কাঁঠালনামা

প্রকাশিত: ৯:২০ অপরাহ্ণ, জুলাই ৭, ২০২১

কাঁঠালনামা

শামীম আজাদ

আজ অত্যন্ত স্মার্ট প্যাকেজিংয়ে বাসায় কাঁঠাল এসেছে। দেশের মধুমাস পেরিয়ে যেতে না যেতেই বৃষ্টি শুরু হতেই এ ছিলো আমাজনে অনলাইনে সেলিমের আনানো ফল! সারপ্রাইজ! পেয়েই আমি আনাহিতাকে ফোন করি, কাঁঠাল খাবি জলদি আয়!

আহ কি সুন্দর স্বর্ণালী কিন্তু বিচিবিহীন! তাতে কি, লন্ডনে বাংলা দোকানে শুকনো কাঁঠাল বিচিও পাওয়া যায়। আরো পাওয়া যায় একই প্যাকেটে ফ্রজেন লত্তি, চিংড়ি ও কাটা কাঁঠাল বিচি। বাড়িতে নিয়ে মশলা মেখে চ্যেঁপা দিয়ে বসিয়ে দিলেই হয়।

আমি অমন সুন্দর প্লাস্টিক জালের স্মার্ট প্যাকেজিং রিসাইকেল বিনে ফেলতে ফেলতে ভাবছিলাম কাঁঠাল কিন্তু দেখতে বড় আনস্মার্ট । উদর ঠেলে, গা ছেড়ে, পশ্চাত গেঁড়ে যেখানে সেখানে বসে থাকে। ওকে দেখলেই রাজ্যের আলসেমি জেগে উঠে। বোঝাই যায় না এ ফল কী মারাত্মক ও মাথা খারাপ করার স্বাদ সম্পন্ন। কাঁঠালের ভেতর দেখলে মনে তুফান লেগে যায়। জিভে জল এসে যায়। যেনো সে তার অনন্য রূপ রস গন্ধ স্পর্শ মিলিয়ে এক অত্যাশ্চর্য যৌনাবেদনময় ফল! এঁকে পছন্দ অপছন্দ নিয়ে দুইভাগ হয়ে যায় মানুষ। অনেকটা ইংলিশ মার্মাইট এর মত। ইউ উইল লাভ অর হেইট ইট। এর মাঝামাঝি কিছু নেই। যে ভালবাসে সে এর জন্য দেওয়ানা দেওয়ানা। আর যে না বাসে সে তার গন্ধে উদ্গার করতে বাথরুমে ছোটে। আম্মা ছিলেন প্রথম ক্যাটাগরির আর আমার পুত্র সজীব দ্বিতীয়।

ছোটবেলা থেকেই আমার কন্যা ঈশিতা তার নানীর কাঁঠাল ভক্ষন সহচরী। কাঁঠাল দেখলেই ওর চোখ হ্যান্স ক্রিস্টিয়ান এ্যান্ডারসনের ইলাস্ট্রেশনের গল্পের বাচ্চাগুলোর মত গোল গোল হয়ে যেতো। জৈষ্ঠ্যের নিরাক পরা দুপুরে দড়িতে শুকোতে দেয়া কাপড় সাবানের গন্ধ বাতাসে ভাসিয়ে দিলে আম্মা তার টকটকে লাল কপালের ঘাম মুছে রান্না ঘর থেকে কাঁঠাল হাতে বেরিয়ে আসতেন। হাতের বাটিতে নরম লেইস্যা, লুতলুতা কাঁঠালের কোষ। সঙ্গে ঘরে তৈরি মচমচে মুড়ি। একেকটি

