» বৈসাবি উৎসবের উদ্বোধন করেছেন তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১৩. এপ্রিল. ২০১৮ | শুক্রবার

বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রোজ্জ্বল দৃষ্টান্ত উল্লেখ করে রাজধানীতে বৈসাবি উৎসবের উদ্বোধন করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত বৈসাবি শোভাযাত্রা ও জলে পুষ্পাঞ্জলি ভাসানো উদ্বোধনকালে মন্ত্রী একথা বলেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নূরুল আমীন ও মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বৈশাখ, সাংগ্রাই ও বিজু এ তিনের সমন্বয়ে বৈসাবি উৎসব এদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক। জাত-পাত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সার্বজনীন এ উৎসব সকলের প্রাণে আনন্দ সঞ্চার করে চলেছে।’

‘জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও কুসংস্কারের বিরূদ্ধে বৈসাবি এক মূর্ত প্রতিবাদ’, বলেন হাসানুল হক ইনু।

মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে শুরু করে বৈসাবি শোভাযাত্রা জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় গিয়ে সেখানে সংসদ ভবন বেষ্টনকারী জলাধারে পুষ্পাঞ্জলি ভাসিয়ে দেবার মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হয়।
এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিশ্ববঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি একথা বলেন। সংসদ সদস্য সৈয়দ রেজাউল করিম তানসেন এসময় উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রদায়িক অপশক্তি বাংলা ভাষাভাষির সংস্কৃতি ও শিল্প সাহিত্যকে একটি ভিন্ন ধারায় নেয়ার অপচেষ্টা করছে। কিন্তু চার হাজার বছরের বাঙালি সভ্যতায় বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ যে নতুন শক্তি যুগিয়েছে, তা সেই অপচেষ্টাকে নস্যাৎ করে দিতে যথেষ্ট।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উৎকর্ষ সাধনে বিশ্ববঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলন গুরুত্ববহ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তথ্যমন্ত্রী।

ভারতের বিশ্ববঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলন প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক শ্রী রাধাকান্ত সরকার, আনন্দবাজার পত্রিকার সাংবাদিক শ্রী সুকুমার রুজ, সংগীত শিল্পী শ্রীমতি অর্চনা বসু, সংগীত শিল্পী শ্রীমতি কুমকুম সেন গুপ্ত, অভিনেত্রী ও কবি চলচ্চিত্র প্রযোজক শ্রীমতি কেয়া বসাক, সংগীত শিল্পী শ্রীমতি দীপ্তী গুহ, রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী ও কবি শ্রীমতি পূরবী দাস, বিশ্ববঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলনের কোষাধ্যক্ষ শ্রীমতি ছবি সরকার, গজল, ঠুমরী ও ভজন শিল্পী শ্রী গোবিন্দ কুমার পাল, সমাজ সেবক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শ্রী পুলিন বিহারী পাল, নৃত্যশিল্পী ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী শ্রীমতি উজস্বী দত্ত, নৃত্যশিল্পী শ্রী প্রলয় কুমার দত্ত, সংগীত শিল্পী শ্রী অজিত কুমার গুহ, বাংলাদেশের অভিনেতা নাদের চৌধুরী, চলচ্চিত্র প্রযোজক ধীমন বড়–য়া, সাংবাদিক জোবায়ের নোবেল, সাংবাদিক আব্দুস সালাম রানা, চলচ্চিত্র দর্শক সমিতির মহাসচিব ফিরোজ কবীর আকাশ উপস্থিত ছিলেন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১৫৯ বার

Share Button