» অন্তত একশ কেন্দ্রে ভোট জালিয়াতি হয়েছে ঃ বিএন পি

প্রকাশিত: ১৬. মে. ২০১৮ | বুধবার

কামরুজ্জামান হিমু

অন্তত একশ কেন্দ্রে ভোট জালিয়াতি হয়েছে খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এমন অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি সেসব কেন্দ্রের ফল বাতিল করে পুনরায় নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ।মঞ্জু বলেন, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ছেলে-পেলে বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র দখল করে ব্যালট পেপারে সিল মেরে বাক্স ভর্তি করে। এই রকম কেন্দ্রের সংখ্যা ১০০টিরও বেশি হবে।

মঙ্গলবার দিনভর ভোটগ্রহণ শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ফলাফল ঘোষণার মধ্যে সন্ধ্যার পর এই দাবি তোলেন তিনি।

কে ডি ঘোষ রোডে খুলনা মহানগর বিএনপি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে এসে মঞ্জু যখন এই দাবি জানান, ততক্ষণে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির তালুকদার আবদুল খালেকের শিবিরে জয়োল্লাস শুরু হয়ে গেছে।

সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত খুলনা নগরীর ৩১ ওয়ার্ডে ভোট গ্রহণ করা হয়। ২৮৯ কেন্দ্রের মধ্যে তিনটি কেন্দ্রে অনিয়মের কারণে ভোট স্থগিত হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন বলেছে, বিচ্ছিন্ন দুই-একটি ঘটনা ছাড়া উৎসবমুখ পরিবেশে ভোট গ্রহণ হয়েছে। বিএনপি যেসব অভিযোগ করেছে, তা সুনির্দিষ্ট নয়।

বিএনপির অভিযোগ ‘হাস্যকর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

অন্যদিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একে ‘প্রহসনের ভোট’ আখ্যায়িত করে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের দাবি তুলেছেন ।

মঞ্জু বলেন, খুলনাবাসী এই ফলাফল প্রত্যাশা করেনি। তারা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে চেয়েছে। সেই স্বপ্ন ধুলিসাৎ করে দিয়ে গভীর রাত থেকেই ভোট ডাকাতির মহড়া শুরু হয়েছে। দিনব্যাপী ভোট ডাকাতির যে চিত্র খুলনাবাসী দেখেছে, সেই নির্বাচন অগ্রহণযোগ্য।

এ ধরনের ‘ভোট ডাকাতির নির্বাচন’ বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে ‘আরও সঙ্কটে ফেলবে’ বলে মন্তব্য করেন সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জু।

তিনি বলেন, “আমি আমার পূর্বের বক্তব্যে বলেছিলাম, এই নির্বাচন ভাল না হলে, আগামী জাতীয় নির্বাচন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়বে।

খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি মঞ্জু এবারই প্রথম মেয়র নির্বাচনে অংশ নিলেন।

বুধবার সকাল ১০টায় দলীয় কার্যালয়ে মঞ্জু সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাবেন বলে জানান খুলনা মহানগর বিএনপির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এহতেশামুল হক শাওন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ২৩৭ বার

Share Button