কোষ নিয়ে বুড়ো আংগুলে সন্তর্পনে তার বিচি বের করে মুড়িতে ফেলে দিতেন। তারপর সেই রসালো আঠা আঠা ল্যাতল্যাতা কোষটি মুড়ির সাগরে ফেলে গায়ে মুড়ির কোট পরিয়ে ঈশিতার মুখে পুরে দিতেন। ঈশিতা তৃপ্ত মুখে কৌতুহলী চোখে নিজেরটা খেতে খেতে নানীরটা বানানো দেখতো। তারপর মুখ হা করে আ আ করে রেডি হয়ে যেতো পরের কোষের জন্য।সারা ফ্ল্যাট সুগন্ধে মম করতো। সে বড় মনোরম দৃশ্য! যেদিন ওরা কাঁঠাল খেতো আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাশ সেরে ঈশিতাকে গুলশানে নিতে এলে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেই সে ঘ্রাণ পেতাম। কাঁঠাল খাবার পর তার গায়ে অলিভ ওয়েল মাখিয়ে স্নান দেবে মালেকের মা।

কাঁঠাল নিয়ে আমার স্মৃতি আমার নানীবাড়ি মৌল্ভিবাজারের নলদাড়িয়ার বিস্তর জায়গা জুড়ে ছিল কাঁঠাল বাগানের। সোনামামা বা ছোট্মামার হাত ধরে তার নিচ যখন যেতাম ঘ্রাণে মাথা না তুলে উপায় থাকতো না। উপরে তাকিয়ে দেখতাম সুপক্ক খয়েরী কাঁঠালের খোঁচা খোঁচা গা ফুটো হয়ে আছে। সে ফুটো দিয়ে দেখা যাচ্ছে ভেতরের সোনা রঙ। পাখি তাকে খুঁচিয়ে খেয়ে গেছে আর সেখান থেকে গড়িয়ে পড়া সিরাপ ধারা শুকিয়ে চকচক করছে।

জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে বলতে গিয়ে রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন, জীবনের ধন কিছুই যাবে না ফেলা। কাঁঠালের বেলা সেই মতো বলা যায় এর কিছুই হয় না ফেলা। কাঁঠাল যে কি একটা বহুপ্রজ, বহুমুখী তৃপ্তিদায়ী ফল তা বলে শেষ করা যাবে না। সাধে একে বাংলাদেশের জাতীয় ফল করা হয়নি। এর একটি ফলে তিন প্রজন্মের

আহার হয়। খাবারের প্রস্তুতিতেই বাড়িতে উৎসব লেগে যায়। খাবার সময় আড্ডা গাল গাল গপ্প হয়। খাবার পর হয় মাতাল ঘুম।
শুরুটা হয় মুচি দিয়ে। আমার কৈশোরে জামাল পুরে আমি আর লীলা ওদের বাড়ির কাঁঠাল গাছের মুচি কুচি কুচি করে কেটে পাটাতে সামান্য থেতলে লবন, তেঁতুল, তাজা ধনে পাতা, পোড়া মরিচ, ছেঁচা রশুন ও এক চিমটি চিনি দিয়ে আচ্ছা করে মেখে নিতাম। তারপর আমাদের রান্নাঘরের পাশে বেল গাছে হেলান দিয়ে জিহব্বা

দিয়ে টকাস টকাস শব্দ তুলে খেতাম। ধনে পাতা না পেলে গাছের গা থেকে কচি বেলপাতা না হলে লেবু পাতা কচলে নিতাম। মনেও হত শুধু স্বাদ নয় সঙ্গে ঘ্রাণ খাচ্ছি, তীব্র তিমির ঘ্রাণ। মুচি হচ্ছে সেটাই যেটা কাঁঠাল না হয়ে হ্লদেটে হয়ে থাকে- অচিরেই ঝরে পড়বে বলে। এমনি খেলে একটু টকটক আর একটু কষ কষ লাগে। যেগুলো কাঁঠাল হবে তার রঙই আলাদা, কেম্অন এক নীলাভ সবুজ।

