একটু ফিরে তাকাও

প্রকাশিত: ৯:৫৭ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২৫, ২০১৮

একটু ফিরে তাকাও

কাজী কনক সিদ্দীকা

পিচের পুটপুটি উঠা রাস্তাটা তপ্ত রোদে পুড়েপুড়ে
বলছে “একটু ফিরে তাকাও”
রেল লাইনের পাশে জরাজীর্ণ বালকটি বলছে
একটু ফিরে তাকাও।

অসহায় পিতা মাতা সন্তানদের দ্বারা নিগৃহীত হয়ে বলছে
একটু ফিরে তাকাও।

ইউনিভার্সিটির ফাষ্টক্লাস পাওয়া ছেলেটি আজ ইয়াবার খপ্পরে ,দুঃখি মা কষ্টে চোখের লজ্জা মারিয়ে বলে –“একটু ফিরে তাকাও।

কোনো ঘুষখোরের বৌ এর বিবেক বর্জিত হাতে গড়ম খুন্তির ছ্যাকা খাওয়া মেয়েটি অসহায় চোখে চেয়ে বলে
একটু ফিরে তাকান।

কুকুরের মত লাঞ্ছিতা গৃহবধুটি কুকরে কুকড়ে কেঁদে বলে
একটু ফিরে তাকান।

দজ্জাল কতগুলি লোভী মেয়েদের ভাইটি দায়ীত্বের নামে জীবনের জেলখানা থেকে মুক্তির আশায় বলে উঠে
একটু ফিরে তাকান।

অলৌকিক কিছু ঘটে না, নাঘটিয়ে অলৌকিকবাদ চীৎকার করে বলে
একটু ফিরে তাকান।

ব্যাংকের লকারে সোনারা সব তামা হয়ে গিয়ে যন্ত্রনায় জাত হারিয়ে বলে
একটু ফিরে তাকান।

দেশপ্রেমিক সৎ রাজনীতিক নিঃস্ব হয়ে প্রবাসে পরগাছার মত বেঁচে থাকার যন্ত্রনায় চীৎকার করে বলে —
একটু ফিরে তাকান।

দুঃখি মা ভুল ট্রিটমেন্টের কারনে মৃত্যু পথযাত্রি সন্তানের জীবন্ত লাশ বুকে জড়িয়ে কেঁদে উঠে বলে
সামর্থের বাহিরে গিয়েও বাঁচানোর চেষ্টায় কী তার আকুতি
একটু ফিরে তাকান।

জঙ্গলে পরে থাকা শিশু ধর্ষিতা বালিকাটি রক্তাক্ত হয়ে বন কাঁপিয়ে চীৎকার করে বলে উঠে
কে কোথায় আছো —
একটু ফিরে তাকান।

সারা জীবনের কামাই দিয়ে এক খন্ড জমি কেনা সরকারী সৎ কর্মকর্তাটির জমিটা ভূমিদশ্যুদের কবলে চলে যাওয়ায় আজ সে সর্বহারা হয়ে শূন্য আকাশের নীচে পরিবার-পরিজন নিয়ে হতাশ হয়ে নীচু গলায় বলে উঠে –
একটু ফিরে তাকান।

বুকের ভেতরের শত কষ্ট নিয়ে নাবালিকা বধুটি সবার মন যোগাতে গিয়ে ক্লান্ত চোখে তাকিয়ে বলে উঠে,
একটু ফিরে তাকান।

ভালবাসার সুযোগসন্ধানী মানুষের কবলে পরে জীবনের সম্ভ্রম হারিয়ে ,লজ্জা ঘৃনা,অপমান বুকে নিয়ে বলে উঠে
একটু ফিরে তাকান।

তীব্র অভীমানে বাড়ির ছোট ছেলেটি ঘড় ছেড়ে পালিয়ে বেড়ায় ,মা তার আঁচল ভিজিয়ে কেঁদে কেঁদে বলে ,বাবা টাকে ঘড়ে ফিরিয়ে আনো ,শূন্য ঘড় আর ভাল্লাগে না –
একটু ফিরে তাকান।

কেরানির চাকুরি করে যে বাবাটি তার সন্তানকে বড় করেছে
সে সন্তান আর বাবার পরিচয় দেয় না উঁচুতলার ভয়ে
সে বাবা আজ জীবনের ঐশর্যের এক টুকরো আবর্জনা হয়ে বলে উঠে
বাবা একটু ফিরে তাকা ।

মানবাধিকার নামের ওই শ্বাসনতন্ত্রের জোকারদের কাছে নিপিড়িত জনগন চীৎকার করে বলে উঠবে একদিন —-
আপনারা গোলটেবিল নামক মহাউৎসব বন্ধ করুন,
অধিকারের কাজ করুন জনতার দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে,
মানুষের চেয়ে বড় কিছু নেই প্রমান করুন কাজ দিয়ে।
বক্তিতা অনেক দিয়েছেন কতজন শুনেছে সে আওয়াজ ?
আপনারা বন্ধ করুন সমাজ সংস্কারের নামে ধান্দাবাজি ,চাঁদাবাজির মর্ডান ধারা । একটিবার চেতনার চিন্তায় শাণ দিয়ে দেখুন কী পরিবর্তন হয়েছে আপনাদের সংগঠিত কর্মকান্ডে?

