ওই ব্যক্তির নাম পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে

প্রকাশিত: ১:৫২ অপরাহ্ণ, মে ২৪, ২০১৮

ওই ব্যক্তির নাম পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে

ওই ব্যক্তির নাম পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে ।
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের চৌবাড়িয়া গ্রাম থেকে এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

তার পরিচয় জানা না গেলেও ঘটনাস্থলে মাদক ও অস্ত্র পাওয়ার কথা বলেছেন কালিগঞ্জ থানার ওসি হাসান হাফিজুর রহমান।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার ভোরে রাস্তার পাশে একটি লাশ দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে গুলিবিদ্ধ লাশটি উদ্ধার করে।

লাশের পাশে ৪৮ বোতল ফেনসিডিল, একটি রিভলবার ও চার রাউন্ড বন্দুকের গুলির খোসা পাওয়া গেছে বলে ওসির ভাষ্য।

মাদকবিরোধী অভিযানে দেশের ছয় জেলায় আরও অন্তত ৯ জন গুলিতে নিহত হয়েছে।

এর মধ্যে কথিত বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের গুলিতে ফেনীতে দুইজন, কুমিল্লায় দুইজন এবং নারায়ণগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া একজন করে মোট ছয়জন নিহত ।

পুলিশের দাবি, নিহতরা সবাই মাদক চোরাকারবারে জড়িত ছিল। কারও কারও বিরুদ্ধে থানায় মাদক আইনে একাধিক মামলাও রয়েছে।

এছাড়া মাগুরায় দুইজন এবং সাতক্ষীরায় একজনের গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়ার কথা জানিয়ে পুলিশ বলেছে, ঘটনাস্থলে মাদক থাকায় ওই তিনজনও মাদক চোরাকারবারে জড়িত ছিল বলে তারা সন্দেহ করছে।

বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যে কথিত এসব বন্দুকযুদ্ধ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাষ্য।

মাদকবিরোধী অভিযানের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কথিত এই বন্দুকযুদ্ধে গত ছয় দিনে অন্তত ৪৪ জনের মৃত্যু হল দেশের বিভিন্ন জেলায়।

এসব ‘বন্দুকুদ্ধের’ যে বিবরণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে আসছে, তা মোটামুটি একই রকম। তাদের দাবি, অভিযানের সময় মাদক চক্রের সদস্যরা গুলি চালালে পাল্টা গুলিবর্ষণ হয়, তাতেই এদের মৃত্যু ঘটে।

তবে বিভিন্ন সময়ে নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ এসেছে, ধরে নিয়ে হত্যা করা হয় তাদের স্বজনদের।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো এসব বন্দুকযুদ্ধ বা ক্রসফায়ারের ঘটনাকে ‘বিচারবহির্ভূত হত্যা’ হিসেবে বর্ণনা করে তা বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছে।

মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেভাবে তা দমন করছে- তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে হতাহতের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করছেন মানবাধিকারকর্মীরা।

অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল মঙ্গলবার বলেছেন, “আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট নির্দেশনা, এই ব্যাপারে জিরো টলারেন্স; সে সংসদ সদস্য হোক, সরকারি কর্মকর্তা হোক, নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তা হোক, যেই হোক, ইভেন সাংবাদিক হোক, কাউকে আমরা ছাড় দেব না।”

মঙ্গলবার রাতে কথিত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় আমাদের জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

ফেনীর ফুলগাজীতে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে সাহমিত হোসেন শামীম (২৫) ও মজনু মিয়া মনির (২৩) নামে দুইজন নিহত হয়েছন।

ফুলগাজী থানার ওসি মো. হুমায়ুন কবীর বলছেন, বুধবার মধ্যরাতে ফুলগাজী উপজেলা আনন্দপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ আনন্দপুর গ্রামে মাদক চোরাকারবারিদের সঙ্গে পুলিশের গোলাগুলির সময় ওই দুইজন নিহত হয়।

তাদের দুজনের বিরুদ্ধেই থানায় মাদক ও অস্ত্র আইনে মামলা রয়েছে বলে ওসির ভাষ্য।

তবে স্বজনদের দাবি, ওই দুইজনকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে পুলিশে টাকা দাবি করে, পরে রাতে তাদের গুলি করে হত্যা করা হয়।

তাদের ফেনী জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান ওসি।

তিনি বলছেন, এই অভিযানে পুলিশের আট সদস্য আহত হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি, তিন রাউন্ড কার্তুজ, ৭০০ ইয়াবা ও দুই শতাধিক বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে।

