আমার শহর

প্রকাশিত: ১১:০২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩, ২০১৮

আমার শহর

 

শিশির বিন্দু বিশ্বাস

এই শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত
রটিয়ে দিয়েছে এই কথা যে জানা কিন্তু অজানার মধ্যে কিছু একটা চাপা দিচ্ছে সাধারনের ভাবনার চাকা দিয়ে সম্ভাবনার স্বাক্ষী সবুদ,নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার ছাউনিতে ঢেকে পাহারা দেয় এই পাহারাদার রাতের পর রাত জেগে,তবু কি হয় শান্তি? অন্যায়ের দশ হাত এগিয়ে এসে কেড়ে নেয় সবার ভাল থাকা,ফিকে হয়ে উঠে সব পাওয়া,না পাওয়ার বেদনারা কাড়াকাড়ি করে ক্ষত জায়গাটার চারপাশে সাধারনের বুঝতে না পারা সব দিয়ে ঢেকে দিয়ে যায় আশ্বাসের মলম !বড় ই কাজের মলম সেটি “কিছুই করার নেই ” আর ” এভাবেই চলছে এভাবেই বাচতে শেখ” র মিশ্রন।নতুন কোন
উদ্ভাবনী শক্তি ছাড়া যে সভ্যতা এক পা আগায় না,দম বন্ধ সব আগুন্তুক নব্য প্রজন্মের, এরা কি তা বোঝে? কার গাড়ির তলায় আসলে কার প্রান যেয়ে অন্য জীবনে ঘাটি গড়ে তার খোলা চোখের হিসাব কেই বা জানে?হিড়িকে হিড়িকে কাজ খুজে নেয় সব সুবিধাবাদী, মরন যেন পানিভাত, পেট পুড়ে খায় ব্যাক্তিস্বারথের মরিচ ঢলে যখন, যেখানে,যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে। এদের ক্ষিদের কি শেষ নেই? সেই কবে থেকে খাচ্ছে তো খাচ্ছেই,থামার নাম তো নেই। একদিন নিজেই “স্বার্থ ” নিজের চাকার তলে পিষ্ট হবে সেদিন উঠবে সব না পাওয়ার দল, ওরা অসহায় ছিল তাই পারে নি এই বিশ্বের হিংস্র দাঁত থেকে বাঁচতে , কি হবে সেদিন?বাকিটা ভাবনায় খেলা করুক। আমার শহর ক্ষত কমায় মলম দিয়ে, ক্ষতির হিসাব বাকি থাকে ঘাতকের ঘাত প্রতিঘাতে শহর পুড়ে !