কচি কাঁঠালে হয় এঁচোড়। তখন তার অপক্ক কচি বিচি ঘিরে মাখন রঙের পরত গড়ছে কোষকে গার্ড দেবার জন্য। খোসার উপরটা পাতলা করে কেটে ঐ এঁচোড় রান্না করা একটা ডেলিকেসি। সম্ভবত আম্মা, লাল মরিচ ও গোটা সর্ষের ফোঁড়ন দিয়ে সর্ষের তেলেই হয়তো বা আগে একটু ভাপানো সাঁতলে নিতেন। কাঠের চুলোর লাল আগুনে কড়াই থেকে চির চির কিট কিট শব্দ শুরু হলে তাতে দিতেন বাটা ধনে ও হ্লুদ,কাঁচা লংকা ও ধনে পাতা। স্কুল থেকে ফিরে গরম ভাতের সঙ্গে মেখে খেতাম কাঁঠাল কাঠের ডাইনিং টেবিলে। এক একটা লোকমায় মুখে লাছ ধরে যেতো। আম্মা হেসে বলতেন, এরদায় দু’একটা আলুও দিছি।

কোন দিন মন্টির বাসা থেকে নাচের রিহার্সেল দিয়ে এসে দেখতাম হিম সাগর আম গাছের নিচে পাটিতে কাঁঠাল পাতার গায়ে লেপ্টে দেয়া লেইয়ের মত একটা আস্তর দিয়ে রোদে পেতে রাখা হয়েছে। একদিনের রোদেই সে আস্তর পাতা থেকে খুলে নেয়া যেতো। সে কাজটা করতাম আমি আর ফর্সা চাচাতো বোন রাকু। আব্বা টেনিস খেলে ফিরে এলে সেই পাতলা চিপ্সের মত টুকরো গুলো তেলে ভেজে চা’র সঙ্গে দিলে আমরা বলতাম পাপড়। ঐ লেইটা সাবুদানা দিয়ে ও করতেন আম্মা। সে পাপড়ে সুন্দর এক টেক্সচার হতো।

কাঁঠাল কিনে আনার পর ক’দিন খাটের নিচে রাখা হতো। কাঁঠাল পাকতে সময় নিলে নানী ভাই তার ভেতরে গুল না কি যেন ভেতরে ঠেঁসে দিতেন। নিজে নিজে পাকলে খাটের নিচ সুগন্ধ বেরিয়ে মাথা খারাপ করে দিতো। কিছুতেই পড়ায় মঅন বসতো না। তখন মনা ভাই হাতে বেশ করে সর্ষের তেল মেখে ধারালো দা’য়ের

মাথা দিয়ে খোচা খোচা বাকলটা চৌকোন কেটে দিতেন। তারপর সেখান থেকে এক চাক তুলে নিলে গোল হয়ে বসা আমি ভাইয়া শোয়েব মাথা নুইয়ে সেই ফোকড়ের দিকে তাকাতাম। মনেহত যেনো খুলে গেছে গেছে সোনার দরজা। তারপর ওরা ঘেচ ঘেচ করে পুরু বাকল কেটে ভেতর থেকে টেনে টেনে রসভরা সোনার মটকার মত কোষ বের করে দিতেন। আব্বা আমাদের ঠোঁটের উপর তেল মাখিয়ে দিতেই আমরা খেতে থাকতাম হাপুস হুপুস। কাঁঠালের অপুষ্ট কোষকে বলতাম চাবি।

আমার খুব চাবি ভাল লাগতো। আমাদের কোন গরু ছিলো না, ছিলো লীলাদের। আব্বা সেই ভূতিগুলো তাদের বাসায় পাঠিয়ে দিতেন। ভাইয়া ওখান থেকে কাঠিতে করে কাঁঠালের আঠা তুলে নিতো দড়িয়ল পাখির ধরার ফাঁদ বানাবে বলে।ভুতি দিতে আমিও সঙ্গে যেতাম গরু দেখতে। ভাবতাম গরুরা সব সময় তেল নুন

মশলাহীন ঘাস আর বিশুষ্ক খড় খায় আজ নিশ্চয় এ মিষ্টি ভুতি ঈদের ডেসার্টের মত লাগছে! কিন্তু গরুর চোখ! যা নির্বিকার। হতাশ হয়ে দেখতাম, এত মজার খাবার তবু শুধু ভেটকা মেরে শুধু চিবোচ্ছে আর চিবোচ্ছে। ব্লুন দেখি!