পুলিশ ওই ঘটনাকে বন্দুকযুদ্ধ বললেও শামীমের পরিবার বলছে, ফুলগাজী থানা পুলিশ বুধবার দুপুরে তাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল।

শামীমের মা আনোয়ারা বেগম বলেন, বুধবার দুপুরে বাড়ির পাশের জমিতে গরুর জন্য ঘাস কাটছিল তার ছেলে। বেলা ২টার দিকে ফুলগাজী থানার এসআই শফিক এসে সেখান থেকে শামীমকে নিয়ে যায়।

পরে পুলিশ আমাদের কাছে দুই লাখ টাকা দাবি করে। টাকা দিতে না পারায় রাতে ওকে গুলি করে হত্যা করেছে।

একই ধরনের অভিযোগ করেছেন মজনু মিয়া মনিরের বোন রেজিনা বেগম।

তিনি বলেন, গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে এসে একদল লোক বুধবার রাতে ফেনী শহরের বড় মসজিদ এলাকায় মনিরের বোনের বাসা থেকে তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে তার পরিবারের কাছে দেড় লাখ টাকা দাবি করা হয়।

রাতে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গেলে আমাদের তাড়িয়ে দেয়। টাকা দিতে না পারায় ভোর রাতে পুলিশ মনিরকে গুলি করে মেরেছে।

রেজিনা বলছেন, তার ভাই ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। তার চাচা বিএনপির রাজনীতি করেন। পুলিশ ‘ষড়যন্ত্র করে’ তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। দফায় দফায় তারা পুলিশকে মোটা অংকের টাকাও দিয়েছেন।

ওসি হুমায়ুন কবীর এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পুলিশ কাউকে বাড়ি থেকে তুলে আনেনি। টাকা চাওয়ার কোনো ঘটনাও ঘটেনি। মাদকের টাকায় তাদের পরিবার চালাত বলে স্বজনরা এসব মনগড়া অভিযোগ করেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।

ফেনীতে পুলিশ ও র‌্যাবের এই কথিত বন্দুকযুদ্ধে গত নয় দিনে ছয়জন নিহত হয়েছে।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে বাবুল ওরফে লম্বা বাবুল (৩৫) এবং সদর দক্ষিণে রাজিব (২৬) নামের দুইজন নিহত হয়েছেন।

বুধবার রাত ১টার দিকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমানগণ্ডা সলাকান্দা নতুন রাস্তার মাথায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এবং রাত সোয়া ২টায় সদর দক্ষিণ উপজেলার চৌয়ারা সংলগ্ন ঢাকা-চট্টগ্রাম পুরাতন ট্রাংক রোডের গোয়ালমথন এলাকায় গোলাগুলির ওই ঘটনা ঘটে বলে পুলিশের ভাষ্য।

নিহত বাবুল চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বৈদ্দেরখিল গ্রামের হাফেজ আহাম্মদের ছেলে। আর রাজিব সদর দক্ষিণ উপজেলার কোটবাড়ি সংলগ্ন চাঙ্গিনী গ্রামের শাহ আলমের ছেলে। দুজনেই থানার ‘তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী’ এবং বাবুলের বিরুদ্ধে মাদক আইনের ৫টি এবং রাজিবের বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা রয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।

চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি আবুল ফয়সল বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পৌর এলাকার রামরায় এলাকা থেকে বাবুলকে তারা গ্রেপ্তার করেন। জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পরে তাকে নিয়ে মাদক উদ্ধারে আমানগণ্ডা এলাকায় যায়।

“আমানগণ্ডার নতুন রাস্তার মাথার মন্তাজের বাগানে অভিযানকালে বাবুলের সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। গোলাগুলির মধ্যে মাদক ব্যবসায়ী বাবুল গুলিবিদ্ধ হয়।”

পরে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান ওসি।

তিনি বলছেন, এই অভিযানে থানার এসআই মোজাহের, কনস্টেবল মিজান ও ফরিদ আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি এবং ২০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে।

আর সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম বলেছেন, মাদকের চালান আসার খবরে রাত সোয়া ২টার দিকে তারা গোয়ালমথন এলাকায় অভিযানে যান।

এ সময় মাদক ব্যবসায়ীরা একটি প্রাইভেটকারে মাদকদ্রব্য নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ী রাজিব ও তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার জন্য পুলিশও তখন গুলি চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয় রাজিব।

কুমিল্লা মেডিকেলে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাজিবকে মৃত ঘোষণা করেন বলে ওসি জানান।

