অনলাইনে সহজেই আয়

প্রকাশিত: ৬:৩০ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৭, ২০১৫

অনলাইনে সহজেই আয়

এসবিএন ডেস্ক:

একদম নতুন যারা মাত্র মাত্র অনলাইনে আয়ের নাম শুনলেন বা আগ্রহী তাদের জন্য অনলাইনে আয় সম্পর্কে সুপার এক্সক্লুসিভ পোস্ট যা না পড়লে সত্যিই অনেক বড় মিস করবেন।

আচ্ছা অনলাইনে কি সত্যিই আয় করা যায়? নাকি পুরোটাই ভূয়া

অনলাইন হচ্ছে এমন একটি প্লাটফর্ম যেখানে সঠিক রাস্তায় হাটলে অবশ্যই আয় করা সম্ভব। এবং এই আয়টা আমাদের দেশের অনেক চাকুরীজীবীদের মার্কেটের তুলনায় অনেক ভাল। এবং এখানে রয়েছে কাজ করার পূর্ণ স্বাধীনতা।

তাহলে চলুন শুরু করা যাক- অনলাইনে আয় কি?

আসলে অনলাইনে আয় বলতে এক কথায় ইন্টারনেট থেকে টাকা উপার্জনকে বোঝায়। অনলাইন থেকে আয় করার প্রথম এবং পূর্ব শর্ত হচ্ছে একটি কম্পিউটার এবং সচল ইন্টারনেট সংযোগ। এই দুটি না থাকলে অনলাইন থেকে আয় করা সম্ভব নয়। এই ক্ষেত্রে কিছু স্পেশাল কাজ ব্যতীত নরমাল যে কোন কম্পিউটার দিয়েই এই কাজ গুলো করা সম্ভব। এর জন্য বিশেষ সুবিধা সম্পন্ন বা হাই কনফিগারেশনের কোন কম্পিউটারের প্রয়োজন নেই। তবে, অতিমাত্রায় লক্কর-ঝক্কর কমিপিউটার না ব্যবহার করার-ই পরামর্শ রইল আমার।

এবার আসি কাজে, কি কাজ

নতুনরা প্রায়ই শুনে থাকেন অমুক অই কাজ করে, আবার আরেকজন অন্য কাজ করে, তাহলে এই বিভিন্ন কাজ গুলো কি?

ইন্টারনেটকে আমাদের বাস্তব জীবনের সাথে তুলনা করলে সহজেই অনলাইনে আয়ের ব্যাপারটা বোঝা সম্ভব। আমাদের বাস্তব জীবনে আমরা সাধারণত দুই ভাবে অর্থ উপার্জন করে থাকি।
১. চাকুরি
২. ব্যাবসা

ঠিক তেমনি ইন্টারনেটের ভার্চুয়াল জগতেও (ভার্চুয়াল জগত হচ্ছে যেটা ধরা যায় না, বা কম্পিউটার সংক্রান্ত) আপনি ঠিক দুই ধরনের পদ্ধতিতেই টাকা আয় করতে পারবেন।

এখানেও রয়েছে ব্যাবসা এবং চাকুরি উভয়েরই সুযোগ। আর এই চাকরি এবং ব্যাবসা সংক্রান্ত কাজগুলো সম্পর্কে নতুনদের মাঝে পরিষ্কার ধারনা থাকতে হবে। কারন, আপনাকে কাজ করার পূর্বে অবশ্যই জেনে নিতে হবে আপনি কি করতে যাচ্ছেন, কেন করতে যাচ্ছেন। না জেনে যে কোন সিদ্ধান্ত আপনার ব্যর্থতার বড় কারণ হয়ে উঠতে পারে। আর তাই চলুন এই দুই ধরনের আয় সম্পর্কে সংক্ষেপে ধারনা নেয়ার চেস্টা করি।

তাহলে চলুন দেখি অনলাইন থেকে ব্যাবসা করে কিভাবে আয় করা যায়

আমাদের বাস্তব জীবনের মত অনলাইনেও ব্যাবসা করে আয় করা যায়। ইন্টারনেটে ব্যাবসা এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে অনলাইনে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি। এমন অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা অনলাইনে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা পন্য বিক্রি করছে। আমরা জানি এখন অনলাইনে হাত ঘড়ি থেকে শুরু করে মোবাইলও ইন্টারনেট থেকে কেন যায়। আর অনলাইনে প্রোডাক্ট বিক্রির এই ব্যাবসাকে বলা হয় ই-কমার্স বিজনেস। এছাড়াও অনলাইনের অন্যান্য ব্যাবসার মধ্যে রয়েছে- ব্লগিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ইত্যাদি।

