কেন চাঁদপুরে এত জনপ্রিয় ছিলেন সরকারী এ কর্মকর্তা

প্রকাশিত: ৬:৩৬ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১০, ২০১৭

কেন চাঁদপুরে এত জনপ্রিয় ছিলেন সরকারী এ কর্মকর্তা

 

রিফাত কান্তি সেনঃ

চাঁদপুর জেলার কোন উপজেলা কিংবা প্রত্যান্তঞ্চল থেকে, কোন দুর্ভোগের খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট হতে না হতেই তিনি সেখানে কমেন্ট জুড়ে বসতেন।এবং ততক্ষনাৎ ব্যবস্থা গ্রহন ও করতেন।বলছিলাম সদ্য চাঁদপুর থেকে বদলি হওয়া সরকারী কর্মকর্তা আবদুল হাই এর কথা।২০১৬ সালের ২০ মার্চ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে চাঁদপুরে যোগ দেন তিনি। রাজস্ব, শিক্ষা ও আইসিটির দায়িত্ব পালন করছিলেন।
মাঝে তিনি ডিডিএলজি এর দায়িত্ব ও পালন করে আসছিলেন।এমন কী কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শিবিরে ও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
বর্তমানে তিনি নির্বাচন কমিশনের ’আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম ফর ইনফরমেশন একসেস টু সার্ভিস প্রকল্পের’ উপ প্রকল্প পরিচালক হিসেবে বদলী হয়েছেন।তাঁর এ বদলীর খবর শুনে চাঁদপুরের তরুন প্রজন্মের একঝাঁক তরুন-তরুনীর মনে যেনো বিষাদের বন্যা বইছে। শুধু তাই নয়, তিনি এডিসি থাকাকালে শিক্ষা ও আইসিটির দায়িত্বে থাকায় অনেক শিক্ষকদের সাথে ও তার ভাল সম্পর্কে গড়ে উঠেছিলো বলে জানা যায়।সাংবাদিক,লেখক,শিক্ষক,ক্রীড়ানুরাগী ব্যক্তিত্বদের সাথে ও তাঁর খুবই ঘনিষ্ট সম্পর্ক ছিল। চাঁদপুরে তাঁর অবদান অনিস্বীকার্য।বিশেষ করে তরুনদের অনুপ্রানিত করে গেছেন তিনি।

তাঁর বিদায় বেলা অনেক সেচ্ছাসেবী সংগঠন বিদায় সংবর্ধনা দিতে হাজির হয়েছে তাঁর অফিস কক্ষে।ইউ,এন,বির চাঁদপুর ডিস্ট্রিক সম্পাদক শাহারিয়ার পলাশ সহ প্রভাত সমাজকল্যাণ সংস্থ্যা সহ বেশ কটি সেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান, তরুন যুব সমাজ বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করে। যা কিনা চাঁদপুর প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়।

মোহনা মিলি আফরিন,মৈত্রী দত্ত,দিপা এরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা।আবদুল হাইয়ের সাথে তাঁদের স্বপ্ল সময়ের পরিচয়।তাঁদের সাথে কথা বলে জানা যায়,আবদুল হাই খুবই ভাল একজন কর্মকর্তা।খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পটু।যে কোন কাজই খুব দক্ষতার সাথে করেছিলেন বলে তিনি চাঁদপুরের মানুষের মণিকোঠায় স্থান করে নিয়েছিলেন।এজন্য তাঁরা তাকে বিদায় সংবর্ধনা দিতে এসেছিলেন।