কক্সবাজার শহরে টানা বৃষ্টি

প্রকাশিত: ১২:৩৫ অপরাহ্ণ, জুন ১৪, ২০১৮

কক্সবাজার শহরে টানা বৃষ্টি

অদিতি ফাল্গুনী

 

গত কয়েকদিন ধরে কক্সবাজার শহরে টানা বৃষ্টি। পার্বত্য চট্টগ্রামে ত’ বটেই, কক্সবাজারেও পাহাড় ধসে মানুষ নিহত হয়েছে। তবে নিহতের সংখ্যা পার্বত্য চট্টগ্রামের থেকে কম। এখানে রোহিঙ্গা বিষয়ে দেশ-বিদেশের মোট দেড় লক্ষ বিশেষজ্ঞ থেকে তৃণমূল পর্যায়ের কর্মী কাজ করছেন কক্সবাজার-উখিয়া-টেকনাফে। সবার একটাই আশঙ্কা: বড় আকারে বৃষ্টি বা ঝড় হলে এই যে লাখ লাখ শরণার্থী মানুষ পাহাড় আর বন কেটে বসতি গড়েছেন, তারা ভূমি ধসে সবাই মারা না যান! কারণ পাহাড় কেটে ও পাহাড়ের গায়েই তাদের নতুন শরণার্থী শিবির। ‘মনসুন প্রিপেয়ার্ডনেসে’ অনেক বাজেট রাখার কথা ভাবছেন সবাই। গত চারদিনই আমি যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করি, সেখানে সবাই শরণার্থী শিবিরে গেছেন কিছু রিলিফ বিতরণ করতে। এই অফিসে আমি একা মেয়ে। আমিও যেতে চেয়েছি। তবে, আমাকে কিছু প্রতিবেদন তৈরির কাজ দেয়া হয়েছে। গত প্রায় মাস খানেক সময়ে মাত্র একদিন শরণার্থী শিবিরে আসতে পেরেছি। অথচ, শিবিরে বেশি যাব যাব বলেই এই কাজে এলাম- কক্সবাজারে এলাম। তবে, অফিস চলে অফিসের নিয়মে।কে কি করবে তা’ অফিসই ঠিক করে দেয়। যাহোক, সেই প্রতিবেদন তৈরির কাজ আমার গেস্ট হাউসে বসেই করেছি। আজ অফিসে যাবার কথা ছিল। তবে, গতকাল সন্ধ্যার পর থেকে সহসা বাঁ হাঁটুতে একটা তীব্র টান ও ব্যথা বোধ করছি। আজ সকালে অফিসের গাড়ি এলো। রেডি হয়ে নিচেও নামলাম। ল্যাপটপ কাঁধে তারপর দেখি পা মেলতে পারছি না। গাড়ি পাঠিয়ে দিলাম। আজো তাহলে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম।’ সমস্যা হলো গেস্ট হাউসেও গত কয়েকদিন ধরেই আবহাওয়ার কারণে প্রায়ই বিদ্যুৎ  যায়। অনেকটা সময় একা ভুতের মত বসে থাকতে হয়। ঈদের আগে গত দু’দিন অবশ্য কাজের চাপ একটু কমে এসেছে। এদিকে সারা রাত ঘুম হয়নি। খুব মশা ওখানে। ভ্যালাভালা মানুষ আমি গেস্টহাউস কর্তৃপক্ষকে মশার ওষুধ দিতে বলতে ভুলে গেছিলাম। মশারি নেই। সারা রাত পায়ের ব্যথা আর মশার কামড়ে ঘুমাতে পারিনি। ব্যথা গত রাতের থেকে অবশ্য একটু কম। তবে গোটা দিন রেস্ট নিতে হবে বুঝতে পারছি।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Calendar

August 2022
S M T W T F S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031