গৌরাঙ্গ মোহান্তের কবিতা

প্রকাশিত: ৬:৪২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২১, ২০১৭

গৌরাঙ্গ মোহান্তের কবিতা


নৈঃশব্দ্যের শূন্যতা

শব্দের ভেতর দিয়ে নৈঃশব্দ্যের শূন্যতায় হাঁটি।তোমারপা-চেতনা থেকে বৃষ্টির ছবি ঝরে পড়ে।সিঁড়ির বাতাসে দীর্ঘতর হয় নাইটকুইন। দূর থেকে ছুঁয়ে দেখি ঘাসের জাগরণ। মাঠবাড়ির ধুলো নারকেলপাতায় চুমু খেয়ে আমার বুকের ভেতর শুয়ে থাকে। আমি ধুলোর গন্ধ ছড়িয়ে রাখি মেঘে। তিস্তা কিংবা আন্দামানের জলে জেগে থাকে সুবাসের স্বীকৃতি।ফুকেট শহরে বৃষ্টি হলে অভিনয়-শিল্পীর আঙুল গন্ধ ঢেউএর পরিচালক হয়ে ওঠে।আমি হেঁটে ভ্রমণেরসূত্র শিখে ফেলি; হেঁটে বাড়ির দূর-বাসনায় ফিরেআসি।
১৬-৯-১৭, ব্যাংকক, সকাল১০.৪৮

ত্রেত্রিশ গুচ্ছ পালক
মেঘের অস্থিরতায় পালক গজাতে থাকে।পালকের সাথে উড়ে চলে আকাশ।মেঘ তোমাকে জেনে গেছে; ত্রেত্রিশ গুচ্ছ পালক নিয়ে তুমি উড়েছো আকাশে। আকাশের পথগুলো কৃষ্ণচূড়া জন্মাতে পারেনা বলে তোমাকে পাইনি খুঁজে।তোমার পালকে মিশিয়ে রেখো গুলমোহরের রং; আকাশকে নিয়ে আমরা উড়ে যাবো আটলাণ্টিক অথবা আন্দামানের তীরে।জলের স্বপ্নের ভেতর খুঁজে পাবে গাঙচিলের ক্লান্তিহীনতা।
১৬-৯-১৭, ব্যাংকক, দুপুর১২.৫২