একটি বিজ্ঞান কবিতা

প্রকাশিত: ৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২, ২০১৮

একটি বিজ্ঞান কবিতা

হাসিদা মুন

শরীর যার আরেক নাম ‘দেহ”
সে হচ্ছে কিছু এনার্জির সমষ্টি বা ‘রিসিভার’
তাঁর সূক্ষ্ম অবস্থা জীবন্ত ঘূর্ণিয়মান আলোয় ঘেরা বলয় …

আলোর কণা ‘ফোটন’ আকারে দৃশ্যমান যা কিনা ‘ইফেক্টর’ হিসাবে কাজ করে থাকে
ধ্যানরত সাধকদের মস্তকের চতুর্দিকে ফটো – বা হ্যালো’  আকারে দেখা যায় ।
এই জ্যোতির দেহ- যখন তখন যেথা সেথায় বিভিন্ন সময়ে যেতে সক্ষম ।
যা স্থুল দেহের কয়েদ করা অবস্থা থেকে অনেকটা স্বাধীন ও বিস্তৃত
পরিসরে বেড়াতে পারে ।
যে মাধ্যমে এই বেড়ানোর বুঝাবুঝি পরিদৃষ্ট হয় তাঁকে ‘থার্ড আই’ – তৃতীয় নেত্র বলা হয় ।
যারাএই প্রকার দৃষ্টির ক্ষমতা রাখে সেটা তাঁদের কপালে উজ্জীবিত হয় ‘কাল্বী’ বা ‘জ্ঞাননেত্র’ হিসেবে ।

*****এই নেত্র উন্মোচিত না হলে সুক্ষ্মজগতে আর উন্নিত হওয়া যায় না *****

প্রচলিত সমাধিস্থ অবস্থা ‘যোগী’ বা ‘সুফী সাধক’কে তন্ময় করে মাত্র কিন্তু এই অবস্থা থেকে আরো বিভিন্ন অধ্যায় এ বিচরণ অনেক ক্ষেত্রেই বাধাগ্রস্থ হয়ে পড়ে …

প্রতি বস্তু থেকে এনার্জি এর বিকাশ আছে যা বিরাট শিল্পনিপুণতার আসবাবের মতো ,এক প্রেম ডোরে এক প্রকার বন্ধনে একে অপরের সাথে আবদ্ধ ।প্রমাণ – ‘ম্যাগ্নেটিজম’ ও ‘ইলেক্ট্রিসিটি’ ( Magnetic tie )

এই ম্যাগ্নেটিজম ও ইলেক্ট্রিসিটি প্রতি বস্তু কণায় কণায় নিহিত থেকে যায় বলেই প্রাণ সচল থাকে এবং একে অপরকে আকর্ষণ করে যায় ।
যার আকর্ষণের ফলেই , প্রত্যেক মানুষ ও অন্য জীব জন্তুর ভিতরে ভালবাসা জন্মায় …
ভালোবাসা -মোহাব্বতে মৌলিক নৈতিকতার সচেতনাগত কাজ করলে প্রজ্বলিত হয় ! আর কাউকে ‘হেয়’ বা অবমাননা করলে এই অবস্থাকে সে নিজেই ক্ষুন্ন বা স্তিমিত করে ফেলে…..

এই পর্যায়ে আবেশে করুণার উদ্রেক হয় , যাতে স্নেহশীল করে তোলে তাঁদের সুস্থ সুন্দর আত্মাকে , এবং সব মানুষই তাঁদের কাছে প্রিয়পাত্র হয়ে উঠে । তাঁরাও অন্যদের কাছে বিশেষ সমীহ ও সম্মান পেয়ে থাকেন । জগতবাসীর কুশলের জন্য তাঁরা অশ্রুসিক্ত চোখে দেখে থাকেন গোটা বিশ্বকে ই …

দেহ’’ শুধুই সে কি ভোগবাদের সম্পদ ?
বোধহয় , ‘না’ !!
নিজের দেহকে চিনবার ম্যাগ্নেফাইং ‘কাঁচ ‘ সেও – এই দেহ’…
হ্যাঁ ! তবে কিঞ্চিৎ কমাতে হয় লোভ , হিংসা , মোহ’ ……

‘লা’ এর নিচে ত্যাগের ‘হ্যাঁ‘ বর্তমান আছে , তাঁকে অবলোকন করা চাই । বস্তুর অন্তর্নিহিত আলো বস্তুর চতুর্দিকে এক আলোকচ্ছটা তৈরি রেখেছে সেই জ্যোতি । সেখানে থাকে ভালো হবার এক ‘ইচ্ছাশক্তি’ বা ‘উইল’ (will ) পারে – দৃশ্যউত্তর এ দৃশ্য দেখে স্ফটিক উজ্জ্বলতায় বিভোর হয়ে বিভূতিতে
ভেসে যেতে
অথবা সেখানে এসে যেতে
কিংবা – ফেঁসে যেতে …