আন্ত:দেশীয় অপরাধ দমনে প্রয়োজন আঞ্চলিক সহযোগিতা

প্রকাশিত: ৩:৩৫ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০১৬

আন্ত:দেশীয় অপরাধ দমনে প্রয়োজন আঞ্চলিক সহযোগিতা

এসবিএন ডেস্ক: আন্ত:দেশীয় অপরাধ প্রতিরোধে সার্ক সদস্য দেশসমূহের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে আঞ্চলিক এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা গড়ে তুলতে হবে। সন্ত্রাসবাদ এবং জঙ্গিবাদ এখন আর কোনো একক দেশের সমস্যা নয়। এ ধরনের অপরাধ বর্তমানে বৈশ্বিক সমস্যা হিসেবে বিবেচিত।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পুলিশের মহা-পরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক সার্ক প্রেক্ষিত’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, মানবপাচার, চোরাচালান, মানি লন্ডারিং, মাদকদ্রব্য পাচার ইত্যাদি সংঘবদ্ধ অপরাধ কোনো একক দেশের জন্যই শুধু ক্ষতিক্ষর নয়। মানবতা ও মানুষের নিরাপত্তার জন্যও হুমকি।

তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের জনগণের পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের ইতিহাস দীর্ঘদিনের। আমরা সকলে মিলে সমন্বিতভাবে আমাদের দক্ষতা এবং সামর্থ্যকে কাজে লাগিয়ে এ ধরনের অপরাধ মোকাবিলা করতে পারি।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান প্রশিক্ষণার্থীদের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। অর্জিত জ্ঞান নিজ নিজ দেশে অপরাধ দমনে কাজে লাগানোর জন্য তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের প্রতি আহবান জানান।

পুলিশ প্রধান কোর্সটিতে অফিসার প্রেরণ করায় সার্কের সংশ্লিষ্ট দেশসমূহের সরকার, সার্ক সচিবালয় এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বক্তব্য রাখেন মালদ্বীপের চিফ ইন্সপেক্টর হাসান সাঈদ। তিনি বলেন, এ প্রশিক্ষণের ফলে সার্ক দেশের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ের অপূর্ব সুযোগ ঘটেছে, যা নিজ দেশে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

তিনি এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ কোর্স আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ সরকার, পুলিশ সদর দপ্তর এবং পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। এসময়ে আইজিপি প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করেন।

পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রেক্টর ফাতেমা বেগম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত আইজিপি (হিউম্যান রিসোর্স এন্ড প্লানিং) মো. মইনুর রহমান চৌধুরী।

উল্লেখ্য, প্রশিক্ষণ কোর্সটিতে ভুটানের দুইজন, শ্রীলঙ্কার ২ জন, মালদ্বীপের ২ জন এবং বাংলাদেশের ১১ জন পুলিশ সুপার। মোট ১৭ জন পুলিশ কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেছেন।

ছড়িয়ে দিন