ব্লগিং হচ্ছে ইন্টারনেটের সবচাইতে কমন এবং জনপ্রিয় ব্যাবসা

ব্লগিং হচ্ছে এমন এক ধরনের ব্যাবসা যেখানে আপনাকে আগে ভাল মানের তথ্য সমৃদ্ধ একটি ব্লগ (ব্লগ হচ্ছে এক ধরনের ওয়েবসাইটে যেখানে নিয়মিত বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি হয়ে থাকে) তৈরি করতে হবে, যেখানে আপনি বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার করবেন। এতে করে প্রতিনিয়ত আপনার শেয়ার করা তথ্যগুলো জানার জন্য অনেকেই আপনার সাইটে আসতে থাকবে। ধীরে ধীরে আপনার ব্লগ জনপ্রিয় হয়ে উঠলে আপনি সেই ব্লগে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন বসিয়ে আপনি আপনার ব্লগ থেকে আয় করতে পারেন। ব্যাপারটা আরো একটু ক্লিয়ার করা যাক-

ধরুন- আপনার একটি শিক্ষা বিষয়ক ওয়েবসাইট আছে। এই ওয়েবসাইটে আপনি নিয়মিত বিভিন্ন শিক্ষণীয় বিষয় নিয়ে লিখালিখি করেন। আর আপনার এই লিখা পড়ার জন্য এক জন দুজন করে রোজ আপনার সাইটে বিভিন্ন লোক আসে, কারন আপনার লিখাগুলো মানসম্মত এবং এখান থেকে মানুষেরা উপকৃত হয়। তো এমন এক সময় আসবে যখন একজন দুইজন করতে করতে প্রচুর লোক আপনার লিখা পড়ার জন্য নিয়মিত আপনার ওয়েবসাইটে আসবে।

এমতাবস্থায়, যেহেতু আপনার সাইটে বিভিন্ন ধরনের লোক প্রতিদিন ভিজিট করে তাই বিভিন্ন কোম্পানীর বিজ্ঞাপন আপনার ওয়েবসাইটে প্রদর্শন করিয়ে আপনি সেখান থেকে আয় করতে পারেন। ব্যাপারটা অনেকটা সংবাদপত্রের মত। বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ পড়ার সময় আমরা বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপন দেখতে পাই। যে পত্রিকার পাঠক যত বেশি তার বিজ্ঞাপন রেট তত বেশি এবং আয়ও তত বেশি। ঠিক একই ভাবে আপনার সাইটের ভিজিটর বা পাঠক যত বেশি হবে আপনার সাইটের বিজ্ঞাপন রেটও তত বেশি হবে এবং আপনার আয়ও তত বেশি হবে। পত্রিকা এবং আপনার মধ্যে পার্থক্য শুধু এই জায়গায় পত্রিকা গুলো হচ্ছে অফলাইন আর আপনার ওয়েবসাইট হচ্ছে অনলাইন। অবশ্যই এখন প্রায় সকল জাতীয় পত্রিকা গুলোরই অনলাইন ভার্শন রয়েছে এবং তাদের ওয়েবসাইট গুলোতে গেলে আপনারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দেখতে পাবেন যেগুলো দিয়ে তারা আয় করে চলেছে।

এই হচ্ছে কমন ধারনা, এটা নিয়ে সময় হলে ইনশাআল্লাহ্‌ ভবিষ্যতে বিস্তারিত বলব। মূল আইডিয়া আশা করি সবাই ভালভাবে বুঝতে পেরেছেন।

এবার দেখি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং দিয়ে কিভাবে ব্যাবসা করা যায় অনলাইনে

