কল্পনার কাব্য

প্রকাশিত: ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ৩, ২০২০

কল্পনার কাব্য

কলম কৃষানী কনক

তোমাকে পড়তে পড়তে একদিন
নিঃশ্বেষ হয়ে যাবো ভেবেছিলাম,
তোমার ওষ্ঠে ভোরের কম্পিত
ঝড় তুলে বাষ্পিত হৃদয়কে
ওম দেবো ভেবেছিলাম,

তোমার লোমশ বুকের তিল ছেপে
আমার কেশ ছড়িয়ে চৌচির করবো
কৃষ্টাল ভালবাসা, বুকের শব্দ শুনে শুনে
ঘুমিয়ে পারবো কোনো মধ্য বিকেলে,
ভাবনা আমার শব্দের কাছে মরীচিকা
হয়ে এখনো শান্ত,নিরবধি ।

তোমার হাতটা ধরে কোনো জলাধারে
দলছুটেদের মত ছুটে গিয়ে বসে পরতাম
মাটির বিছানায়,
হাতের অঙ্গরাজ্যে মৃদু বিচরণে
হয়তো রেখা পথ পাল্টে যেতো
হয়তো সহজ হতো আমাকে বুঝতে ।

ভেবেছিলাম স্পর্শ ছাড়া আমার আমিত্ব অচল,
তাই ক্ষণিকের অতিথি হয়ে ছুটে গেছি
একটু সান্নিধ্যের আশে,
সেটাই ছিলো পদ্মপাতার জলের মত ভুল
গড়িয়ে পরলো ইচ্ছে ছিলোর জলাশয়ে ।

তোমার প্রেম ক্ষনজন্মা গুল্মের মতো
হাড়িয়ে গেলো দৃষ্টির সম্মুখে,
আমি বৃক্ষ হলাম তুমি হলে অদৃশ্য গুল্ম।
ভালবাসা জীবনের মিন্তি হয়ে গেলো
বসন্তে ফোটে ফুল,বন্ধা ফুল, তাই বীজহীন হয়ে ঝরে পরে নীরবে।

ইচ্ছে গুলো কখনো আকাশে ঝোলে
কখনো মেঘের সাথে খুনসুটি, কখনো
রক্তের ঢেউয়ের উচ্চতা উঠে 200/180,
উৎতপ্ত শিরা উপশিরারা খোঁজে পরশ,
হয়তো রেখা পথ পাল্টে যেতো অনায়াসে ।

মনে করেছিলাম তোমাকে পড়বো কোনো
পূর্ণিমা রাতে,লিখবো কাব্য আমার শাড়ির
ভাঁজে ভাঁজে।
যতনে রতনে লুকাবো মুখ,সে এক সম্মোহনের সুখে।

মন আর ইচ্ছে এক সমান্তরাল পথে
এখনো হেঁটে যায় তোমার অবাঞ্ছিত
প্রনয়ের সাথে।
আসলে দুর্বোধ্য হয়ে গেছে অতীত
তোমার মিথ্যের কাছে।

ছড়িয়ে দিন