তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে রাশেদ খান গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ১০:৩০ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২, ২০১৮

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে রাশেদ খান গ্রেপ্তার

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের অন্যতম নেতা রাশেদ খানকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ।

রোববার সকালে রাজধানীর ভাসানটেক এলাকা থেকে গ্রেপ্তারের পর শাহবাগ থানায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপকমিশনার মাসুদুর রহমান ।

আল নাহিয়ান খান জয় নামের এক ব্যক্তির শাহবাগ থানায় আইসিটি আইনের ৫৭ ধারায় করা মামলায় তাকে (রাশেদ খান) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি এই মামলার এজাহারনামীয় একমাত্র অভিযুক্ত।

তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারপরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে।

আল নাহিয়ান খান জয় ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র।

মামলার বিষয়ে তিনি জানান, পুলিশ সদর দপ্তরের অনুমতি নিয়ে ১ জুলাই রাতে (শনিবার মধ্যরাতে) তিনি শাহবাগ থানায় রাশেদের বিরুদ্ধে এই মামলা করেন।

কারণ জানতে চাইলে আল নাহিয়ান বলেন, রাশেদ ২৭ জুলাই সন্ধ্যা ৮টায় ফেইসবুক লাইভে এসে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন ‘মনে হচ্ছে তার বাপের দেশ, সে একাই দেশের মালিক। তিনি যা ইচ্ছা তাই বলবেন আর আমরা কোন কথা বলতে পারবো না’।এছাড়াও রাশেদ বিভিন্ন সময় ফেইসবুক লাইভে এসে গুজব ছড়িয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটিয়েছে, এই বিষয়টার জন্য আমি মামলা করেছি।

এর আগে সকালে ফেইসবুক লাইভে এসে গোয়েন্দা পুলিশ তার পিছু নিয়েছে বলে জানান রাশেদ।
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’ ব্যানারে কয়েক মাস ধরে আন্দোলন করে আসছে একদল শিক্ষার্থী। তাদের আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রী কোটা বাতিলের ‘ঘোষণা’ দিলেও সরকারি প্রজ্ঞাপন না আসা পর্যন্ত নানা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ।

শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করতে গিয়ে পিটুনির শিকার হন কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা। ক্যাম্পাসের গ্রন্থাগারের সামনে এই হামলার জন্য ছাত্রলীগকে দায়ী করেছেন তারা । হামলার সময় সংগঠনটির কয়েকজন নেতাকে ঘটনাস্থলে দেখা গেছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

লাইভ রেডিও

Calendar

April 2024
S M T W T F S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930