ধরুন আপনার জ্বর আসল। আপনি ডাক্তারের কাছে গেলেন। ডাক্তার আপনাকে দেখে বললেন অমুক হাসপাতাল থেকে আপনাকে এই টেস্টগুলো করিয়ে নিয়ে আসতে হবে। এখন, ভাবুন তো, ডাক্তার আপনাকে অমুক হাসপাতালের কথা কেন বললেন? টেস্ট তো যে কোন হাসপাতাল থেকেই করানো যেত! হ্যাঁ, ডাক্তার আপনাকে অমুক হাসপাতালের কথা এই জন্যই বলেছেন কারন সেই হাসপাতাল থেকে টেস্ট করালে আপনার টেস্ট এ যা টাকা আপনি হাসপাতালকে দিবেন তার কিছু অংশ ওই ডাক্তার পাবেন। এর মানে হচ্ছে ডাক্তার ওই হাসপাতালের একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে কাজ করেছেন। ঠিক এটাই হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং। এখানে, আপনাকে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য অনলাইনে প্রচার চালিয়ে বিক্রি করে দিতে হয়। প্রতি বিক্রিতে ওই কোম্পানি আপনাকে কিছু কমিশন দেয়। আর এইভাবেও অনেকেই আয় করে চলেছেন। আশা করি এই বিষয়েও ধারনা পেয়েছেন।

এই তো গেল ইন্টারনেট ভিত্তিক কিছু ব্যবসার নমুনা। তাহলে চলুন দেখি ইন্টারনেটে আপনি কিভাবে চাকরিও করতে পারবেন!

ইন্টারনেটে চাকরি বা ফ্রীল্যান্সিং

ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা ঘরে বসেই বিভিন্ন দেশের কোম্পানীর সাথে কাজ করতে পারি। নতুনদের কাছে অনেকটা আশ্চর্যের শোনালেও এটাই সত্য। ইন্টারনেটের চাকরিটা অনেকটা আমাদের বাস্তব জীবনের মত হলেও এখানে রয়েছে অনেক সুবিধা। রিয়েল লাইফে চাকরি করতে প্রয়োজন সার্টিফিকেট, লিঙ্ক, ঘুষ আরও অনেক কিছু। কিন্তু ইন্টারনেটে চাকরি করতে গেলে এই গুলোর কোন প্রয়োজন নেই, এখানে দরকার শুধু দক্ষতা। বাস্তব জীবনে যেমন চাকরির একটা গদবাধা সময় থাকে, নিয়ম থাকে, এখানে কিন্তু এমন কিছুই নেই। এখানে আপনি সম্পূর্ণই স্বাধীন বা মুক্ত। আর এই জন্যই এই চাকরিকে বলা হয়ে থাকে ফ্রীল্যান্সিং বা মুক্তপেশা। শুধুমাত্র ভালভাবে কাজ জানা থাকলে আপনিও এই সেক্টরে কাজ করতে পারেন। বর্তমানে আমাদের দেশে এই রকম কয়েক লক্ষ ফ্রীল্যান্সার আছেন যারা অনলাইন থেকে এইভাবে চাকুরি বা ফ্রীল্যান্সিং করে আয় করছেন। এর প্রমান কিন্তু এই পোস্টের উপরেই দেয়া আছে। যাই হোক, তাহলে চলুন এবার দেখি কোথায় এবং কিভাবে এই চাকরি পাওয়া যায়।

তাহলে চাকরী পাবেন কোথায়, দিবে কে

হ্যা, আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আমরা বিভিন্ন জায়গায় চাকরির বিজ্ঞাপন দেখে থাকি। যেমন ধরুন- প্রথম আলো বা বিভিন্ন পত্রিকায় আলাদা একটি কলাম ই থাকে চাকরির বিজ্ঞাপনের জন্য, যেখানে বিভিন্ন চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান তাদের কোম্পানীতে চাকুরির জন্য বিজ্ঞাপন দেয় এবং আমরা পত্রিকায় সেই বিজ্ঞাপন দেখে ওই কোম্পানীর সাথে চাকুরির জন্য যোগাযোগ করি।

অনলাইনের চাকুরির ব্যাপারটাও অনেকটা একই রকম। তবে এখানে, চাকুরীদাতা এবং আপনার মধ্যে একটি সিকিউর বা নিরাপদ যোগসূত্র তৈরি করার জন্য রয়েছে অনলাইনে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস। এই সকল মার্কেটপ্লেস গুলো মূলত হচ্ছে এক একটি ওয়েব সাইট। এই সকল সাইটে মূলত দুই ধরনের অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। একটি হচ্ছে ফ্রীল্যান্সার বা ওয়ার্কার অ্যাকাউন্ট এবং আরেকটি হচ্ছে বায়ার বা ক্লাইন্ট অ্যাকাউন্ট। একই সাইটে এই দুই ধরনের লোক থাকেন, একদল কাজ দেন এবং একদল কাজ করেন। যারা কাজ দেন তাদের বলে বায়ার বা ক্লাইন্ট, আর যারা কাজ করেন তাদের বলে ওয়ার্কার বা ফ্রীল্যান্সার।