তখন আমাদের ফ্রিজ ছিলো না বিধায় বিচিগুলো রোদে শুকিয়ে পটে তুলে রেখেই হতো ফুড প্রিজার্ভেশন। জামাল পুরে আমাদের মূল ঘর থেকে টিনশেড বৈঠক খানাটা বিচ্ছিন্ন ছিলো। সেখানে পার্টিশান দিয়ে একদিকে ক্রা হয়েছিলো অভ্যাগতদের বসার ব্যবস্থা আর অন্যদিকে আমাদের পড়বার টেবিল ও ভাইয়া শোয়েবের শোবার খাট। পড়তে পড়তে টিনের চালে বৃষ্টি পরার শব্দ শুনলেই যখন আমাদের ভাজা বুট বা তিলের খাজা খেতে ইচ্ছে হত তখনি কি করে যেন আম্মা মনাভাইর হাতে এক থালি ভাজা সুগন্ধী কাঁঠাল বিচি, কাটা পেঁয়াজ ও চাল ভাজি পাঠিয়ে দিতেন। আমরা থালি হাতে বারান্দার থামে হেলান দিয়ে বৃষ্টি দেখতাম আর মুচুর মুচুর খেতাম। বিজলী চমকের সঙ্গে দেখতাম উল্টোদিকের ধাঙড় পাড়ায় শুকরগুলো বৃষ্টি ও কাদা জলে করছে গড়াগড়ি।

কাঁঠালের মৌশুমে রাতে খাবার সময় চ্যেঁপা দিয়ে তৈরি ঝাল হুকইন সুরুতে (শুটকি ঝোল ) পেতাম মিষ্টি কাঁঠাল বিচির ফালি। নারানগঞ্জে দেখতাম আম্মা বেগম প্ত্রিকার রেসিপি পড়ে কাঁঠাল বিচির স্বুস্বাদু হালুয়াও করতেন। তবে রসের স্বত্ত্ব করেন নি। কিন্তু কাঁঠালের রস চিপে লাল বিরুন চালের ভাতের সঙ্গে সরপড়া দুধ খেয়েছি। লিখতে লিখতে খেতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু ঐ কচকচে কাঁঠাল দিয়ে তা হবে না। তাই কল্পনায় রবীন্দ্রনাথের রেসিপি অনুযায়ী তাতে একখানা সন্দেশ ফেলে হাপুস হুপুস করে খাই আর দেখি পিপীলিকারা মন খারাপ করে কাঁদিয়া যাচ্ছে!

দেশে থাকার সময় দেখতাম কোরবানীর ঈদের সময় লোকে হাঁট থেকে এক হাতে খাসি অন্যহাতে চকচকে পাতার কাঁঠাল ডাল নিয়ে হেঁটে হেঁটে বাড়ি ফিরছে। অর্থাৎ এ ফলের পাতাও কাজে লাগছে। তো বাকি রইলো এর কাঠ? তো আমাদের খবার টেবিলটাইতো কাঁঠাল কাঠে তোইরী। ফেনীতে থাকার সময় একদিন স্কুল থেকে ফিরে দেখেছিলাম আব্বা তার ডিজাইন হাতে এক কাঠমিস্ত্রী নিয়ে পড়েছেন। আমাদের জন্য কাঁঠাল কাঠের ফোল্ডিং ডাইনিং টেবিল সেট হচ্ছে। তখন থেকে আমরা আর পাটিতে বসে খাইনি।

