আজ বিরল চন্দ্রগ্রহণ দুপুর ১টা হতে সন্ধ্যা ৬টা

প্রকাশিত: ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১৯, ২০২১

আজ বিরল চন্দ্রগ্রহণ দুপুর ১টা হতে সন্ধ্যা ৬টা

ডেস্ক রিপোর্টঃ চন্দ্রগ্রহণের ইতিহাসে বিরলতম ঘটনাটি ঘটতে যাচ্ছে আজ শুক্রবার পূর্ণিমার দিনে। ৫৮০ বছরের মধ্যে এ দিনে দেখা যাবে দীর্ঘতম খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ যা স্থায়ী হবে টানা তিন ঘণ্টা ২৮ মিনিট ২৩ সেকেন্ড। চাঁদের রঙ হবে রক্তের মতো লাল। যে কারণে এর নাম ‘ব্লাড মুন’ বা ‘বিভার মুন’ও। খণ্ডগ্রাস হলেও ৯৭ শতাংশ গ্রহণ হবে চাঁদের। আকাশ পরিস্কার থাকলে বাংলাদেশের আকাশে কোথাও কোথাও এই গ্রহণ আংশিক দেখা যাবে। তবে চলতি শতাব্দীতেই আকাশে আর এমন দৃশ্য দেখা যাবে না।

 

 

আংশিক চন্দ্রগ্রহণ হবে ছয় ঘণ্টার বেশি, যেটি গত ৫৮০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘতম সময়। আশিংক চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ অনেকটা লাল আকার ধারণ করবে। তবে প্রায় পূর্ণ-চন্দ্রগ্রহণ চলবে তিন ঘণ্টা ২৮ মিনিট ২৩ সেকেন্ড পর্যন্ত। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার দুপুর ১টা ১৯ মিনিটে মূল চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে। এবারের চন্দ্রগ্রহণ সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান হবে উত্তর আমেরিকা থেকে। এছাড়া দক্ষিণ আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং এশিয়া থেকেও কিছুটা দেখা যাবে এ চন্দ্রগ্রহণ।

 

 

চন্দ্রগ্রহণের ইতিহাসে বিরলতম ঘটনাটি ঘটতে যাচ্ছে আজ শুক্রবার পূর্ণিমার দিনে। ৫৮০ বছরের মধ্যে এ দিনে দেখা যাবে দীর্ঘতম খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ যা স্থায়ী হবে টানা তিন ঘণ্টা ২৮ মিনিট ২৩ সেকেন্ড। চাঁদের রঙ হবে রক্তের মতো লাল। যে কারণে এর নাম ‘ব্লাড মুন’ বা ‘বিভার মুন’ও। খণ্ডগ্রাস হলেও ৯৭ শতাংশ গ্রহণ হবে চাঁদের। আকাশ পরিস্কার থাকলে বাংলাদেশের আকাশে কোথাও কোথাও এই গ্রহণ আংশিক দেখা যাবে। তবে চলতি শতাব্দীতেই আকাশে আর এমন দৃশ্য দেখা যাবে না।

 

 

আংশিক চন্দ্রগ্রহণ হবে ছয় ঘণ্টার বেশি, যেটি গত ৫৮০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘতম সময়। আশিংক চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ অনেকটা লাল আকার ধারণ করবে। তবে প্রায় পূর্ণ-চন্দ্রগ্রহণ চলবে তিন ঘণ্টা ২৮ মিনিট ২৩ সেকেন্ড পর্যন্ত। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার দুপুর ১টা ১৯ মিনিটে মূল চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে। এবারের চন্দ্রগ্রহণ সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান হবে উত্তর আমেরিকা থেকে। এছাড়া দক্ষিণ আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং এশিয়া থেকেও কিছুটা দেখা যাবে এ চন্দ্রগ্রহণ।

 

 

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আকাশ পরিষ্কার থাকলে বাংলাদেশে চন্দ্রোদয়ের পর থেকে গ্রহণ শেষ হওয়া পর্যন্ত আংশিক দেখা যাবে। সেক্ষেত্রে ঢাকা থেকে দেখা যাবে বিকেল ৫টা ১৩ মিনিট ৪২ সেকেন্ড থেকে ছয়টা পাঁচ মিনিট ৩০ সেকেন্ড পর্যন্ত।

 

 

চলতি বছরে সর্বশেষ ও দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ হচ্ছে শুক্রবারই। প্রথমটি দেখা গিয়েছিল ২৬ মে। যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানায় বাটলার বিশ্ববিদ্যালয়ের হলকোম্ব অবজারভেটরি ও নাসা জানিয়েছে, শুক্রবার এই চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে চীন, জাপানসহ গোটা পূর্ব এশিয়ায়। উত্তর ইউরোপ, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোতেও দেখা যাবে।

 

 

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আকাশ পরিস্কার থাকলে বিকেল ৫টা ৫ মিনিট থেকে ১৮ মিনিটের মধ্যে ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আংশিক দেখা যাবে এই খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ।

 

 

সূর্য, পৃথিবী এবং চাঁদ যখন একই সরলরেখায় চলে আসে তখনই চন্দ্রগ্রহণ হয়। সূর্য এবং চাঁদের মাঝখানে পৃথিবী চলে আসে। তখন সূর্যের আলো পৃথিবীতে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে চাঁদের উপরে পড়তে পারে না। চাঁদ যেহেতু সূর্যের আলোয় আলোকিত, সেজন্য সূর্যের আলো পৃথিবীর দ্বারা আটকে গেলে চন্দ্রগ্রহণ হয়। চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া দেখি।

 

 

তবে চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ পুরোপুরি অন্ধকার হয়ে যায় না। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করে কিছুটা আলো চাঁদের উপর পড়ে। তখন অনেকটা লালচে আকার ধারণ করে। এবারের চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের প্রায় ৯৭ শতাংশ পৃথিবীর ছায়া দ্বারা ঢেকে যাবে বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন।

ছড়িয়ে দিন