যেমন, এই ধরনের জনপ্রিয় ফ্রীল্যান্সিং ওয়েবসাইট/মার্কেটপ্লেস হচ্ছে- আপওয়ার্ক.কম যার পূর্ব নাম ছিল ওডেস্ক.
আচ্ছা ক্লিয়ার হলেন না তো? তাহলে একটি উদাহরন দেখুনঃ

ধরুন- একটি অফিসের/কোম্পানীর জন্য একটি ওয়েবসাইট বানানোর প্রয়োজন। এখন, ওই অফিসের মালিক কোথায় খুজবেন এমন একজনকে যিনি তার অফিসের জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করে দিবেন?

তাই এই ধরনের একজন ওয়ার্কার খুজে পাওয়ার জন্য তিনি বিভিন্ন ফ্রীল্যান্সিং সাইটে “একজন দক্ষ ওয়েব ডিজাইনার প্রয়োজন”- শিরোনাম লিখে একটি জব পোস্ট করলেন। এখন যেহেতু ওই ক্লাইন্ট একজন ওয়েব ডিজাইনার চাইছেন, তাই আপনার যদি ওই ফ্রীল্যান্সিং সাইটে কোন অ্যাকাউন্ট থেকে থাকে তাহলে আপনি ওই ক্লাইন্টের ওই জবটিতে কাজ করার জন্য আবেদন করতে পারেন। একই ভাবে কাজটি করার জন্য আপনার মত আরও অনেক ওয়ার্কার আবেদন করবে এবং ক্লাইন্ট তখন বিভিন্ন জিনিস যাচাই বাছাই এবং ইন্টারভিউ এর মাধ্যমে আপনাদের মধ্য থেকে একজন বা একের বেশি জনকে কাজটি করতে দিবে। এই ভাবে আপনি যদি কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করে ক্লাইন্টের কাছে জমা দিতে পারেন তাহলে ক্লাইন্ট আপনাকে পেমেন্ট করে দিবে।

আচ্ছা, সেটা তো বুঝলাম! তাহলে ক্লাইন্ট আমাকে কিভাবে পেমেন্ট করবে? আর আমি টাকাটা পাবই বা কিভাবে?

হ্যা, কাজটি যদি আপনি সফলভাবে করে দিতে পারেন তাহলে ক্লাইন্ট আপানকে সরাসরি পেমেন্ট করবে না। ক্লাইন্ট পেমেন্ট করবে সেই ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে যেখানে আপনার সাথে ক্লাইন্টের পরিচয় হয়েছে। মানে, আপনি যেই ওয়েবসাইট থেকে কাজটি পেয়েছিলেন, ক্লাইন্ট সেখানেই আপনাকে পেমেন্ট করবে। সেই ওয়েবসাইট আপনার অ্যাকাউন্টে মোট পেমেন্ট থেকে ১০% চার্জ কেটে রেখে দিয়ে বাকি টাকা আপনার অ্যাকাউন্টে জমা করবে। এই ডলার আপনি বাংলাদেশী অনলাইন সাপোর্ট করে এমন যে কোন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন কোন রকমের ঝামেলা ছাড়াই। এবং এই ডলার আটোমেটিক আমাদের দেশীয় টাকায় কনভার্ট হয়েই আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।
অনেকেই তো বলে টাকা তুলতে গেলে নাকি পেপাল, মাস্টারকার্ড ইত্যাদি থাকতে হবে?

