খুলে গেল লাদাখ ও সিকিমের দ্বার

প্রকাশিত: ১২:০৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২১, ২০১৮

খুলে  গেল লাদাখ ও সিকিমের দ্বার

জান্নাতুল ফেরদৌস

বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হল লাদাখ ও সিকিমের দ্বার। ভারতের অন্যতম আকর্ষণীয় এই পর্যটনকেন্দ্র নিষিদ্ধ ছিল বাংলাদেশীদের জন্য । দীর্ঘদিনের কড়াকড়ি তুলে নিয়ে এখন

ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনের ওয়েবসাইটে নতুন একটি ফরম দেওয়া হয়েছে । যা পূরণ করে লাদাখ বা সিকিমে ভ্রমণের অনুমতি চাওয়া যাবে।

ভারতীয় হাই কমিশনের একজন মুখপাত্র বলেন, “আমরা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছি।”

ভারতের জম্মু ও কাশ্মিরে হিমালয় আর কারাকোরামের মাঝে লাদাখ প্রকৃতিপ্রেমী ও পর্যটকদের কাছে পরিচিত ‘ভূস্বর্গ’ হিসেবে। অন্যদিকে তিব্বত, ভুটান, নেপাল ও পশ্চিমবঙ্গের লাগোয়া ক্ষুদ্র ভারতীয় রাজ্য সিকিমে রয়েছে পৃথিবীতে তৃতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা।

এ দুটি জায়গায় পর্যটকদের যাতায়াতে এতদিন কড়াকড়ি ছিল। বাংলাদেশ থেকে কেউ যেতে চাইলে তাকে আবেদন করতে হত দিল্লিতে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অনুমতি মিলতো না।

এখন বাংলাদেশের পর্যটকরা ওয়েবসাইট থেকে ফরম পূরণ করে লাদাখ বা সিকিমে যাওয়ার আবেদন করতে পারবেন।

গতবছর ১৪ লাখ বাংলাদেশি ভারত ভ্রমণ করেছেন, যা দেশটির মোট বিদেশি পর্যটকের ১৫ শতাংশের বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের পর বাংলাদেশ থেকেই সবচেয়ে বেশি মানুষ প্রতিবছর ভারত ভ্রমণ করছেন।

ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কে ভারতের যে নতুন ভিসা সেন্টারটি চালু করা হয়েছে, সেটিকে বলা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিসা সেন্টার। এর স্বীকৃতির জন্য ‘গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে’ আবেদন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্টেট ব্যাংক অব ইনডিয়ার একজন কর্মকর্তা, যিনি ওই ভিসা সেন্টার পরিচালনায় যুক্ত আছেন।

এদিকে বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়া-আসার সময় দেশটির ২৪টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং গেদে/হরিদাসপুর রেল ও সড়কপথ ছাড়াও অতিরিক্ত দুটি রুট ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

শনিবার থেকে সকল ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে (আইভিএসি) অতিরিক্ত রুটের আবেদন গ্রহণ করা হবে বলে ভারতীয় হাই কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এই আবেদনের জন্য আলাদাভাবে ৩০০ টাকা ফি দিতে হবে। সব আইভিএসিতে রুট অনুমোদনের আবেদন জমার জন্য আলাদা কাউন্টার থাকবে।ভারতীয় হাই কমিশন ও ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রের ওয়েবসাইটে আবেদন ফরম পাওয়া যাবে।

তবে ভারতীয় হাই কমিশন, ঢাকা কিংবা চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনার সহকারী হাই কমিশনে অতিরিক্ত রুট অনুমোদনের কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।