এসি ইসমাইল’র এত কামাই: কয়লা ধুইলে ময়লা যায়না !

প্রকাশিত: ৪:৪০ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২৩, ২০১৭

এসি ইসমাইল’র এত কামাই: কয়লা ধুইলে ময়লা যায়না !

ডেস্ক রিপোর্ট : ইসমাইল পিপিএমবার সিলেট মেট্রপলিটন পুলিশের এক শীর্ষ চাঁদাবাজ । কথা বার্তায় নেই কোন সালিনতা । তার সাথে কথা বললে মনে হবে তিনি টাকার সাগর । শাহপরান র. থানার যত অভিযোগ রয়েছে সবগুলো কৌশলে তিনি তার টেবিলে রেখে চাঁদা বাণিজ্যে মেতে ওঠেছেন । কথা বলতে গেলে বলেন, তদারকি অফিসার হিসেবে আমি যতটুকু সম্ভব বাদি-বিবাদীকে ডেকে এনে ম্যানেজ করে দেয়ার চেষ্টা করি । ন্যায়-অন্যায় কোনকিছুর তোয়াক্ষা করেন না । মনে হয় একজন বিচারক হিসেবে ওই থানায় তিনি দায়িত্বরত ।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়,এসি ইসমাইল হলেন একজন টাকার সাগর । সেই সাগরে যত টাকা ভাসিয়ে দিবেন তাতেই লাভ । কারন বড় অংন্কের চাঁদা হাতিয়ে নিয়েও কান্ত নন তিনি । তার চাওয়া পাওয়া শুধু টাকা আর টাকা । টাকা ছাড়া কিছুই বুঝেননা তিনি । নারী পুরুষ তার চোঁখে গুড়েবালি । এ থানার কোন পুলিশ সদস্যও শান্তিতে নেই । ধর,মার,কাট এ তিনটি নিয়মের মধ্যে বসবাস করছেন । বাদি-বিবাদীর উভয়ের পকেট কেটে হাতিয়ে নেন টাকাকড়ি । বাদি আসলে শান্তনা দেন শালার পুতেরে দেখে নিবো মাল (টাকা) দাও । একইভাবে বিবাদীকেও চরিত্র পাল্টিয়ে বাদির বিপক্ষে সাফাই দিয়ে কূ-রটনা ছিটিয়ে কামাই করেন হাদিয়া । কথাবার্তায় অমিল আর ভাব ভঙ্গিমাখায় শুধু খাই,খাই ! মহিলা বা যুবতী নারী দেখলেতো কোন কথাই নেই । চোঁখ দুটি টলবল করে থাকিয়ে থাকেন একপলকে । এমনটি সত্যতা মিলেছে অনূসন্ধানে ।
এদিকে বিশ্বস্থ একটি সূত্র জানায়, সিলেট নগরীর উপশহড় এলাকায় রাতের বেলায় বেশিরভাগ সময় পারি জমান এসি ইসমাইল । ওই এলাকার এক দলীয় নেতার শেল্টারে থেকে স্বাধীনমত ঘুরে বেড়ান । এ নেতার নির্দেশে সত্যকে আড়াল করে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে বিভিন্ন ধরণের মিথ্যা মামলা সাজিয়ে যুবক-যুবতিদের হয়রানি করেন । এমনকি ঐ নেতাকে কূ-পরামর্শ দিয়ে এলাকার যে কোন লোক দিয়ে একটি অভিযোগ দাঁড় করিয়ে দেন সিলেট মেট্রপলিটন পুলিশ কমিশনার বরাবরে । প্রয়োজনে বেশ কয়েকজন ছামসার টিপসই-দস্তগত নিয়ে নেয়া হয় অভিযোগখানায় । সেই ফাঁকফোঁরে আয় করছেন মানি নামের সম্মানী ভাতা । এছাড়া শাহপরান র. থানা’র বিভিন্ন মাজার এলাকার ক্রাইম স্পট থেকেও দু’হাতে গুনে নেন অর্থকড়ি । প্রতিমাসে হিসেব করলে তার রোজগার আয় পড়বে আনূমানিক ১০লাখ টাকার উপরে । যা কল্পনাতীথ । এভাবেই চলছে তার রমরমা চাঁদা বানিজ্য ।
অপরদিকে এসি’র ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তার বাড়ী কুমিল্লা’র মুরাদনগর গ্রামে । সিলেটে আসার পূর্বে তিনি চট্রগ্রামে’র আটহাজারী এলাকায় বেশ কিছুদিন দায়িত্বপালন করে পরবর্তীতে সিলেটের শাহপরান র. থানায় পাড়ি জমান । একইভাবে আটহাজারী এলাকায় চাঁদা বানিজ্য চালিয়ে মোটা অংন্কের টাকা কামাই করে সেখান থেকে লাখ লাখ টাকা ব্যায় করে সিলেটে আসেন । সিলেটে এসেই তিনি তার সেই পুরনো (চাঁদা) ব্যাবসায় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গভাবে জড়িয়ে পড়েন । যাকে বলে,কয়লা ধুইলে ময়লা যায়না ! এতকিছু জানারপরও রহস্যজনক কারনে সিলেটের উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা নিরব ?
এবিষয়ে এসি’র মন্তব্য জানতে বেশ কয়েকবার তার মুঠোয়ফোনে কল দিলে একপর্যায় তার ব্যাবহ্নত মোবাইল ফোনটি রিসিভ করেন এলিন নামক এক রানার পুলিশ । তিনি বলেন স্যার একটি জরুরী মিটিংয়ে আছেন । এসময় এপ্রতিবেদক মোবাইল ফোনটি এসি’র নিকট দেওয়ার জন্য বার,বার অনূরোধ করলেও রানা’র পুলিশ সদস্য অপারগতা প্রকাশ করে সংযোগ কেটে দেন ।(পর্ব-১)চোঁখ রাখুন পরবর্তী সংখ্যায়…সূত্র cnbangladesh.com