এক কথায় আমি বলব, না। ফ্রীল্যান্সিং যে টপ সাইট গুলো আছে সেখান থেকে আপনি সরাসরি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টেই টাকা তুলতে পারবেন। এমনকি টাকা আপনার অ্যাকাউন্টে ডলারে আসলেও আপনি ব্যাংকে ট্রান্সফার করার পর সেটি টাকায় কনভার্ট হয়ে যাবে। তাই পেমেন্ট নিয়ে ভয় পাওয়ার কোন কারন নেই।

তবে কিছু সাইট রয়েছে যেখান থেকে টাকা তুলে গেলে একটি মাস্টারকার্ড প্রয়োজন হবে। তবে, মাস্টারকার্ড পাওয়া তেমন কঠিন কিছুই না। Payoneer থেকে আপনারা চাইলে সম্পূর্ণ ফ্রীতেই একটি মাস্টারকার্ড পেতে পারেন। এটি নিয়ে পরে একদিন বিস্তারিত লিখব ইনশাআল্লাহ।

যাই হোক, ওডেস্ক/আপওয়ার্ক, ইল্যান্স, ফ্রীল্যান্সার ইত্যাদি টপ কোয়ালিটি ফ্রীল্যান্সিং সাইট থেকে আপনি সরাসরি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা তুলতে পারবেন, তাই পেমেন্ট নিয়ে এত চিন্তিত হওয়ার কিছুই নেই।

আপনি করবেন কোনটা, চাকারি নাকি ব্যাবসা

চাকরি বা ব্যাবসা যেটাই করেন না কেন, এই ক্ষেত্রে প্রথমেই আমি আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি। আমাদের দেশের অধিকাংশ লোক যারা ইন্টারনেটের সাথে জড়িত তাদের মধ্যে অধিকাংশের ক্ষেত্রেই দেখা যায়, তারা প্রথমে চাকরি বা ফ্রীল্যান্সিং দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করে এবং পরবর্তীতে ব্যাবসার দিকে ঝুকে যায়। অধিকাংশই শুরুতে ব্যাবসা করতে চান না, কারন- ব্যাবসা করতে ছোট হলেও ইনভেস্ট করতে হয় এবং সফলতার জন্য প্রচুর পরিশ্রম এবং রিস্ক নিতে হয়। অপরদিকে চাকুরি বা ফ্রীল্যান্সিং এর জন্য কোন ইনভেস্টমেন্ট লাগে না এবং এটা রিস্ক ফ্রী !

আর এই জন্যই আমাদের দেশের অধিকাংশ লোকই প্রথমে ফ্রীল্যান্সিং দিয়ে শুরু করে এবং এরপর অনলাইন থেকে উপার্জিত অর্থকে কাজে লাগিয়ে নিজের সুবিধামত সময়ে ব্যাবসার দিকে ঝুকে যায়। এই জন্য, আপনি যদি প্রথমে ইনভেস্ট করতে না চান, এবং রিস্ক নিতে না চান তাহলে আমার সাজেশন থাকবে চাকুরি বা ফ্রীল্যান্সিং শুরু করুন। এতে করে আপনাকে কোন টাকা ইনভেস্ট করতে হবে না এবং এখানে লস হওয়ার কোন রিস্ক ও নেই 🙂

ফ্রীল্যান্সিং শুরু করবেন যেভাবে

অনলাইনে চাকুরি বা ফ্রীল্যান্সিং করতে গেলে আপনার কোন জামানত, লিঙ্ক বা ঘুষের প্রয়োজন হবে না। যারা ফ্রীল্যান্সিং এর কথা বলে আপনার কাছ থেকে টাকা চায় তাদের থেকে দূরে থাকবেন। এই সেক্টরে কাজ করতে গেলে আপনার শুধুমাত্র জানা থাকতে হবে কাজ। কাজ শিখে দক্ষ হয়ে তারপরেই শুধুমাত্র এই সেক্টরে আসতে হবে। কাজ জানা না থাকলে এখানে সফলতা পাওয়া যাবে না। এই জন্য প্রথমেই আপনাকে ভালভাবে কাজগুলো শিখতে হবে। আর তাই নতুন অবস্থায় আপনি যাতে সম্পূর্ণ প্রফেশনালভাবে কাজ শিখতে পারেন এর জন্য আমাদের আইটি বাড়ি এর রয়েছে সুপার কোয়ালিটি বাংলা ভিডিও টিউটোরিয়ালসমূহ। যেখানে আপনি ঘরে বসেই ভিডিও দেখার মাধ্যমে প্রতিটি কাজ শিখতে পারবেন প্রোফেশনাল ভাবে। এটি দেখে অনেকেই কাজ শিখেছেন এবং অনেকেই ইন্টারনেট থেকে কাজ করে আয় করছেন।