কোভিড-১৯ থেকে বাঁচার উপায়

প্রকাশিত: ২:০৭ অপরাহ্ণ, মে ৪, ২০২০

কোভিড-১৯ থেকে বাঁচার উপায়

কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হলে জ্বর, সর্দি, গলাব্যথা এবং শ্বাসকষ্টের মত উপসর্গ দেখা দেয় । সেগুলোরই চিকিৎসা দেওয়া হয় হাসপাতালগুলোতে। শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে রোগীকে অক্সিজেন দেওয়া কিংবা ভেন্টিলেটরে সহায়তা দেওয়ারও প্রয়োজন হতে পারে। তবে এর চিকিৎসায় অনুমোদিত কোনো প্রতিরোধক বা প্রতিষেধক নেই । এ রোগের উপসর্গ প্রশমনই এখন পর্যন্ত একমাত্র চিকিৎসা।
করোনাকে অঙ্কুরে বিনাশ করতে যেকোনও ধরনের গলা খুশ খুশ বা কাশি দেখা দিলেই আর অপেক্ষা করা উচিত হবে না। ওটা করোনা না করোনা নয়, এ নিয়ে চিন্তা করার কোনও দরকার নেই। বরং ওই মুহূর্ত থেকে যে কাজটি করতে হবে, তা হলো আদা (জিঞ্জার) ও লবঙ্গ (ক্লোব) একসঙ্গে পিষে সেটাকে গরম পানিতে সিদ্ধ করে তার সঙ্গে কিছুটা চা দিয়ে ওটা এক কাপ মতো নিয়ে গারগল করে খেতে হবে। দিনে অন্তত তিন-চারবার এক কাপ করে এটা খেতে হবে। এর ফলে গলার ভেতরের কোষগুলোতে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে। এতে কোষগুলো শক্তিশালী হবে। কোষগুলোর ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়বে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোষগুলো সমর্থ হবে কোভিড-১৯ ভাইরাস যদি আক্রমণ করে, তাকে প্রতিরোধ করতে।

যাদের গলা খুশ খুশ করে না বা কোনও কাশি দেখা দেয়নি, তারাও এটা নিয়মিত দিনে দুইবার অন্তত দু’কাপ খাবেন। তাতে তাদেরও ইমিউনিটি বাড়বে। এর পাশাপাশি যাদের জোগাড় করা সম্ভব, বিশেষ করে যারা গ্রামে আছেন, তারা এখন নিমপাতা পাবেন। ড. বিজন শীলের পরামর্শ হলো, ওই নিমপাতা একটু পানি দিয়ে পিষতে হবে। পেষার ফলে যে সবুজ রঙের রসটি বের হবে সেটার সঙ্গে গরম পানি মিশিয়ে তা গারগল করে খেতে হবে। এর ফলে গলার কোষগুলোয় রক্ত সঞ্চালন বাড়বে, ইমিউনিটি বাড়বে। যা অনেক বেশি সমর্থ হবে করোনা বা কোভিড-১৯ ভাইরাসকে পরাজিত করতে।

ইতোমধ্যে আমরা বিভিন্ন ডাক্তারের আলোচনার মাধ্যমে জেনেছি করোনা আমাদের গলা থেকে ফুসফুসে গিয়ে আক্রমণ করে। এক পর্যায়ে ফুসফুসে পানি জমে যায়। তখন রোগী মৃত্যুর মুখে চলে যায়। ড. বিজন শীল বলেন, করোনার এই যে তিনটি পর্যায় অর্থাৎ প্রথমে গলায় আক্রমণ করা। অর্থাৎ গলায় খুশ খুশ কাশি হবে। এর পরে এটা আমাদের ফুসফুসের ব্রঙ্ক অ্যালভিয়োলিতে চলে যায়। ব্রঙ্ক অ্যালভিয়োলিতে যাওয়া দ্বিতীয় স্টেজ। তৃতীয় বা শেষ স্টেজ হচ্ছে ব্রঙ্ক অ্যালভিয়োলিতে পানি জমানো। ড. বিজন শীলের পরামর্শ হলো, করোনাকে প্রথম স্টেজেই অর্থাৎ গলা খুশ খুশ অবস্থাতে দমন করতে হবে। আর সেজন্য তিনি মনে করেন তার ওই আদা, লবঙ্গ এবং চা থেরাপি আর নিমপাতা থেরাপি অনেক কার্যকর হবে।