তিনি বলছেন, ঘটনাস্থল থেকে কার্তুজসহ একটি এলজি, ৫০ বোতল ফেনসিডিল এবং ৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি নজরুল বলেন, এ অভিযানে তিনি নিজে এবং এসআই শামসুদ্দিন ও এসআই অঞ্জন কুমার নাথ আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

মাগুরা শহরতলীর পারনান্দুয়ারী হাউজিং প্রজেক্ট এলাকা থেকে বুধবার রাতে আইয়ুব শেখ ও মিজানুর রহমান কালু নামে দুইজনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

মাগুরার সহকারী পুলিশ সুপার (সদর) সার্কেল ছয়েরউদ্দিন বলছেন, ‘মাদক চোরাকারবারিদের দুইপক্ষের গোলাগুলিতে’ ওই দুইজন নিহত হয়েছে বলে ধারণা করছেন তারা।

আইয়ুব শেখের নামে হত্যা ও মাদক অইনে ২১টি এবং কালুর বিরুদ্ধে ১৮টি মামলা রয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

আইয়ুব শহরতলীর নীজনান্দুয়ালী এলাকার জব্বার শেখের ছেলে। আর কালু শহরের ভায়না টিটিডিসি পাড়া এলাকার আব্দুল বারীর ছেলে।

সহকারী পুলিশ সুপার বলেন, রাত দেড়টার দিকে হাউজিং প্রজেক্ট এলাকায় গোলাগুলির খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে দুইজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। তাদের মাগুরা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. পরীক্ষিত পাল বলেন, “হাসপাতালে আনার আগেই দুইজনের মৃত্যু হয়।”

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৫০০ গ্রাম হেরোইন, তিনটি রাইফেলের গুলি ও ছয়টি বন্দুকের গুলির খোসা উদ্ধার করেছে বলে জানান ছয়েরউদ্দিন।

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মো. সেলিম (৩২) নামে সন্দেহভাজন এক মাদক চোরাকারবারি নিহত হয়েছে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নজরুল ইসলাম বলছেন, বুধবার রাত আড়াইটার দিকে দক্ষিণ নিমাইকাশারী এলাকায় গোলাগুলির ওই ঘটনা ঘটে।

নিহত সেলিম বাগমারা সানারপাড় এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে। পুলিশ বলছে, সেলিম এলাকার ‘চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী’। স্থানীরা তাকে ‘ফেনসি সেলিম’ হিসেবে চেনে। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

পরিদর্শক নজরুল বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে পুলিশের একটি দল রাতে দক্ষিণ নিমাইকাশারী এলাকায় গেলে সংঘবদ্ধ একটি দল পুলিশের দিকে গুলি করে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। কিছুক্ষণ গোলাগুলির পর সেলিম গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। তখন অন্যরা পালিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থল থেকে একটি শুটারগান, একটি চাকু, ৫০০ ইয়াবা, ৫০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয় বলে জানান পরিদর্শক নজরুল।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসিসহ ৫ জন আহত হয়েছেন। তারা খানপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে হত্যা ও মাদক মামলার এক আসামি নিহত হয়েছে।

বুধবার রাত ২টার দিকে উপেজলার ধরখার ইউনিয়নের বনগজ স্টিল ব্রিজ সংলগ্ন পাকা রাস্তার মোড় এলাকায় গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে বলে আখাউড়া থানার ওসি মোশারফ হোসেন তরফদারের ভাষ্য।

নিহত আমির খাঁ উপজেলার চানপুর এলাকার সুরুজ খাঁর ছেলে। তার বিরুদ্ধে আখাউড়া থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের দুটি মামলা, একটি হত্যা মামলাসহ মাদক চোরাচালান, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মোট ১২টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ওসি বলেন, “রাতে পুলিশের একটি দল বনগজ স্টিল ব্রিজ সংলগ্ন পাকা রাস্তার মোড় এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গেলে আমির খা ও তার সহযোগীরা পুলিশকে দেখে গুলি ছুড়তে থাকে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও তখন পাল্টা গুলি ছোড়ে।”

ওই গোলাগুলির মধ্যেই আমির নিহত হন বলে ওসি মোশারফ হোসেনের দাবি।

তিনি বলেন, এ অভিযানে আখাউড়া থানার একজন এএসআই ও দুজন কনস্টেবলও আহত হয়েছেন। তাদের আখাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, একটি কার্তুজ, একটি রামদা, ১০ কেজি গাঁজা ও আটটি কফের সিরাপ উদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছেন ওসি।