কারণ, এখানে জীবনযাত্রার মানের প্রভাব যেমন আছে, তেমনই ভবিষ্যৎ নিয়ে খানিকটা শঙ্কাও আছে। সব মিলিয়ে যারা কোচিং পেশায় ভালো করতে পারতেন, তারা এগিয়ে আসছে না বলে মনে করেন তিনি।

এ বিষয়ে নাজমুল আবেদীন বলেন, ‘কোচ তো সবাই হবে না। কোচ হতে গেলে একটা নতুন জায়গা থেকে শুরু করতে হয়। অনেকের ধারণা, আমি অনেক ভালো ক্রিকেট খেলেছি। অতএব, আমি কালকে থেকেই ভালো একজন কোচ হয়ে যাবো। ব্যাপারটা তা না। আমার মনে হয়, এখানে বেস্ট পসিবল যারা, তারা কোচিংয়ে এখনো আগ্রহ দেখাচ্ছে না। হতে পারে যারা মেধাবী, তারা অনেকেই হয়তো টপ র‍্যাংক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেনি।’

‘আমাদের এখানে একটা মানসিকতা আছে, যারা টপ লেভেলের ক্রিকেটার হতে পারেনি তারা হয়তো ভালো কোচ হতে পারবে না। যারা একটু মিডিওকোর ক্রিকেটার ছিল, কিন্তু ভালো কোচ হতে পারত, তাদের একাডেমিক কারণে তারাও ততটা আশ্বস্ত হতে পারছে না। হয়তো ভাবছে, আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলিনি, তাহলে বোধ হয় আমাকে সেভাবে গ্রহণ করা হবে না।’

বাংলাদেশ থেকে কোচিং নিয়ে পড়াশোনা করে প্রথম শ্রেণির ডিগ্রি পাওয়া কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। ২০০১ সালে ভারতের পাতিয়ালায় ক্রিকেট কোচিংয়ের ওপর কোর্স করে প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হন তিনি। চেয়েছিলেন ফুটবলার হতে। কিন্তু বিকেএসপিতে ক্রিকেট পান। ইনজুরির কারণে ক্রিকেটারও হতে পারেননি। তবে কোচিং পেশাকে নেশার মতো করে নিয়ে ছাত্রাবস্থা থেকে বিকেএসপিতে কাজ করছেন। তাকে বলা হয় ‘ক্রিকেটারদের কোচ’।

সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুমিনুল হকরা সালাউদ্দিনের হাতে গড়া। ১৯৯৯ সালে বিকেএসপিতে চাকরি স্থায়ী হয় তার। ২০০৫ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয় দলের সহকারী কোচ। এই সময়ে তিনি কাজ করেছেন ডেভ হোয়াটমোর ও জেমি সিডন্সের সঙ্গে। পাশপাশি ফিল্ডিং কোচ হিসেবেও এক বছর অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেছেন এই সময়ের মধ্যে। এরপর মালয়েশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোচ হিসেবে কাজ করেছেন ৫ বছর। ঘরোয়া ক্রিকেটের ক্লাবগুলোর পাশাপাশি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের কোচ। ২০১৫ সালে তার অধীনেই টুর্নামেন্টের শিরোপা জেতে কুমিল্লা।

সাকিব, মুমিনুলের এই ‘গুরু’ও বিসিবির কাছে নাকাল হয়েছেন। গেল বছর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে সাময়িকভাবে জাতীয় দলের ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দেয়। কিন্তু ঈদের ছুটির মধ্যে তাকে ডেকে পাঠান বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন। সালাউদ্দিনকে আর দরকার নেই বলে ‘ছুটি’ দেন। যদিও সেই অপমানজনক ঘটনার ব্যাখ্যা এখনও দেয়নি দেশের সর্বোচ্চ ক্রিকেট সংস্থাটি।

সেই সালাউদ্দিনের ভাষ্য, স্থানীয় কোচদের জাতীয় দলের দায়িত্ব পাওয়ার অবস্থা এখনো হয়ে ওঠেনি। তার মতে, এখনো সে রকম উন্নতি করতে পারেননি স্থানীয় কোচরা।