এর পাশাপাশি তিনি ইমিউনিটি বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন একগ্রাম পরিমাণ ভিটামিন সি খাওয়ার পরামর্শ দেন। এই ভিটামিন সি’র সঙ্গে অবশ্যই কিছুটা পরিমাণ জিঙ্ক থাকতে হবে। যতদূর খোঁজ নিয়ে জেনেছি, বাজারে এ মুহূর্তে ভিটামিন সি ওইভাবে পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ, প্রধানমন্ত্রীও তার ৩২টি সাবধানতার ভেতর এই ভিটামিন সি খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এ কারণে বাজারে যা ভিটামিন সি ছিল, তার প্রায় সবই এখন বিক্রি হয়ে গেছে।

ড. বিজন শীল বলছেন, এই ভিটামিন সি’র সঙ্গে জিঙ্ক থাকতে হবে। কারণ, ভাইরাসের ‘আর ডি ডি’কে ব্লক করে দিতে সমর্থ হয় জিঙ্ক। যার ফলে ওই ভাইরাস সহজে রোগীকে আক্রান্ত করতে পারে না। খোঁজ নিয়ে যা জেনেছি, তাতে দেখতে পাই এই মুহূর্তে গণস্বাস্থ্য একটি ভিটামিন সি তৈরি করছে, যার সঙ্গে তারা জিঙ্ক দিচ্ছে। আমাদের স্কয়ার, বেক্সিমকো ফার্মা, ইনসেপ্টা, অপসোনিন এমনি অনেক বড় বড় ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি রয়েছে। এ মুহূর্তে সরকারের উচিত হবে দ্রুততম সময়ে তারা যেন জিঙ্ক সমৃদ্ধ ভিটামিন সি উৎপাদন করে তার ব্যবস্থা নেওয়া, পাশাপাশি তারা যেন ন্যায্যদাম রাখে সেটিও পর্যবেক্ষণে রাখা। কারণ দুর্যোগে বাড়তি মুনাফা করার চেষ্টা যাতে কেউ না করে, সেটাও নিশ্চিত করতে হবে। বাজারে যাতে এগুলো সঠিক মূল্যে বিক্রি হয়, বিক্রেতারা বেশি দাম না নেন সেটা নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে।

চিকিৎসকরা বলছেন, এই সময়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সবল রাখা জরুরি। সেজন্য প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে নিয়মিত।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং উপসর্গগুলোর উপশমে ‘চিরায়ত চিকিৎসা পদ্ধতি’ সহায়ক হতে পারে বলে পরামর্শ দিচ্ছে সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অল্টারনেটিভ মেডিকেল কেয়ার (এএমসি) বিভাগ।

এপ্রিলে এই বিভাগের লাইন ডিরেক্টর মোহাম্মদ আজিজুর রহমান সিদ্দিকীর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সবাইকে আদা ও লবঙ্গ মিশ্রিত গরম পানি, কালোজিরা/মধু, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফলমূল খেতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আদা-রসুনের মত ভেষজ উপাদান অনেক দিক থেকেই শরীরের উপকার করে। কিন্তু এর কোনোটি করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে কার্যকর বলে এখনও প্রমাণিত হয়নি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শহীদুল্লাহ সিকদার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর নিজের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিয়ে সম্প্রতি সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এ সময় পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় আমিষ, শর্করা ও চর্বি বা স্নেহজাতীয় খাবার এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার রাখা দরকার।

প্রোটিনের মধ্যে মাছ, মাংস, ডিম এগুলো খেতে হবে। ভাত, রুটি- এগুলো খুব বেশি না হলেও খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে। ভিটামিন সি, এ, ই, বি কমপ্লেক্স, মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। ফলের মধ্যে কমলা, মাল্টা, পেয়ারা খাওয়া যায়।

