আজ পঞ্চম বিজিবি দিবস , বর্ণাঢ্য আয়োজন

প্রকাশিত: ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ২০, ২০১৫

আজ পঞ্চম বিজিবি দিবস , বর্ণাঢ্য আয়োজন

এসবিএন ডেস্ক:
আজ পঞ্চম বিজিবি দিবস। এ উপলক্ষে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সকাল ৭টায় রেজিমেন্টাল পতাকা উত্তোলন ও ‘সীমান্ত গৌরব’-এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে দিবসের কার্যক্রম।

এদিকে দিবসটি উপলক্ষে বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেছেন,
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এখন অত্যন্ত দক্ষ, সুসংগঠিত এবং গতিশীল।

২০ ডিসেম্বর (রোববার) বিজিবি দিবস-২০১৫ উপলক্ষে গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আধা সামরিক এ বাহিনীর প্রধান এ মন্তব করেন।

২০১০ সালের ২০ ডিসেম্বর নতুন নাম নিয়ে যাত্রা করে বিজিবি। দেশের সীমান্ত রক্ষী এ বাহিনীর নাম বদলের পাঁচ বছর আজ।

বিজিবির মহাপরিচালক আজিজ আহমেদ এ উপলক্ষে আরও বলেছেন, বিজিবি একটি ঐতিহ্যবাহী বাহিনী। যার ইতিহাস ২২০ বছরের পুরোনো। যদিও ২০০৯ সালে একটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা পুরো বাহিনীর ঐতিহ্যকে ম্লান করে দিয়েছিল। তবে বিগত বছরগুলোতে বিজিবি’র বর্তমান সদস্যরা অক্লান্ত পরিশ্রম, সততা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে সেই কালিমা মুছে ফেলতে সক্ষম হয়েছে।

বিজিবি এখন অত্যন্ত দক্ষ, সুসংগঠিত এবং গতিশীল একটি বাহিনী বলেও মন্তব্য করেন বাহিনীর প্রধান।

২০১০ সালের এ দিনে বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) নাম পরিবর্তন করে নতুনভাবে যাত্রা শুরু হয় বিজিবি’র। যদিও এই নাম পরিবর্তনের ইতিহাস মোটেই সুখকর ছিল না।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানা সদর দপ্তরে কিছু উচ্ছৃঙ্খল জওয়ান ইতিহাসের বিভীষিকাময় নারকীয় হত্যাকাণ্ড চালায়। ওই ঘটনায় বিদ্রোহীদের হাতে প্রাণ হারান ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন।

এরপরেই এ বাহিনীর নাম পরিবর্তন ও পুনর্গঠনের দাবি ওঠে। পরে বাহিনীর নাম ও পোশাক পরিবর্তনসহ ব্যাপক সংস্কার আনা হয়।

‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ আইন-২০১০’ জাতীয় সংসদে পাস হওয়ার পর ২০১০ সালের ২০ ডিসেম্বর নতুন নামে এ বাহিনীর যাত্রা শুরু হয়।

‘১৭৯৫ সালের ২৯ জুন মাত্র ৪৪৮ জন সৈন্য নিয়ে রামগড় লোকাল ব্যাটালিয়ন নামে গোড়াপত্তন হওয়া বিজিবি এখন জনগণের আস্থার জায়গা।’ -বলেন মহাপরিচালক।

ছড়িয়ে দিন