‘এটা নিয়ে অনেক কথা হতে পারে। মাথায় রাখতে হবে, স্থানীয় কোচরা বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ হওয়ার যোগ্য কি না। তাদের সেই পরিমাণ উন্নতি হয়েছে কি না। সেটা যদি হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই সুযোগ আসবে। আমার কাছে মনে হয়, আমাদের কোচদের এখনো সেভাবে ডেভলপ হয়নি। সে কারণে বিদেশি কোচদের ওপরই ভরসা খুঁজতে হচ্ছে। আপনি যদি যোগ্য হন, অবশ্যই আপনার কাছে আসতে হবে। আমাদের কোচদের আরও অনেক ডেভলপমেন্ট প্রয়োজন, আরও অনেক শেখার প্রয়োজন’, বলেন সালাউদ্দিন।

এই কোচের কাছে প্রশ্ন করা হয়েছিল, প্রধান কোচ না হোক সহকারী কোচ হওয়ার যোগ্যতা অন্তত রাখে কি না বাংলাদেশি কেউ। উত্তরে তিনি বলেন, ‘ওই যে বললাম, যেকোনো কিছুর জন্যই কোচদের ডেভলপমেন্ট প্রয়োজন। সহকারী কোচ হিসেবে আপনি যদি ভালো করেন, তাহলে প্রধান কোচ আপনাকে সমর্থন দেবে না যে, এই কোচকে আমার প্রয়োজন। সেটা এখনো আমাদের হয়ে ওঠেনি।’

অবস্থা হাতে ধরে দেখাতেই যেন সালাউদ্দিন উল্লেখ করলেন বিপিএলে বাংলাদেশি কোচদের অবস্থা। সর্বশেষ বিপিএলে পাঁচটি ফ্র্যাঞ্চাইজি (ঢাকা ডায়নামাইটস-খালেদ মাহমুদ সুজন, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স-মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, চিটাগং ভাইকিংস-নুরুল আবেদীন, সিলেট সিক্সার্স-জাফরুল এহসান ও রাজশাহী কিংস-সারওয়ার ইমরান) বিশ্বাস রেখেছিল স্থানীয় কোচদের ওপর। কিন্তু তাদের হাতে আশানুরূপ ফল পাওয়া যায়নি।

সালাউদ্দিনের শঙ্কা, সামনের আসরে বিপিএলে দেশি কোচদের তালিকা আরও ছোট হবে। তার ভাষায়, ‘এই সময়ে বিপিএলে পাঁচজন স্থানীয় কোচ কাজ করেছেন। এবার সেই তালিকা আরও ছোট হতে যাচ্ছে, আমি যতদূর শুনেছি। কারণ, আপনাকে দিয়ে যদি কাজ না হয়, তাহলে আপনাকে রাখবে না। কোচদের নিজেদেরকেই নিজেদের কাজটা করে নিতে হবে।’

সালাউদ্দিনের কথা ফলেছে। সারওয়ার ইমরানকে সরিয়ে নিউজিল্যান্ডের সাবেক অলরাউন্ডার ড্যানিয়েল ভেট্টরিকে প্রধান কোচ করেছে রাজশাহী কিংস।

যার সমর্থনে নিজের কোচিং পেশাকে আরও এগিয়ে নিচ্ছেন, সেই সালাউদ্দিনেরই শিক্ষক নাজমুল আবেদীন ফাহিম এই জায়গায় খানিকটা দ্বিমত পোষণ করলেন। ফলাফল সবসময় বিদেশি কোচরা না-ও এনে দিতে পারেন। হয়তো সে কথা মাথায় রেখেই বললেন, ‘কিছুটা আমাদের যোগ্যতার অভাব আছে। আবার অতগুলো কোয়ালিটিফুল কোচও নেই। একই সঙ্গে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর স্থানীয় কোচ প্রমোট করার মানসিকতাও আছে কি না দেখতে হবে।’

১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জয়ের পর বাংলাদেশ ক্রিকেটে আমূল পরিবর্তন এসেছে। পাকিস্তান, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দলকে সিরিজ হারানোর সঙ্গে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টেও হারিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু ক্রিকেটের এতসব উন্নতির আড়ালে দেশের কোচদের উন্নতি নিয়ে কতটা ভাবা হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ক্রিকেটের উন্নত দেশগুলো থেকে ‘ভাড়াটে’ কোচদের হাতেই কি শেষ পর্যন্ত এগোবে বাংলাদেশ?

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ২৪৪ বার

Share Button