পাশাপাশি ‘বিকল্প’ কিছু খাবারও এক্ষেত্রে উপকার দিতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, কালোজিরার সাথে অল্প মধু মিশিয়ে সকালে বিকালে খাওয়া যেতে পারে। আদা, দারুচিনি, লবঙ্গ, গোলমরিচ অল্প পরিমাণে খাওয়া যায় প্রতিদিন। এসব উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।

একই ধরনের পরামর্শ দিয়েছেন সরকারি ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজের প্রভাষক নাজমুল হুদা।

তিনি বলেন, আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা প্রাচীন ও কার্যকর পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে মূলত রোগ প্রতিরোধের ওপর বেশি গুরুত্বারোপ করা হয়ে থাকে।

আয়ুর্বেদের কিছু নিয়ম মেনে চললে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি সর্দি-কাশির মত উপসর্গ উপশমে উপকার পাওয়া যেতে পারে বলে দাবি করেছেন তিনি।

তার পরামর্শ- সকালে ও রাতে ঘুমানোর আগে আদা ও লবঙ্গ মিশ্রিত, অথবা লবণসহ কুসুম গরম পানি দিয়ে অন্তত দিনে দুই বার গড়গড়া করলে শ্বাসতন্ত্র ভালো থাকে। সেজন্য আদা, লবঙ্গ, দারুচিনি, গোলমরিচ দিয়ে ভেষজ চা তৈরি করে সকাল ও সন্ধ্যায় খাওয়া যায়। এই সংমিশ্রণের সাথে চাইলে লেবুর রস বা তুলসি পাতাও যোগ করা যায়।

মধুর সাথে কালোজিরার তেল সকাল-বিকাল খেলে, কাঁচা হলুদের রস মধু বা গুঁড়ের সাথে মিশিয়ে খেলে, আধা চা চামচ হলুদের গুঁড়া দুধের সাথে মিশিয়ে রাতে ঘুমানোর আগে খেলেও নানা উপকার পাওয়া যায় বলে জানাচ্ছেন নাজমুল হুদা।

পাশাপাশি লেবু, আমলকি, পেয়ারা, কামরাঙ্গা, জাম্বুরার মত ভিটামিনসৃদ্ধ ফল; গাজর, পেঁপে, মিষ্টি কুমড়ার মত সবজি; ডিম ও দুধ খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

এই আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক বলছেন, প্রতিবেলা খাওয়ার পর কুসুম গরম পানি খাওয়া ভালো। ঠাণ্ডা খাবার, কোমল পানীয়, অতিরিক্ত মসলাজাতীয় খাবার, তেলে ভাজা খাবার এড়িয়ে চলাই উত্তম।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ, ভারত, চীন ও শ্রীলংকা মিলে বিকল্প চিকিৎসার ক্ষেত্রে পৃথক গাইডলাইন তৈরি করা গেলে তাতে চিকিৎসকদের যেমন সুবিধা হবে, তেমনি প্রান্তিক পর্যায়ের জনগণও উপকৃত হবেন।

কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা চল্লিশ বছরের বেশি সময় ধরে হোমিওপ্যাথি নিয়ে কাজ করছেন। হোমিওপ্যাথি বিষয়ে গবেষণা, গ্রন্থ রচনার পাশাপাশি তিনি চিকিৎসাও দেন।
তিনি বলছেন, করোনাভাইরাসের কারণে যেসব উপসর্গ দেখা দেয়, সেগুলো প্রশমনে হোমিওপ্যাথি ওষুধ ইতিবাচক ফল দিতে পারে। তবে রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথের তত্ত্বাবধানেই সেসব ওষুধ সেবন করা উচিৎ।

হোমিওপ্যাথি ওষুধ সেবন করলে অ্যালোপ্যাথি ওষুধ নেওয়া করা যায় না- একে তিনি ‘ভ্রান্ত ধারণা” বলছেন।

