এডভোকেট জুনেদ আহমদ আর নেই

প্রকাশিত: ৬:৫৭ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৮, ২০১৭

এডভোকেট জুনেদ আহমদ আর নেই

মৌলভীবাজারের জেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জুনেদ আহমদ আর নেই। (ইন্না… রাজিউন)। গত শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর, বিকাল ৩ টা ৩০ মিনিটের সময় সিলেটের মাউন্ড এডোরা প্রাইভেট হাসপাতালে মস্তিস্কে রক্তকরণ জনিত রোগে (ব্রেইন স্টোক) আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তিনি স্ত্রী, ২ কন্যা ও ১ ছেলেসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
মরহুমের যানাযার নামাজ রোববার বিকেল ৩টায় তার গ্রামের বাড়ী সদর উপজেলার বাহারমরদানে অনুষ্টিত হয়। তার জানাজার নামাজে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সভাপতি সাবেক এমপি এম নাসের রহমান, পৌর মেয়র মোঃ ফজলুর রহমান, জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান মিজান, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মিছবাহুর রহমানসহ সর্বস্তরের মানুষ।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জেলা বিএনপির সভাপতি এম নাসের রহমান, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নেছার আহমদ, সাধারন সম্পাদক মিছবাহুর রহমান, পৌর মেয়র ফজলুর রহমান, সাবেক কেন্দ্রীয় বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা বেগম খালেদা রব্বানী, জেলা জামায়াতের আমীর মোঃ আব্দুল মান্নান, জেলা সেক্রেটারী প্রকৌশলী এম শাহেদ আলী, পৌর আমীর মোঃ ইয়ামীর আলীসহ অনেকেই।

এদিকে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জুনেদ আহমদের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে রোববার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে প্রেরিত এক শোকবিবৃতিতে জেলা বিএনপির সভাপতি এম নাসের রহমান বলেন, বর্ষীয়ান এই রাজনীতিককে হারিয়ে জেলা বিএনপি শোকাহত। আমরা তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি ও তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। শোকবার্তায় আরো বলা হয়, জীবদ্দশায় এডভোকেট জুনেদ আহমদ ছিলেন বিএনপি’র একজন নিবেদিত প্রাণ। তিনি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমানের ঘনিষ্টজন। তার মৃত্যুতে জেলা বিএনপি একজন নিবেদীত প্রাণ কর্মী, নেতা ও আভিভাবককে হারালো।
বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান মরহুমের অকাল মৃত্যুতে শোক জানিয়ে বলেন, বিশিষ্ট রাজনীতিক এডভোকেট জুনেদ আহমদের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। আমি তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচিছ ও তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ এডভোকেট জুনেদ আহমদ ছিলেন বিএনপির একজন নিবেদীত প্রাণ। তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালিন সময় থেকে দলের সংগে থেকে এই জেলায় দলকে সুসংগঠিত করেছিলেন। দলের প্রতি তার অবদান ভুলার নয়। তিনি ছিলেন দলের একজন অভিভাবক। উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালের পর সাইফুর রহমান সাহেবরে দক্ষ নির্দেশনায় এ জেলায় যার নেতৃত্বে বিএনপি গনজাগরন মুখী পথচলা শুরু করে, তিনি ছিলেন প্রয়াত নেতা জুনেদ আহমদ।
লন্ডন থেকে মুক্তকথা সম্পাদক এডভোকেট হারুনূর রশীদ, সমাজসেবক মোহাম্মদ ফকরুল ইসলাম এবং আমেরিকা থেকে আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল বাসিত এক ফোন বার্তায় প্রয়াত নেতা জুনেদ আহমদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও বেদনাহত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। সম্পাদক হারুনূর রশীদ বলেন, এডভোকেট জুনেদ আমাদের সতীর্থ, একই সময়ের রাজনীতিক। জুনেদ ছিলেন প্রগতিশীল রাজনীতিতে আস্তাবান একজন মার্জিত রুচির রাজনীতিক। ধর্মকে সঙ্গে নিয়ে প্রগতিবাদী রাজনীতির প্রবক্তা বাংলার মজলুম জননেতা প্রয়াত মৌলানা ভাসানীর রাজনীতিতে আস্তাবান ছিলেন এডভোকেট জুনেদ। স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের প্রগতিবাদী রাজনীতির অস্তিরতার সময় জুনেদ উপায়ান্তর না পেয়ে অবশেষে বিএনপি’তে যোগ দিয়েছিলেন। বিএনপি’তে যোগ দিলেও তিনি তার প্রগতিশীল চিন্তা-চেতনা থেকে সরে আসেননি।বাংলাদেশ অনলাইন মিডিয়া এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সৌমিত্র দেব বলেন ,এডভোকেট জুনেদ একজন উদার মনের রাজনীতিবিদ ছিলেন ।