দেশের সব চাইতে বড় টেড়র হতে হয় পার্লামেন্টের সদস্য হতে হলে ,তবে কী সমাজের সবাই আমরা জীবন দশ্যু?সবাই হিংশ্র পশু?
তাকে দমন করতে সরকারের গদিটি , কতগুলো জল্লাদের দখলে ?
একটু ফিরে তাকান,একটু ফিরে তাকান।
কলম কৃষক কনক।
একটু ফিরে তাকাও।
——————————————–

পিচের পুটপুটি উঠা রাস্তাটা তপ্ত রোদে পুড়েপুড়ে
বলছে “একটু ফিরে তাকাও”
রেল লাইনের পাশে জরাজীর্ণ বালকটি বলছে
একটু ফিরে তাকাও।

অসহায় পিতা মাতা সন্তানদের দ্বারা নিগৃহীত হয়ে বলছে
একটু ফিরে তাকাও।

ইউনিভার্সিটির ফাষ্টক্লাস পাওয়া ছেলেটি আজ ইয়াবার খপ্পরে ,দুঃখি মা কষ্টে চোখের লজ্জা মারিয়ে বলে –“একটু ফিরে তাকাও।

কোনো ঘুষখোরের বৌ এর বিবেক বর্জিত হাতে গড়ম খুন্তির ছ্যাকা খাওয়া মেয়েটি অসহায় চোখে চেয়ে বলে
একটু ফিরে তাকান।

কুকুরের মত লাঞ্ছিতা গৃহবধুটি কুকরে কুকড়ে কেঁদে বলে
একটু ফিরে তাকান।

দজ্জাল কতগুলি লোভী মেয়েদের ভাইটি দায়ীত্বের নামে জীবনের জেলখানা থেকে মুক্তির আশায় বলে উঠে
একটু ফিরে তাকান।

অলৌকিক কিছু ঘটে না, নাঘটিয়ে অলৌকিকবাদ চীৎকার করে বলে
একটু ফিরে তাকান।

ব্যাংকের লকারে সোনারা সব তামা হয়ে গিয়ে যন্ত্রনায় জাত হারিয়ে বলে
একটু ফিরে তাকান।

দেশপ্রেমিক সৎ রাজনীতিক নিঃস্ব হয়ে প্রবাসে পরগাছার মত বেঁচে থাকার যন্ত্রনায় চীৎকার করে বলে —
একটু ফিরে তাকান।

দুঃখি মা ভুল ট্রিটমেন্টের কারনে মৃত্যু পথযাত্রি সন্তানের জীবন্ত লাশ বুকে জড়িয়ে কেঁদে উঠে বলে
সামর্থের বাহিরে গিয়েও বাঁচানোর চেষ্টায় কী তার আকুতি
একটু ফিরে তাকান।

জঙ্গলে পরে থাকা শিশু ধর্ষিতা বালিকাটি রক্তাক্ত হয়ে বন কাঁপিয়ে চীৎকার করে বলে উঠে
কে কোথায় আছো —
একটু ফিরে তাকান।

সারা জীবনের কামাই দিয়ে এক খন্ড জমি কেনা সরকারী সৎ কর্মকর্তাটির জমিটা ভূমিদশ্যুদের কবলে চলে যাওয়ায় আজ সে সর্বহারা হয়ে শূন্য আকাশের নীচে পরিবার-পরিজন নিয়ে হতাশ হয়ে নীচু গলায় বলে উঠে –
একটু ফিরে তাকান।

বুকের ভেতরের শত কষ্ট নিয়ে নাবালিকা বধুটি সবার মন যোগাতে গিয়ে ক্লান্ত চোখে তাকিয়ে বলে উঠে,
একটু ফিরে তাকান।

ভালবাসার সুযোগসন্ধানী মানুষের কবলে পরে জীবনের সম্ভ্রম হারিয়ে ,লজ্জা ঘৃনা,অপমান বুকে নিয়ে বলে উঠে
একটু ফিরে তাকান।

তীব্র অভীমানে বাড়ির ছোট ছেলেটি ঘড় ছেড়ে পালিয়ে বেড়ায় ,মা তার আঁচল ভিজিয়ে কেঁদে কেঁদে বলে ,বাবা টাকে ঘড়ে ফিরিয়ে আনো ,শূন্য ঘড় আর ভাল্লাগে না –
একটু ফিরে তাকান।

কেরানির চাকুরি করে যে বাবাটি তার সন্তানকে বড় করেছে
সে সন্তান আর বাবার পরিচয় দেয় না উঁচুতলার ভয়ে
সে বাবা আজ জীবনের ঐশর্যের এক টুকরো আবর্জনা হয়ে বলে উঠে
বাবা একটু ফিরে তাকা ।

মানবাধিকার নামের ওই শ্বাসনতন্ত্রের জোকারদের কাছে নিপিড়িত জনগন চীৎকার করে বলে উঠবে একদিন —-
আপনারা গোলটেবিল নামক মহাউৎসব বন্ধ করুন,
অধিকারের কাজ করুন জনতার দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে,
মানুষের চেয়ে বড় কিছু নেই প্রমান করুন কাজ দিয়ে।
বক্তিতা অনেক দিয়েছেন কতজন শুনেছে সে আওয়াজ ?
আপনারা বন্ধ করুন সমাজ সংস্কারের নামে ধান্দাবাজি ,চাঁদাবাজির মর্ডান ধারা । একটিবার চেতনার চিন্তায় শাণ দিয়ে দেখুন কী পরিবর্তন হয়েছে আপনাদের সংগঠিত কর্মকান্ডে?

দেশের সব চাইতে বড় টেরর হতে হয় পার্লামেন্টের সদস্য হতে হলে ,তবে কী সমাজের সবাই আমরা জীবন দস্যু ? সবাই হিংশ্র পশু?
তাকে দমন করতে সরকারের গদিটি , কতগুলো জল্লাদের দখলে ?
একটু ফিরে তাকান,একটু ফিরে তাকান।