গর্ভবতী মায়েদের জন্য ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক ডেলিভারি সুবিধা

প্রকাশিত: ১১:৩২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৭, ২০১৯

গর্ভবতী মায়েদের জন্য ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক ডেলিভারি সুবিধা

দেশের সকল সরকারি হাসপাতালে গর্ভবতী মায়েদের জন্য ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক ডেলিভারি সুবিধার উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপি।

আজ সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জাতীয় নবজাতক স্বাস্থ্য কেন্দ্র কর্তৃক আয়োজিত ‘বিশ^ প্রিম্যাচুরিটি দিবস-২০১৯’ উপলক্ষে আয়োজিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে একথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপি। অনুষ্ঠানটি সকাল ১১ টায় শুরু হয়ে বেলা ১ টায় শেষ হয়।

সম্মেলনে শিশু মৃত্যুহার কমিয়ে আনা প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, “এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী আমাদের ২০৩০ সালের মধ্যে প্রিম্যাচুউরড এ শিশু মৃত্যুহারের লক্ষ্যমাত্রা ১২ দেয়া আছে। স্বাস্থ্যসেবা খাতের সবাই সঠিকভাবে সঠিক কাজটি করলে এই অপরিণত শিশু মৃত্যু হারের লক্ষ্যমাত্রা আগামী ২ বছরেই অর্জন করা সম্ভব হবে। এক্ষেত্রে দেশের সব সরকারি হাসপাতালেই গর্ভবতী মায়েদের জন্য ২৪ ঘন্টা ডেলিভারি সুবিধাও রাখা হবে।”

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন নার্সিং ও মিডওয়াইফারি এর মহাপরিচালক আলম আরা বেগম, পরিকল্পনা শাখার যুগ্মপ্রধান ডা. আ. এ. মো. মহিউদ্দীন ওসমানী, বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ড. বার্দন জাং রানা (উৎ ইধৎফধহ ঔঁহম জধহধ), ইউনিসেফ এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি তমু হজুমি (ঞড়সড়ড় ঐড়ুঁসর), ইউএসএইড এর প্রতিনিধি জারসাস সিধা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমএনসি (গঘঈ) বিভাগের লাইন ডাইরেক্টর শামসুল হক।

অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, বিশে^ প্রতিবছর ১৫ মিলিয়ন মানুষ অকালে জন্ম নেয়। এর ফলে প্রচুর সংখ্যক শিশু অপরিণতি বয়সেই মারা যায়। আমাদের দেশেও ৩১ ভাগ শিশু অপরিমিত বয়সে জন্মের কারনেই মারা যাচ্ছে। এই মৃত্যু রোধ করতে মায়েদের ক্যাঙ্গারু সেবা দিতে হবে। দেশের সকল হাসপাতালে ২৪ ঘন্টা গর্ভবতী মায়েদের জন্য সেবা বিভাগ রাখতে হবে। এর পাশাপাশি নার্স ও মিডওয়াইফারিদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেবার মাধ্যমে নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে হবে এবং শিশু মৃত্যুহার হ্রাস করতে হবে। এ বিষয়ে উপযুক্ত পরিকল্পনা হাতে নিতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বক্তারা।

ছড়িয়ে দিন