তিন বছর আগের কথা আমি দেশে, ঈশিতার বানানীর বাসায়। বলা নেই কোয়া নেই বাইরে বাইরে শুরু হয়ে গেল আশমানি ধারা। হাওয়া নেই। বজ্রের শব্দও নেই। শুধু গুনগুন গানের মত বৃষ্টি। এরই মধ্যে একটি কাঁঠাল এলো অনুজ শোয়েবের বাসা থেকে। কিন্তু কাঁঠালটি ধাকার নয় সিলেটের। সিলেটে তাদের নেসারাবাদের নৈসর্গিক বাড়িতে এ কাঁঠাল বড় হয়েছে দোয়েল ও শালিকের মৈথুন তৃপ্ত কাকলীতে। এর নির্যাস তার গুণগত মান বৃদ্ধি করেছে অদূরের আভঙ্গীর পীরের জিকিরের শব্দ। এর সবুজাভ ত্বকের সভ্যতা সানিত হয়েছে চা বাগানের ঝর্নার সুমিষ্ট শব্দে। এ কাঠাঁল অপেক্ষায় ছিলো আমি বিলেত থেকে এলে আমার দাঁতের সঙ্গে রসকথা করবে বলে।

ঈশিতার বাসায় দরজা দিয়ে প্রবেশের সময় দেখেই বুঝি তিনি পুরাই দশ মাস। আমি তাই আয়োজন করে, কানে দুল পরে এসে সুমিষ্ট ও ক্রাঞ্চি কাঁঠাল খেতে বসেছিলাম। ফাঁটা ধরে থাবা দিয়ে টান মেরে অবাক হয়ে যাই । দেয়ালের গা থেকে ভেতরে সেই ছোটবেলায় দেখা যুথবদ্ধ স্বর্ণালী রসের ছোট ছোট মট্‌কা। উন্মুখ হয়ে আছে। তেল মাখিয়ে ধরতেই তারা আমার হাতের মুঠোয় শুয়ে যায়। চোখ বন্ধ করে পুরোটা কোয়া মুখে পুড়ে মনে হচ্ছিল ঐ চক চকে রসটা মুখে মেখে সোনালী

হয়ে যাই । আমি এর অর্গানিক ও্যরার ট্রিট্মেন্ট নিতে থাকি।একেকটি কোয়া মুখে পুড়েছি আর কি সব্বনাশ, দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে লেগে যাচ্ছে রসের তুফান। কোয়া থেকে রস গলিয়ে জিভটা এপাশ ওপাশ করে দাড়িয়াবান্দা খেলার পর তীব্র ফুর্তিতে তুরুৎ তুরুৎ করে গুলাইল মারার মত ফেলে দিচ্ছে পিচ্ছিল বীজ।লিপ্সটিক

লাগানো ছিলোনা বলে ঠোঁটজোড়া আঠাময় সুধা হয়ে গেলো। বুঝলাম আজ আর আমি মির্জাপুর চা খাবোনা। এখন বালিশ চাই বালিশ! এখন এর সাথে না ঘুমালে আর বাঁচবো না। তাই খেয়ে হাত না ধুয়ে শুয়ে পড়েছিলাম। ঠিক শিবরাম যেমন পদ্মার ইলিশ খেয়ে হাত না ধুয়ে ফ্লোরে শুয়ে থাকতেন। আমিও তার মত একটু পর পর হাত শুঁকেছি। হাত শুকে শুকে একা একা হেসেছি।

পরজন্মে আমি সর্বগুনে গুনান্বিত বহুপ্রজ ঐ কাঁঠাল গাছই হতে চাই। আমার সারা দেহে এমনকি কোমরে, হাতে, পায়েও ঝুলে থাকবে খোঁচা খোঁচা গাওলা সবুজ বাচ্চারা।
পূণর্লিখন জুন ২০২১

ছড়িয়ে দিন