নূরুল হুদা বলেন, “হোমিওপ্যাথি ওষুধ সেবন করলে এর পাশাপাশি অ্যালোপ্যাথি যদি প্রয়োজন হয়, সেটা সেবন করা যাবে। এতে কোন অসুবিধা নেই।”

করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে দেহের ইমিউনিটিকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, “হোমিওপ্যাথিতে এই ইমিউনিটিকে ‘ভাইটাল ফোর্স, বলা হয়। প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য সুনির্বাচিত কনস্টিটিউশনাল ওষুধ দিয়ে এই ভাইটাল ফোর্স শক্তিশালী করা যায়।”

তিনি বলেন, প্রচলিত কিছু মশলা যেমন আদা, লবঙ্গ, কালোজিরা, গোলমরিচ, মেথির সংমিশ্রণে চা তৈরি করে সেবন করলে সর্দি, কাশি, হাঁপানি হওয়ার সম্ভাবনা কমে, কারণ তাতে শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়।

এছাড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রতিদিন সকালে এককোয়া রসুন ও এক চিমটি কালোজিরা খাওয়ার পরামর্শ দেন নূরুল হুদা।

“খেতে খারাপ লাগলে সঙ্গে সামান্য মধুও খেতে পারেন। সকাল, দুপুর ও বিকালে তিন কাপ চিনিহীন আদা চা পান করতে পারেন। এগুলো নিয়মিত সেবনে সর্দি, কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, হাঁপানি, নিউমোনিয়া জাতীয় রোগে উপকার হয়।”

ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে হোমিওপ্যাথি ওষুধ ব্যবহারের ফলে সেখানে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা কম বলেও নূরুল হুদার বিশ্বাস।

প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, কমিউনিটি ও ব্যক্তিভিত্তিক ইমিউনিটি বাড়ানোর জন্য পরিকল্পিতভাবে হোমিওপ্যাথি বা ভেষজ ওষুধ ব্যবহারের ফলে বিপ্লব হতে পারে। আমাদের মত দেশে মহামারী থেকে রক্ষার জন্য হোমিওপ্যাথিকে ব্যবহার করতে পারি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এটি নিয়ে কাজ করলে করোনাভাইরাস থেকে আমরা রক্ষা পেতে পারি।

এসব পরামর্শ সম্পর্কে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হোমিও এবং দেশজ ওষুধ বিভাগের পরিচালক মনোয়ারা সুলতানা বলেন, আমাদের অল্টারনেটিভ মেডিসিন কেয়ারের ডাক্তাররা গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রতিরোধ ব্যবস্থার উপর। ইমিউনিটি সিস্টেমকে মজবুত করতে তারা বেশ কিছু মেডিসিন প্রেসক্রাইব করছেন। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে আলাদাভাবে বা নির্দিষ্ট করে কোনো অল্টারনেটিভ মেডিসিন সাজেস্ট করার চিন্তাভাবনা এখনও আমাদের নাই।

কোনো ওষুধে করোনাভাইরাস সেরে যাবে বলে কেউ দাবি করলে সে বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি কমিটির সদস্য ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহনীলা ফেরদৌসী।

তিনি বলেন, আমরা এখনও অল্টারনেটিভ মেডিসিন নিয়ে চিন্তাভাবনা করিনি। নানারকম ওষুধের কথা আমরা শুনেছি। হোমিও, আয়ুর্বেদ চিকিৎসকদের অনেকে বলছেন, এ ওষুধ করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করবে।

একটা ওষুধ আবিষ্কারের পর তা মানবদেহে কতটা কার্যকর তা পরীক্ষা করতেও বেশ সময় লাগে। হুট করে একটা ওষুধ মানবদেহে প্রয়োগ করে ফেলবে, এমন পারমিশনও আমরা দেব না। আমরা সতর্ক করে দিচ্ছি, এ ধরনের কোনো বিকল্প ওষুধ আমরা অনুমোদন করিনি, যা করোনাভাইরাস সারিয়ে দেবে।

ছড়িয়ে দিন